ঢাকা ০৫:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কক্সবাজারে ভেসে আসা ট্রলারের ১০ লাশের পরিচয় মিলেছে “ফলোআপ”

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ০৮:০৮:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৩
  • / ১০৬৭ বার পড়া হয়েছে

কক্সবাজারে ভেসে আসা ট্রলারের ১০ লাশের পরিচয় মিলেছে “ফলোআপ

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

 

কক্সবাজারের নাজিরারটেক সমুদ্র উপকূলে ভেসে আসা একটি ট্রলার থেকে উদ্ধার অর্ধগলিত ১০টি মরদেহের পরিচয় মিলেছে। নিহত সবাই মহেশখালী ও চকরিয়ার বাসিন্দা। নিহতদের মধ্য ট্রলারের মালিক মহেশখালীর হোয়ানক ইউনিয়নের বাসিন্দা সামশুল আলমও রয়েছে।

 

পুলিশ জানায়, পূর্বশত্রুতার জেরে গভীর সাগরে পরিকল্পিতভাবে ১০ জেলেকে হত্যা করে ট্রলারটি সাগরে ডুবিয়ে দিতে পারে অথবা জলদস্যুরা গভীর সাগরে ট্রলারের মাছ লুট করে জেলেদের বরফ রাখার কক্ষে আটকে রেখে ট্রলারটি ডুবিয়ে দিতে পারে।

নিহতরা হলো, চকরিয়া পৌরসভার চিরিঙ্গা এলাকার জসিম উদ্দীনের ছেলে তারেক জিয়া (২৫), চকরিয়া উপজেলার কোনাখালী ইউনিয়নের কবির হোসাইনের ছেলে সাইফুল ইসলাম (৩৪), শাহ আলমের ছেলে মোহাম্মদ শাহজাহান (৩৫), মহেশখালী উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নের ছনখোলা পাড়ার রফিক মিয়ার ছেলে সামশুল আলম (২৩), শাপলাপুর ইউনিয়নের মিটাছড়ি গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে পারভেজ মোশাররফ (১৪), মোহাম্মদ হোসাইনের ছেলে নুরুল কবির (২৮), দেলোয়ার হোসেনের ছেলে সাইফুল ইসলাম (১৮), জাফর আলমের ছেলে সওকত উল্লাহ (১৮), মুসা আলীর ছেলে ওসমাণ গনি (১৭) ও সাহাব মিয়ার ছেলে সাইফুল্লাহ (২৩)।

 

 

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, ট্রলারের বরফ রাখার কক্ষ থেকে ১০ জেলের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে তিনজনের হাত-পা রশি দিয়ে বাঁধা ছিল। কয়েকজনের শরীরে জাল প্যাঁচানো ছিল। একটি লাশের গলা থেকে মাথা ছিল বিচ্ছিন্ন। আরেকটি লাশের হাত বিচ্ছিন্ন পাওয়া গেছে। লাশগুলো ট্রলারের যে কক্ষ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে, সেই কক্ষের ঢাকনাও পেরেক দিয়ে আটকে দেওয়া হয়েছিল। তা ছাড়া ট্রলারের জাল ও ইঞ্জিন রয়ে গেছে। এ কারণে সন্দেহ হচ্ছে, হত্যাকাণ্ডটি ছিল পূর্বপরিকল্পিত।

 

প্রসঙ্গত, গেলো শনিবার (২২ এপ্রিল) রাঁতে লাশবাহী একটি ফিশিং বোট ভেসে আসার খবর জানায় জেলেরা। খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে গিয়ে বোটটিতে লাশ দেখতে পায় পুলিশ। পরে রোববার (২৩ এপ্রিল) সকালের দিকে ফায়ার সার্ভিসের দলকে সঙ্গে নিয়ে এসব লাশ উদ্ধারে যায় পুলিশ। সকাল থেকে চেষ্টা করে ফিশিং ট্রলারটি তীরে এনে কোল্ডস্টোর থেকে ১০টি লাশ উদ্ধার করা হয়।

ট্যাগস :

কক্সবাজারে ভেসে আসা ট্রলারের ১০ লাশের পরিচয় মিলেছে “ফলোআপ”

আপডেট সময় : ০৮:০৮:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৩

কক্সবাজারে ভেসে আসা ট্রলারের ১০ লাশের পরিচয় মিলেছে “ফলোআপ

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

 

কক্সবাজারের নাজিরারটেক সমুদ্র উপকূলে ভেসে আসা একটি ট্রলার থেকে উদ্ধার অর্ধগলিত ১০টি মরদেহের পরিচয় মিলেছে। নিহত সবাই মহেশখালী ও চকরিয়ার বাসিন্দা। নিহতদের মধ্য ট্রলারের মালিক মহেশখালীর হোয়ানক ইউনিয়নের বাসিন্দা সামশুল আলমও রয়েছে।

 

পুলিশ জানায়, পূর্বশত্রুতার জেরে গভীর সাগরে পরিকল্পিতভাবে ১০ জেলেকে হত্যা করে ট্রলারটি সাগরে ডুবিয়ে দিতে পারে অথবা জলদস্যুরা গভীর সাগরে ট্রলারের মাছ লুট করে জেলেদের বরফ রাখার কক্ষে আটকে রেখে ট্রলারটি ডুবিয়ে দিতে পারে।

নিহতরা হলো, চকরিয়া পৌরসভার চিরিঙ্গা এলাকার জসিম উদ্দীনের ছেলে তারেক জিয়া (২৫), চকরিয়া উপজেলার কোনাখালী ইউনিয়নের কবির হোসাইনের ছেলে সাইফুল ইসলাম (৩৪), শাহ আলমের ছেলে মোহাম্মদ শাহজাহান (৩৫), মহেশখালী উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নের ছনখোলা পাড়ার রফিক মিয়ার ছেলে সামশুল আলম (২৩), শাপলাপুর ইউনিয়নের মিটাছড়ি গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে পারভেজ মোশাররফ (১৪), মোহাম্মদ হোসাইনের ছেলে নুরুল কবির (২৮), দেলোয়ার হোসেনের ছেলে সাইফুল ইসলাম (১৮), জাফর আলমের ছেলে সওকত উল্লাহ (১৮), মুসা আলীর ছেলে ওসমাণ গনি (১৭) ও সাহাব মিয়ার ছেলে সাইফুল্লাহ (২৩)।

 

 

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, ট্রলারের বরফ রাখার কক্ষ থেকে ১০ জেলের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে তিনজনের হাত-পা রশি দিয়ে বাঁধা ছিল। কয়েকজনের শরীরে জাল প্যাঁচানো ছিল। একটি লাশের গলা থেকে মাথা ছিল বিচ্ছিন্ন। আরেকটি লাশের হাত বিচ্ছিন্ন পাওয়া গেছে। লাশগুলো ট্রলারের যে কক্ষ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে, সেই কক্ষের ঢাকনাও পেরেক দিয়ে আটকে দেওয়া হয়েছিল। তা ছাড়া ট্রলারের জাল ও ইঞ্জিন রয়ে গেছে। এ কারণে সন্দেহ হচ্ছে, হত্যাকাণ্ডটি ছিল পূর্বপরিকল্পিত।

 

প্রসঙ্গত, গেলো শনিবার (২২ এপ্রিল) রাঁতে লাশবাহী একটি ফিশিং বোট ভেসে আসার খবর জানায় জেলেরা। খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে গিয়ে বোটটিতে লাশ দেখতে পায় পুলিশ। পরে রোববার (২৩ এপ্রিল) সকালের দিকে ফায়ার সার্ভিসের দলকে সঙ্গে নিয়ে এসব লাশ উদ্ধারে যায় পুলিশ। সকাল থেকে চেষ্টা করে ফিশিং ট্রলারটি তীরে এনে কোল্ডস্টোর থেকে ১০টি লাশ উদ্ধার করা হয়।