ঢাকা ০৯:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ২২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আনসার আইন চূড়ান্ত অনুমোদন-বিদ্রোহের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ০৯:০১:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩
  • / ১০৫৮ বার পড়া হয়েছে

আনসার আইন চূড়ান্ত অনুমোদন-বিদ্রোহের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড

স্টাফ রিপোর্টারঃ

বিদ্রোহের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড রেখে ‘আনসার ব্যাটালিয়ন আইন, ২০২৩’ এর খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। আজ সোমবার (৪ সেপ্টেম্বর) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে আইনের খসড়াটি অনুমোদন দেওয়া হয়। সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোঃ মাহবুব হোসেন প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

খসড়া আইনে দুটি আদালত রাখার বিধান রাখা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, একটি হবে সংক্ষিপ্ত আনসার আদালত, আরেকটি হবে বিশেষ আনসার আদালত। সংক্ষিপ্ত আদালত একজন অতিরিক্ত মহাপরিচালকের নেতৃত্ব হবে। গুরুতর অপরাধের জন্য হবে বিশেষ আদালত, এই আদালতের প্রধান হবেন মহাপরিচালক। এ দুটি আদালতে কি কি অপরাধের বিচার হবে সে বর্ণনা খসড়া আইনে দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোঃ মাহবুব হোসেন বলেন, এছাড়া শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড রয়েছে। আপিল করারও ব্যবস্থা থাকবে। শাস্তি মওকুফের বিষয়ে রাষ্ট্রপতির কাছেও তারা আবেদন করতে পারবেন।

আইনের খসড়ায় বলা হয়েছে, বিদ্রোহ সংগঠন ও এতে প্ররোচনা প্রদান, বিদ্রোহের কারণ সৃষ্টি বা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত বা এতে যোগদান করা, বিদ্রোহস্থলে উপস্থিত হয়ে তা দমনের জন্য যথেষ্ট প্রচেষ্টা গ্রহণ না করা, বিদ্রোহ সম্পর্কে জেনে বা ষড়যন্ত্রের কথা যুক্তিসঙ্গতভাবে জানা সত্ত্বেও সে বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে না জানানো, কোনো ব্যাটালিয়ন সদস্যকে সরকারের প্রতি তার কর্তব্য ও আনুগত্য থেকে বিরত রাখা, প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে বিদ্রোহের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যাটালিয়ন সদস্য বা আনসার ব্যাটালিয়ন বহির্ভূত কোনো ব্যক্তিকে অস্ত্র গোলাবারুদ বা অন্য কোনো উপায়ে সাহায্য করা, বিদ্রোহের সঙ্গে সম্পৃক্ত অন্য যে কোনো অপরাধ সংগঠন করা- এক্ষেত্রে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড বা অন্যান্য ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড।আগের ১৯৯৫ সালের আইনে বিদ্রোহের এসব বিষয় ছিল না বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

ট্যাগস :

আনসার আইন চূড়ান্ত অনুমোদন-বিদ্রোহের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় : ০৯:০১:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩

আনসার আইন চূড়ান্ত অনুমোদন-বিদ্রোহের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড

স্টাফ রিপোর্টারঃ

বিদ্রোহের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড রেখে ‘আনসার ব্যাটালিয়ন আইন, ২০২৩’ এর খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। আজ সোমবার (৪ সেপ্টেম্বর) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে আইনের খসড়াটি অনুমোদন দেওয়া হয়। সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোঃ মাহবুব হোসেন প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

খসড়া আইনে দুটি আদালত রাখার বিধান রাখা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, একটি হবে সংক্ষিপ্ত আনসার আদালত, আরেকটি হবে বিশেষ আনসার আদালত। সংক্ষিপ্ত আদালত একজন অতিরিক্ত মহাপরিচালকের নেতৃত্ব হবে। গুরুতর অপরাধের জন্য হবে বিশেষ আদালত, এই আদালতের প্রধান হবেন মহাপরিচালক। এ দুটি আদালতে কি কি অপরাধের বিচার হবে সে বর্ণনা খসড়া আইনে দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোঃ মাহবুব হোসেন বলেন, এছাড়া শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড রয়েছে। আপিল করারও ব্যবস্থা থাকবে। শাস্তি মওকুফের বিষয়ে রাষ্ট্রপতির কাছেও তারা আবেদন করতে পারবেন।

আইনের খসড়ায় বলা হয়েছে, বিদ্রোহ সংগঠন ও এতে প্ররোচনা প্রদান, বিদ্রোহের কারণ সৃষ্টি বা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত বা এতে যোগদান করা, বিদ্রোহস্থলে উপস্থিত হয়ে তা দমনের জন্য যথেষ্ট প্রচেষ্টা গ্রহণ না করা, বিদ্রোহ সম্পর্কে জেনে বা ষড়যন্ত্রের কথা যুক্তিসঙ্গতভাবে জানা সত্ত্বেও সে বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে না জানানো, কোনো ব্যাটালিয়ন সদস্যকে সরকারের প্রতি তার কর্তব্য ও আনুগত্য থেকে বিরত রাখা, প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে বিদ্রোহের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যাটালিয়ন সদস্য বা আনসার ব্যাটালিয়ন বহির্ভূত কোনো ব্যক্তিকে অস্ত্র গোলাবারুদ বা অন্য কোনো উপায়ে সাহায্য করা, বিদ্রোহের সঙ্গে সম্পৃক্ত অন্য যে কোনো অপরাধ সংগঠন করা- এক্ষেত্রে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড বা অন্যান্য ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড।আগের ১৯৯৫ সালের আইনে বিদ্রোহের এসব বিষয় ছিল না বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।