ঢাকা ১২:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo খাগড়াছড়িতে জামায়াতের নির্বাচনী গণমিছিল শেষে সমাবেশে Logo পানছড়িতে অষ্টপ্রহার ব্যাপী মহানামযজ্ঞ ও সরস্বতী পূজা পরিদর্শনে বিএনপি Logo পানছড়িতে বিভিন্ন দলের শতাধিক নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগদান Logo আপনারা থাকার কষ্ট করছেন, আমরা এখানে উঁচু উঁচু বিল্ডিং করে দিতে চাই Logo পানছড়িতে খালেদা জিয়ার স্বরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত Logo ছয় মাসে ব্যাংক থেকে ৬০ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিলো সরকার Logo প্রাণ ফিরছে লোগাং ইউপি শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদে Logo পানছড়িতে ভারতীয় অবৈধ পন্য আটক Logo পানছড়িতে সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের খোয়া-রাবিশ ব্যবহার Logo মুসাব্বির হত্যার প্রতিবাদে খাগড়াছড়িতে স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ

জয়পুরহাটে হত্যা মামলায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ০৫:১৫:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জুন ২০২৩
  • / ১০৫২ বার পড়া হয়েছে

জয়পুরহাটে হত্যা মামলায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

 

মোঃ জয়নাল আবেদীন জয়/জয়পুরহাট প্রতিনিধিঃ

জয়পুরহাট সদর উপজেলায় মজিবর রহমান নামে এক বৃদ্ধকে হত্যার দায়ে দুই ভাইসহ তিনজনের মৃত্যুদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন আদালত। অন্য ধারায় ১০ বছর কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন আদালত। মামলার সরকারি পক্ষের আইনজীবী নৃপেন্দ্র নাথ মণ্ডল পিপি, উদয় সিং এপিপি ও আসামি পক্ষের আইনজীবী শাহানুর রহমান শাহিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আজ সোমবার (১৯ জুন) জয়পুরহাট অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত-২ এর বিচারক আব্বাস উদ্দিন এ আদেশ দেন।

আসামিরা সবাই পলাতক রয়েছেন। সাজাপ্রাপ্ত দুই সহোদর জাফর ওরফে জাফু ওরফে ইয়ারব হোসেন, আমিনুল ইসলাম ওরফে রিয়াদুল সদর উপজেলার পশ্চিম পারুলিয়া গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে। অপর আসামি লুৎফর রহমান পাঁচবিবি উপজেলার তেলীহার গ্রামের মৃত জাবদুলের ছেলে।

 

প্রসঙ্গত, ২০০৭ সালের ১৭ ডিসেম্বর সদর উপজেলার পশ্চিম পারুলিয়া গ্রামে বাসিন্দা মজিবর রহমান এর বাড়িতে রাত আড়াইটার দিকে ডাকাতদল বাড়ির প্রাচীর টপকিয়ে ঘরে প্রবেশ করে মজিবরকে ছুরিকাঘাত করে ও ৫০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। এক পর্যায়ে মজিবরের চিৎকারে পাশের ঘরে থাকা তার দুই সন্তান আব্দুর রাজ্জাক ও এরশাদ ঘর থেকে বের হয়ে ডাকাতদের ঝাপটে ধরে। এ সময় ডাকাতরা মজিবরের ছেলে এরশাদকেও ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। এ সময় প্রতিবেশী জাফরকে চিনতে পারে পরিবারের সদস্যরা।

পরে গুরুতর আহত অবস্থায় মজিবর রহমান ও তার ছেলে এরশাদকে উদ্ধার করে জয়পুরহাট আধুনিক জেলা হাসপাতাল নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মজিবর রহমানকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে আব্দুর রাজ্জাক বাদী হয়ে ২০০৭ সালের ১৯ ডিসেম্বর জয়পুরহাট সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই রায়হান ২০০৮ সালের ২৮ মার্চ আদালতে তিন জনের নাম উল্লেখ করে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এরপর দীর্ঘ শুনানি শেষে সোমবার এ রায় দেন আদালত।

ট্যাগস :

জয়পুরহাটে হত্যা মামলায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় : ০৫:১৫:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জুন ২০২৩

জয়পুরহাটে হত্যা মামলায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

 

মোঃ জয়নাল আবেদীন জয়/জয়পুরহাট প্রতিনিধিঃ

জয়পুরহাট সদর উপজেলায় মজিবর রহমান নামে এক বৃদ্ধকে হত্যার দায়ে দুই ভাইসহ তিনজনের মৃত্যুদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন আদালত। অন্য ধারায় ১০ বছর কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন আদালত। মামলার সরকারি পক্ষের আইনজীবী নৃপেন্দ্র নাথ মণ্ডল পিপি, উদয় সিং এপিপি ও আসামি পক্ষের আইনজীবী শাহানুর রহমান শাহিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আজ সোমবার (১৯ জুন) জয়পুরহাট অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত-২ এর বিচারক আব্বাস উদ্দিন এ আদেশ দেন।

আসামিরা সবাই পলাতক রয়েছেন। সাজাপ্রাপ্ত দুই সহোদর জাফর ওরফে জাফু ওরফে ইয়ারব হোসেন, আমিনুল ইসলাম ওরফে রিয়াদুল সদর উপজেলার পশ্চিম পারুলিয়া গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে। অপর আসামি লুৎফর রহমান পাঁচবিবি উপজেলার তেলীহার গ্রামের মৃত জাবদুলের ছেলে।

 

প্রসঙ্গত, ২০০৭ সালের ১৭ ডিসেম্বর সদর উপজেলার পশ্চিম পারুলিয়া গ্রামে বাসিন্দা মজিবর রহমান এর বাড়িতে রাত আড়াইটার দিকে ডাকাতদল বাড়ির প্রাচীর টপকিয়ে ঘরে প্রবেশ করে মজিবরকে ছুরিকাঘাত করে ও ৫০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। এক পর্যায়ে মজিবরের চিৎকারে পাশের ঘরে থাকা তার দুই সন্তান আব্দুর রাজ্জাক ও এরশাদ ঘর থেকে বের হয়ে ডাকাতদের ঝাপটে ধরে। এ সময় ডাকাতরা মজিবরের ছেলে এরশাদকেও ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। এ সময় প্রতিবেশী জাফরকে চিনতে পারে পরিবারের সদস্যরা।

পরে গুরুতর আহত অবস্থায় মজিবর রহমান ও তার ছেলে এরশাদকে উদ্ধার করে জয়পুরহাট আধুনিক জেলা হাসপাতাল নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মজিবর রহমানকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে আব্দুর রাজ্জাক বাদী হয়ে ২০০৭ সালের ১৯ ডিসেম্বর জয়পুরহাট সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই রায়হান ২০০৮ সালের ২৮ মার্চ আদালতে তিন জনের নাম উল্লেখ করে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এরপর দীর্ঘ শুনানি শেষে সোমবার এ রায় দেন আদালত।