ঢাকা ০৭:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo বেয়াইয়ের সাথে সঙ্গম: অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে বিয়াইনের মৃত্যু Logo আওয়ামী লীগের সঙ্গে যোগাযোগ করা যেতে পারে: তথ্য উপদেষ্টা Logo ভারতে বাংলাদেশি আঞ্চলিক সশস্ত্র কমান্ডার আটক, দুই সহযোগী পলাতক Logo চুয়েটের অচলাবস্থা নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি ক্যাব চট্টগ্রামের Logo পার্বত্য চট্টগ্রাম শরণার্থী পুনর্বাসন টাস্কফোর্সের চেয়ারম্যান নিযুক্ত হলেন ডা. স্বপন কুমার চাকমা Logo রোয়াংছড়িতে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত Logo পানছড়িতে বিশ্ব শিক্ষক দিবস/২৬ উদযাপিত Logo হামলার ফুটেজ না দেওয়ায় সিসিটিভির হার্ডডিক্স খুলে নিলেন সাংবাদিকরা Logo রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলা: ছাত্রদলের তদন্ত কমিটি গঠন Logo নতুন কারা মহাপরিদর্শক হলেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আনোয়ারুল কবীর

ভাঙ্গায় অ্যাম্বুলেন্স বিস্ফোরণের কারণ অতিরিক্ত গতি “ফলোআপ”

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ০৫:০২:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জুন ২০২৩
  • / ১১৩৭ বার পড়া হয়েছে

তদন্ত টিমের মতামত ভাঙ্গায় অ্যাম্বুলেন্স বিস্ফোরণের কারণ অতিরিক্ত গতি “ফলোআপ”

ফরিদপুর প্রতিনিধিঃ

প্রথমত অ্যাম্বুলেন্সটি অতিরিক্ত গতিতে ছুটে চলছিল “একপ্রেসওয়ের” উপর। দ্রুত ওই গতির কারণেই ভয়াবহ দুর্ঘটনার প্রধান কারণ উঠে এসেছে তদন্ত টিমের ভাষ্যতে । তদন্ত টিমের সমন্বিত মতামত হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ ওই সড়ক পথের জন্য স্পিড ক্যামেরা বসানো জরুরী। গতকাল ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক মো.কামরুল আহসান তালুকদার তদন্ত টিমের প্রতিবেদন ও সুপারিশ সম্পর্কিত উল্লেখিত এসব তথ্য সাংবাদিকদের প্রদান করেন। জেলা প্রশাসক আরও বলেন অ্যাম্বুলেন্সের অতিরিক্ত গতির কারণে চালকসহ তাজা ৮টি প্রাণ অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছে বিষয়টি চিহ্নিত করার পাস্পাশি ওই সড়কজুড়ে স্পিড ক্যামেরা বসানোরও সুপারিশ করেছেন তদন্ত কমিটি।

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় অ্যাম্বুলেন্স বিস্ফোরণে ৮ জনের মৃত্যুর ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির অভিমত অতিরিক্ত গতির কারণে অ্যাম্বুলেন্সটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে এবং চাকা ফেটে যাওয়ায় এক্সপ্রেসওয়ের পাশের রেলিংয়ের সাথে টক্কর লাগলে আগুন ধরে যায়। এসময় অ্যাম্বুলেন্সের ভিতরের থাকা ৮জন যাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়।

উল্লেখ্য, গত ২৪ জুন বেলা ১১টার দিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মহাসড়কের ভাঙ্গার মালিগ্রাম এক্সপ্রেসওয়ের উপর ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা ফরিদপুরগামী একটি অ্যাম্বুলেন্স বিস্ফোরণের ঘটনায় একই পরিবারের শিশু কিশোর ও বৃদ্ধসহ ৭ জনের মৃত্যু হয়। একই দিন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিট বিভাগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেলে মারা যায় অ্যাম্বুলেন্স চালক মৃদুল মালো। এছাড়াও নিহতরা হলেন বোয়ালমারীর ফেলাননগর গ্রামের আজিজুর শেখের স্ত্রী তাসলিমা বেগম (৫০), তার মেয়ে কমলা (৩০) ও আলফাডাঙ্গার বিউটি (২৬)। নিহত কমলার ছেলে আরিফ (১২), একবছর বয়সী আফসা, হাসিব (১০) এবং নিহত বিউটির ছেলে মেহেদী হাসান (১০)। নিহত ৮ জনের সকলে ফরিদপুর জেলা সদর ও বোয়ালমারী ও আলফাডাঙ্গা উপজেলার বাসিন্দা।

ভয়াবহ ওই দুর্ঘটনায় জেলা প্রশাসক ফরিদপুরের পক্ষ থেকে ছয় সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন। এছাড়া নিহতের দাফনের জন্য পরিবার প্রতি ২০ হাজার টাঁকা দাফন ও সৎকারের জন্য তুলে দেওয়া হয়।

তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক করা হয় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) বিপুল চন্দ্র দাসকে। অন্যান্যে সদস্যরা হলেন, সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ আসাদুজ্জামান ওরফে শাকিল, হাইওয়ে পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ মারুফ হাসান, বিআরটিএর সহকারী পরিচালক মোঃ এমরান খান, ফরিদপুর দমকল বাহিনীর সহকারী পরিচালক মোঃ আসাদুজ্জামান ও সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ ইমরান ফারহান। কমিটিকে দুই কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হলে গতকাল বিকেলে তদন্ত কমিটি নির্দিষ্ট সময়ে তদন্ত শেষে জেলা প্রশাসকের হাতে দুর্ঘটনার প্রতিবেদন তুলে দেন।

ট্যাগস :

ভাঙ্গায় অ্যাম্বুলেন্স বিস্ফোরণের কারণ অতিরিক্ত গতি “ফলোআপ”

আপডেট সময় : ০৫:০২:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জুন ২০২৩

তদন্ত টিমের মতামত ভাঙ্গায় অ্যাম্বুলেন্স বিস্ফোরণের কারণ অতিরিক্ত গতি “ফলোআপ”

ফরিদপুর প্রতিনিধিঃ

প্রথমত অ্যাম্বুলেন্সটি অতিরিক্ত গতিতে ছুটে চলছিল “একপ্রেসওয়ের” উপর। দ্রুত ওই গতির কারণেই ভয়াবহ দুর্ঘটনার প্রধান কারণ উঠে এসেছে তদন্ত টিমের ভাষ্যতে । তদন্ত টিমের সমন্বিত মতামত হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ ওই সড়ক পথের জন্য স্পিড ক্যামেরা বসানো জরুরী। গতকাল ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক মো.কামরুল আহসান তালুকদার তদন্ত টিমের প্রতিবেদন ও সুপারিশ সম্পর্কিত উল্লেখিত এসব তথ্য সাংবাদিকদের প্রদান করেন। জেলা প্রশাসক আরও বলেন অ্যাম্বুলেন্সের অতিরিক্ত গতির কারণে চালকসহ তাজা ৮টি প্রাণ অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছে বিষয়টি চিহ্নিত করার পাস্পাশি ওই সড়কজুড়ে স্পিড ক্যামেরা বসানোরও সুপারিশ করেছেন তদন্ত কমিটি।

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় অ্যাম্বুলেন্স বিস্ফোরণে ৮ জনের মৃত্যুর ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির অভিমত অতিরিক্ত গতির কারণে অ্যাম্বুলেন্সটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে এবং চাকা ফেটে যাওয়ায় এক্সপ্রেসওয়ের পাশের রেলিংয়ের সাথে টক্কর লাগলে আগুন ধরে যায়। এসময় অ্যাম্বুলেন্সের ভিতরের থাকা ৮জন যাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়।

উল্লেখ্য, গত ২৪ জুন বেলা ১১টার দিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মহাসড়কের ভাঙ্গার মালিগ্রাম এক্সপ্রেসওয়ের উপর ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা ফরিদপুরগামী একটি অ্যাম্বুলেন্স বিস্ফোরণের ঘটনায় একই পরিবারের শিশু কিশোর ও বৃদ্ধসহ ৭ জনের মৃত্যু হয়। একই দিন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিট বিভাগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেলে মারা যায় অ্যাম্বুলেন্স চালক মৃদুল মালো। এছাড়াও নিহতরা হলেন বোয়ালমারীর ফেলাননগর গ্রামের আজিজুর শেখের স্ত্রী তাসলিমা বেগম (৫০), তার মেয়ে কমলা (৩০) ও আলফাডাঙ্গার বিউটি (২৬)। নিহত কমলার ছেলে আরিফ (১২), একবছর বয়সী আফসা, হাসিব (১০) এবং নিহত বিউটির ছেলে মেহেদী হাসান (১০)। নিহত ৮ জনের সকলে ফরিদপুর জেলা সদর ও বোয়ালমারী ও আলফাডাঙ্গা উপজেলার বাসিন্দা।

ভয়াবহ ওই দুর্ঘটনায় জেলা প্রশাসক ফরিদপুরের পক্ষ থেকে ছয় সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন। এছাড়া নিহতের দাফনের জন্য পরিবার প্রতি ২০ হাজার টাঁকা দাফন ও সৎকারের জন্য তুলে দেওয়া হয়।

তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক করা হয় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) বিপুল চন্দ্র দাসকে। অন্যান্যে সদস্যরা হলেন, সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ আসাদুজ্জামান ওরফে শাকিল, হাইওয়ে পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ মারুফ হাসান, বিআরটিএর সহকারী পরিচালক মোঃ এমরান খান, ফরিদপুর দমকল বাহিনীর সহকারী পরিচালক মোঃ আসাদুজ্জামান ও সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ ইমরান ফারহান। কমিটিকে দুই কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হলে গতকাল বিকেলে তদন্ত কমিটি নির্দিষ্ট সময়ে তদন্ত শেষে জেলা প্রশাসকের হাতে দুর্ঘটনার প্রতিবেদন তুলে দেন।