ঢাকা ০৪:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও স্পিকারকে হত্যা করতে চায় ইসরায়েল-মার্কিন প্রশাসন

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ০১:৩২:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬
  • / ১০১৪ বার পড়া হয়েছে

ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও স্পিকারকে হত্যা করতে চায় ইসরায়েল-মার্কিন প্রশাসন

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যকার যুদ্ধবিরতি আলোচনায় জড়িত থাকা ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এবং পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফকে ইসরায়েল হত্যা করতে পারে বলে গত এপ্রিল মাসে তীব্র আশঙ্কা করেছিল মার্কিন প্রশাসন।

যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন ইসরায়েলের এই সম্ভাব্য গুপ্তহত্যার পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে পেরে মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক সরকারগুলোর মাধ্যমে তেহরানকে আগেভাগেই সতর্কবার্তা পাঠিয়েছিল।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর তৈরি করা সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় অন্তত স্পিকার গালিবাফের নাম অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি জানতে পেরেই মার্কিন প্রশাসন ইসরায়েলকে এই পরিকল্পনা থেকে বিরত থাকার জোরালো আহ্বান জানায়।

মার্কিন কর্মকর্তাদের ধারণা ছিল যে এই ধরনের কোনো উচ্চপর্যায়ের হামলা চলমান যুদ্ধবিরতি কূটনীতিকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেবে এবং এর ফলে ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে বড় ধরনের যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হবে।

প্রতিবেদনে গত এপ্রিল মাসের একটি বিশেষ ঘটনার বিবরণ দিয়ে বলা হয়েছে যে ইসলামাবাদ সফর শেষে স্পিকার গালিবাফকে বহনকারী বিমানটি মাঝ আকাশেই তার পথ পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়েছিল। সে সময় ইরানি নিরাপত্তা কর্মকর্তারা দেশের আকাশসীমায় ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানের অনধিকার প্রবেশের উপস্থিতি টের পেয়েছিলেন বলে মনে করা হয়।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এবং পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ।

এই ধরনের চরম উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মধ্যেই কূটনৈতিক আলোচনার সময় যাতে কোনো ইরানি আলোচকের ওপর হামলা না হয়, সে বিষয়ে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ওয়াশিংটনের কাছে বিশেষ নিরাপত্তা নিশ্চয়তা চেয়েছিল তেহরান।

একই সাথে ইরানি কর্মকর্তারা কাতার সরকারের মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমেও ওয়াশিংটনের কাছ থেকে এই বিষয়টি নিশ্চিত করার চেষ্টা চালিয়েছিলেন যাতে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সম্পৃক্ততার সময় ইসরায়েল কোনো ধরনের আক্রমণাত্মক পদক্ষেপ না নেয়। মূলত এই কূটনৈতিক আলোচনার ধারাবাহিকতায় মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট নিরসনে তখন অন্তর্বর্তীকালীন শান্তি প্রচেষ্টাগুলো এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়েছিল। (সূত্র: মিডল ইস্ট আই)।

দৈনিক আস্থা/এমএইচ

ট্যাগস :

ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও স্পিকারকে হত্যা করতে চায় ইসরায়েল-মার্কিন প্রশাসন

আপডেট সময় : ০১:৩২:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬

ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও স্পিকারকে হত্যা করতে চায় ইসরায়েল-মার্কিন প্রশাসন

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যকার যুদ্ধবিরতি আলোচনায় জড়িত থাকা ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এবং পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফকে ইসরায়েল হত্যা করতে পারে বলে গত এপ্রিল মাসে তীব্র আশঙ্কা করেছিল মার্কিন প্রশাসন।

যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন ইসরায়েলের এই সম্ভাব্য গুপ্তহত্যার পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে পেরে মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক সরকারগুলোর মাধ্যমে তেহরানকে আগেভাগেই সতর্কবার্তা পাঠিয়েছিল।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর তৈরি করা সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় অন্তত স্পিকার গালিবাফের নাম অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি জানতে পেরেই মার্কিন প্রশাসন ইসরায়েলকে এই পরিকল্পনা থেকে বিরত থাকার জোরালো আহ্বান জানায়।

মার্কিন কর্মকর্তাদের ধারণা ছিল যে এই ধরনের কোনো উচ্চপর্যায়ের হামলা চলমান যুদ্ধবিরতি কূটনীতিকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেবে এবং এর ফলে ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে বড় ধরনের যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হবে।

প্রতিবেদনে গত এপ্রিল মাসের একটি বিশেষ ঘটনার বিবরণ দিয়ে বলা হয়েছে যে ইসলামাবাদ সফর শেষে স্পিকার গালিবাফকে বহনকারী বিমানটি মাঝ আকাশেই তার পথ পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়েছিল। সে সময় ইরানি নিরাপত্তা কর্মকর্তারা দেশের আকাশসীমায় ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানের অনধিকার প্রবেশের উপস্থিতি টের পেয়েছিলেন বলে মনে করা হয়।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এবং পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ।

এই ধরনের চরম উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মধ্যেই কূটনৈতিক আলোচনার সময় যাতে কোনো ইরানি আলোচকের ওপর হামলা না হয়, সে বিষয়ে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ওয়াশিংটনের কাছে বিশেষ নিরাপত্তা নিশ্চয়তা চেয়েছিল তেহরান।

একই সাথে ইরানি কর্মকর্তারা কাতার সরকারের মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমেও ওয়াশিংটনের কাছ থেকে এই বিষয়টি নিশ্চিত করার চেষ্টা চালিয়েছিলেন যাতে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সম্পৃক্ততার সময় ইসরায়েল কোনো ধরনের আক্রমণাত্মক পদক্ষেপ না নেয়। মূলত এই কূটনৈতিক আলোচনার ধারাবাহিকতায় মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট নিরসনে তখন অন্তর্বর্তীকালীন শান্তি প্রচেষ্টাগুলো এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়েছিল। (সূত্র: মিডল ইস্ট আই)।

দৈনিক আস্থা/এমএইচ