ঢাকা ০৩:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জয়পুরহাটে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ০৯:১৫:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জুন ২০২৩
  • / ১০৬৮ বার পড়া হয়েছে

জয়পুরহাটে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

 

জয়নাল আবেদীন জয়/জয়পুরহাট প্রতিনিধিঃ

জয়পুরহাটে গৃহবধূ আনোয়ারা বেগমকে হত্যার দায়ে স্বামী জইমুদ্দিন ওরফে জদ্দির মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এছাড়া তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়।

আজ সোমবার (১২জুন) দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-২ আদালতের বিচারক আব্বাস উদ্দিন এ রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্ত জইমুদ্দিন ওরফে জদ্দি জেলার আক্কেলপুর উপজেলার ভিকনী গ্রামের মৃত কোকড়া সাখিদারের ছেলে। তিনি পলাতক রয়েছেন।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, বিয়ের পর থেকে জইমুদ্দিনের সাথে তার স্ত্রী আনোয়ারার পারিবারিক বিষয় নিয়ে প্রায় ঝগড়া-বিবাদ লেগে থাকতো। ২০০২ সালের ১৯ আগস্ট সন্ধ্যার দিকে তাদের আবারও ঝগড়া হয়। এরপর সেই রাতের কোন এক সময় গাছের ডাল দিয়ে তার স্ত্রীর মাথায় আঘাত করে হত্যা করে পাশের একটি পুকুরে লাশ ফেলে রাখে জইমুদ্দিন। পরের দিন সকালে স্থানীয়রা পুকুরে আনোয়ারার লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে।

এ ঘটনায় সেদিনই আক্কেলপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন নিহতের ভাই আঃ রহমান। এরপর একই বছরের ২১ নভেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। এ মামলার দীর্ঘ শুনানি শেষে আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত আজ এ রায় দেন। আসামি পলাতক থাকায় রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :

জয়পুরহাটে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় : ০৯:১৫:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জুন ২০২৩

জয়পুরহাটে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

 

জয়নাল আবেদীন জয়/জয়পুরহাট প্রতিনিধিঃ

জয়পুরহাটে গৃহবধূ আনোয়ারা বেগমকে হত্যার দায়ে স্বামী জইমুদ্দিন ওরফে জদ্দির মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এছাড়া তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়।

আজ সোমবার (১২জুন) দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-২ আদালতের বিচারক আব্বাস উদ্দিন এ রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্ত জইমুদ্দিন ওরফে জদ্দি জেলার আক্কেলপুর উপজেলার ভিকনী গ্রামের মৃত কোকড়া সাখিদারের ছেলে। তিনি পলাতক রয়েছেন।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, বিয়ের পর থেকে জইমুদ্দিনের সাথে তার স্ত্রী আনোয়ারার পারিবারিক বিষয় নিয়ে প্রায় ঝগড়া-বিবাদ লেগে থাকতো। ২০০২ সালের ১৯ আগস্ট সন্ধ্যার দিকে তাদের আবারও ঝগড়া হয়। এরপর সেই রাতের কোন এক সময় গাছের ডাল দিয়ে তার স্ত্রীর মাথায় আঘাত করে হত্যা করে পাশের একটি পুকুরে লাশ ফেলে রাখে জইমুদ্দিন। পরের দিন সকালে স্থানীয়রা পুকুরে আনোয়ারার লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে।

এ ঘটনায় সেদিনই আক্কেলপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন নিহতের ভাই আঃ রহমান। এরপর একই বছরের ২১ নভেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। এ মামলার দীর্ঘ শুনানি শেষে আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত আজ এ রায় দেন। আসামি পলাতক থাকায় রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন।