ঢাকা ০২:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কঙ্গনার বিরুদ্ধে কলকাতা পুলিশে অভিযোগ

Iftekhar Ahamed
  • আপডেট সময় : ১০:২৯:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ মে ২০২১
  • / ১০৬০ বার পড়া হয়েছে

বিনোদন ডেস্কঃ

বাংলার বিরুদ্ধে অপমানজনক মন্তব্য, অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা এবং আইনশৃঙ্খলার ভারসাম্য নষ্টের চেষ্টার অভিযোগ কঙ্গনা রণৌতের বিরুদ্ধে। এর প্রেক্ষিতে কলকাতা পুলিশে অভিযোগ জানালেন সুপ্রিল কোর্টের আইনজীবি সুমিত চৌধুরী। তথ্যটি নিশ্চিত করেছে ভারতীয় গণমাধ্যম এবিপি আনন্দ।

গণমাধ্যমটি জানিয়েছে, রোববার (২ মে) বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির ভরাডুরি সময় পরপর তিনটি টুইট করেন কঙ্গনা। টুইটে পশ্চিমবঙ্গে মানুষকে অপমান করেছেন তিনি। বিজেপির পক্ষে কথা বলতে গিয়ে তিনি পশ্চিমবঙ্গে অশান্তি ছড়াতে চাইছেন। বিতর্কিত এনআরসি ও সিএএ-এর পক্ষে কথা বলেছেন। যা রাজ্যে অশান্তি উসকে দেবে।

[irp]

টুইটারে কঙ্গনা লিখেছিলেন, “বাংলাদেশি আর রোহিঙ্গারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সবচেয়ে বড় শক্তি। যা ট্রেন্ড দেখছি তাতে বাংলায় আর হিন্দুরা মেজরিটিতে নেই এবং তথ্য অনুযায়ী গোটা ভারতবর্ষের তুলনায় বাংলার মুসলিমরা সবচেয়ে গরিব আর বঞ্চিত। ভালো আরেকটা কাশ্মীর তৈরি হচ্ছে।”

নিজেকে বরাবর ‘দেশভক্ত’ হিসেবে দাবি করেছেন কঙ্গনা। সোশ্যাল মিডিয়ায় একাধিকবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রশংসায় পঞ্চমুখ হন তিনি। দিল্লির কৃষক আন্দোলনের সময়ও মোদির পাশে দাঁড়িয়ে ক্ষুব্ধ কৃষকদের একহাত নেন।

গত বছরও এপ্রিলে কঙ্গনার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। একটি বিশেষ সম্প্রদায়কে ‘সন্ত্রাসবাদী’ বলার অভিযোগ ছিল তার বিরুদ্ধে।

 

ট্যাগস :

কঙ্গনার বিরুদ্ধে কলকাতা পুলিশে অভিযোগ

আপডেট সময় : ১০:২৯:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ মে ২০২১

বিনোদন ডেস্কঃ

বাংলার বিরুদ্ধে অপমানজনক মন্তব্য, অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা এবং আইনশৃঙ্খলার ভারসাম্য নষ্টের চেষ্টার অভিযোগ কঙ্গনা রণৌতের বিরুদ্ধে। এর প্রেক্ষিতে কলকাতা পুলিশে অভিযোগ জানালেন সুপ্রিল কোর্টের আইনজীবি সুমিত চৌধুরী। তথ্যটি নিশ্চিত করেছে ভারতীয় গণমাধ্যম এবিপি আনন্দ।

গণমাধ্যমটি জানিয়েছে, রোববার (২ মে) বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির ভরাডুরি সময় পরপর তিনটি টুইট করেন কঙ্গনা। টুইটে পশ্চিমবঙ্গে মানুষকে অপমান করেছেন তিনি। বিজেপির পক্ষে কথা বলতে গিয়ে তিনি পশ্চিমবঙ্গে অশান্তি ছড়াতে চাইছেন। বিতর্কিত এনআরসি ও সিএএ-এর পক্ষে কথা বলেছেন। যা রাজ্যে অশান্তি উসকে দেবে।

[irp]

টুইটারে কঙ্গনা লিখেছিলেন, “বাংলাদেশি আর রোহিঙ্গারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সবচেয়ে বড় শক্তি। যা ট্রেন্ড দেখছি তাতে বাংলায় আর হিন্দুরা মেজরিটিতে নেই এবং তথ্য অনুযায়ী গোটা ভারতবর্ষের তুলনায় বাংলার মুসলিমরা সবচেয়ে গরিব আর বঞ্চিত। ভালো আরেকটা কাশ্মীর তৈরি হচ্ছে।”

নিজেকে বরাবর ‘দেশভক্ত’ হিসেবে দাবি করেছেন কঙ্গনা। সোশ্যাল মিডিয়ায় একাধিকবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রশংসায় পঞ্চমুখ হন তিনি। দিল্লির কৃষক আন্দোলনের সময়ও মোদির পাশে দাঁড়িয়ে ক্ষুব্ধ কৃষকদের একহাত নেন।

গত বছরও এপ্রিলে কঙ্গনার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। একটি বিশেষ সম্প্রদায়কে ‘সন্ত্রাসবাদী’ বলার অভিযোগ ছিল তার বিরুদ্ধে।