ঢাকা ১২:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মাটির গভীরে শহর! বাস করতে পারতো ২০ হাজার মানুষ

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৩:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ অগাস্ট ২০২৩
  • / ১১০৮ বার পড়া হয়েছে

মাটির গভীরে শহর! বাস করতে পারতো ২০ হাজার মানুষ

স্টাফ রিপোর্টারঃ

মাটির ৮৫ মিটার গভীর পর্যন্ত বিস্তৃত আস্ত এক শহর! বাস করতে ২০ হাজার এর অধিক মানুষ।

তুরুষ্কের প্রাচীন শহর এলেংগুবু। বর্তমানে পরিচিত ডেরিঙ্কু নামে। মাটির প্রায় ৮৫ মিটার গভীর পর্যন্ত এর বিস্তৃতি।যেখানে টানেলের সংখ্যা ১৮ তলা বিশিষ্ট। এখন পর্যন্ত খনন করা মাটির নিচের সবচেয়ে বড় শহর এটি। প্রায় ১ হাজার বছরের বেশি এটি ব্যবহার করা হয়েছে৷

অবশেষে ১৯২০ সালে এটিকে পরিত্যক্ত হিসেবে ফেলে রাখা হয়৷ মজার বিষয় হচ্ছে ওই অঞ্চলে ২শ এর মত এমন ছোট বড় আরো শহরের হদিস পাওয়া গেছে। ধারণা করা হয় সবগুলো শহর টানেলের মাধ্যমে এক সাথে যুক্ত ছিল। যেগুলোর দৈর্ঘ্য ১শ মাইলেরও অধিক হবে৷

এই শহর আবিষ্কারের কাহিনিও অনেক মজার৷ ১৯৬৩ সালের দিকে এই শহরের ওপরে বাস করা এক অজ্ঞাত ব্যক্তি নিজের বাসায় মুরগি লালন পালতেন। কিন্তু বাসা সংস্কার করার সময় তিনি লক্ষ্য করেন নতুন তৈরি হওয়া এক ছিদ্র দিয়ে তার মুরগিগুলো কোথায় যেন হারিয়ে যাচ্ছে। তাই তিনি ভালো ভাবে অনুসন্ধানের জন্য ওখানে হাল্কা খোড়াখুড়ি করেন এবং লম্বা এক প্যাসেজের সন্ধান পান৷

সাথেই সাথেই এই অঞ্চলে সরকারিভাবে খোড়াখুড়ি করা শুরু হয়। যার বদলৌতে শহরের মাঝে শুকনো খাবার সংরক্ষণের স্থান, বিদ্যালয়, ঘুমানোর স্থান, আস্তাবল সহ সম্পূর্ণ এক সভ্যতার আবাসের তথ্য পাওয়া যায়!

ট্যাগস :

মাটির গভীরে শহর! বাস করতে পারতো ২০ হাজার মানুষ

আপডেট সময় : ০৯:৪৩:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ অগাস্ট ২০২৩

মাটির গভীরে শহর! বাস করতে পারতো ২০ হাজার মানুষ

স্টাফ রিপোর্টারঃ

মাটির ৮৫ মিটার গভীর পর্যন্ত বিস্তৃত আস্ত এক শহর! বাস করতে ২০ হাজার এর অধিক মানুষ।

তুরুষ্কের প্রাচীন শহর এলেংগুবু। বর্তমানে পরিচিত ডেরিঙ্কু নামে। মাটির প্রায় ৮৫ মিটার গভীর পর্যন্ত এর বিস্তৃতি।যেখানে টানেলের সংখ্যা ১৮ তলা বিশিষ্ট। এখন পর্যন্ত খনন করা মাটির নিচের সবচেয়ে বড় শহর এটি। প্রায় ১ হাজার বছরের বেশি এটি ব্যবহার করা হয়েছে৷

অবশেষে ১৯২০ সালে এটিকে পরিত্যক্ত হিসেবে ফেলে রাখা হয়৷ মজার বিষয় হচ্ছে ওই অঞ্চলে ২শ এর মত এমন ছোট বড় আরো শহরের হদিস পাওয়া গেছে। ধারণা করা হয় সবগুলো শহর টানেলের মাধ্যমে এক সাথে যুক্ত ছিল। যেগুলোর দৈর্ঘ্য ১শ মাইলেরও অধিক হবে৷

এই শহর আবিষ্কারের কাহিনিও অনেক মজার৷ ১৯৬৩ সালের দিকে এই শহরের ওপরে বাস করা এক অজ্ঞাত ব্যক্তি নিজের বাসায় মুরগি লালন পালতেন। কিন্তু বাসা সংস্কার করার সময় তিনি লক্ষ্য করেন নতুন তৈরি হওয়া এক ছিদ্র দিয়ে তার মুরগিগুলো কোথায় যেন হারিয়ে যাচ্ছে। তাই তিনি ভালো ভাবে অনুসন্ধানের জন্য ওখানে হাল্কা খোড়াখুড়ি করেন এবং লম্বা এক প্যাসেজের সন্ধান পান৷

সাথেই সাথেই এই অঞ্চলে সরকারিভাবে খোড়াখুড়ি করা শুরু হয়। যার বদলৌতে শহরের মাঝে শুকনো খাবার সংরক্ষণের স্থান, বিদ্যালয়, ঘুমানোর স্থান, আস্তাবল সহ সম্পূর্ণ এক সভ্যতার আবাসের তথ্য পাওয়া যায়!