ঢাকা ০৯:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সিরাজগঞ্জে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নিহত-৩

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ০৩:১৯:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬
  • / ১০২৭ বার পড়া হয়েছে

সিরাজগঞ্জে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নিহত-৩

স্টাফ রিপোর্টারঃ

সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানার নলকা এলাকায় যমুনা সেতু-হাটিকুমরুল মহাসড়কে বাসের চাকা ফেটে যাওয়ায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ওভারব্রিজের আইল্যান্ডের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে গেছে বাস। এতে চালকসহ ৩ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছে অন্তত আরও ১০ জন।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম পরিচয় জানা যায়নি।

যমুনা সেতু পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিরুল ইসলাম বলেন, উত্তরবঙ্গ থেকে ঢাকাগামী বুশরা পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস ঘটনাস্থলে পৌঁছালে হঠাৎ চাকা ফেটে যায়। এতে চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। ফলে বাসটি ওভারব্রিজ ও আইল্যান্ডের মাঝখানে ধাক্কা লেগে আটকে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই ২ জন নিহত হন। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে আরও একজনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় অন্তত আরও ১০ জন আহত হয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি উদ্ধারে কাজ করছে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা।

দৈনিক আস্থা/এমএইচ

ট্যাগস :

সিরাজগঞ্জে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নিহত-৩

আপডেট সময় : ০৩:১৯:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬

সিরাজগঞ্জে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নিহত-৩

স্টাফ রিপোর্টারঃ

সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানার নলকা এলাকায় যমুনা সেতু-হাটিকুমরুল মহাসড়কে বাসের চাকা ফেটে যাওয়ায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ওভারব্রিজের আইল্যান্ডের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে গেছে বাস। এতে চালকসহ ৩ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছে অন্তত আরও ১০ জন।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম পরিচয় জানা যায়নি।

যমুনা সেতু পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিরুল ইসলাম বলেন, উত্তরবঙ্গ থেকে ঢাকাগামী বুশরা পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস ঘটনাস্থলে পৌঁছালে হঠাৎ চাকা ফেটে যায়। এতে চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। ফলে বাসটি ওভারব্রিজ ও আইল্যান্ডের মাঝখানে ধাক্কা লেগে আটকে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই ২ জন নিহত হন। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে আরও একজনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় অন্তত আরও ১০ জন আহত হয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি উদ্ধারে কাজ করছে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা।

দৈনিক আস্থা/এমএইচ