বৈষম্যবিরোধী নেতা বৈষম্য করে দুইদিনের রিমান্ডে
- আপডেট সময় : ০৪:১২:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬
- / ১০০৫ বার পড়া হয়েছে
বৈষম্যবিরোধী নেতা রিয়াদ বৈষম্য করে দুইদিনের রিমান্ডে
স্টাফ রিপোর্টারঃ
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক নেতা ও প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী আব্দুর রাজ্জাক বিন সোলাইমান রিয়াদকে এবার হত্যাচেষ্টা মামলায় দুই দিনের রিমান্ড দিয়েছে আদালত।
একই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী রিয়াদুল হাওলাদার, আলিফ আহম্মেদ আশিক ও সায়েম শিকদারের রিমান্ড আবেদন ও জামিন আবেদন নামঞ্জুর করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম মোঃ সেফাতুল্লাহ তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।
এসআই মোক্তার হোসেন বলেন, গত সপ্তাহের বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে তাদের আটক করে পুলিশ। পরদিন তাদের কারাগারে প্রেরন করেন।
গত রোববার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার এসআই আরমান আলী আসামিদের পাঁচ দিন করে রিমান্ড চেয়ে আবেদন করলে আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
আসামীর আইনজীবী জাকির হোসাইন ও সাখাওয়াত হোসেন রিমান্ড আবেদন বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করে বলেন, আসামিরা চাকরির জন্য পরীক্ষার্থী, এই বিবেচনায় তাদের জামিন দেওয়া যেতে পারে।
প্রসঙ্গত, বন্ধুর সাথে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে গত সপ্তাহের বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির চতুর্থ তলার ৪১২ নম্বর কক্ষে সাক্ষাৎ হলে আসামিরা তাকে সমাবর্তনে অংশগ্রহণের জন্য বলেন। বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আনিসুর রহমানের সঙ্গে পরামর্শ করার সময়ে রাজ্জাকের নির্দেশে আসামি রিয়াদুল ও সায়েম চেয়ার দিয়ে নির্জনকে আঘাত করেন। এতে তিনি পিঠে ও বুকে আঘাত পান।
রাজ্জাক সুইচ গিয়ার চাকু দিয়ে নির্জনকে হত্যার উদ্দেশে মুখমণ্ডলে আঘাত করে। এতে তার নাকে লেগে উপরিভাগ কেটে গুরুতর জখম হয়। এসময় তাকে এলোপাথারি মারধর করা হয়। তখন তার বন্ধুবান্ধব ও প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি শিক্ষকরা এগিয়ে এলে আসামিরা নির্জনকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি দেয়। পরে গুলশান থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তাদের আটক করে নিয়ে যায়।
প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী নির্জন সরদার বাঁধন বাদী হয়ে রাজ্জাকসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যাচেষ্টা মামলা করেন। এতে অচেনা ১০/২২ জনকে আসামি করা হয়।
এর আগে গত বছরের ২৬ জুলাই গুলশানে সাবেক সংসদ সদস্য শাম্মী আহমেদের বাসায় চাঁদা দাবির মামলা আটক হয়েছিলেন রাজ্জাক। ওই মামলায় জামিনে কারামুক্ত হয়ে তিনি হত্যাচেষ্টা মামলায় আটক করা হয়।


















