দেশে ফিরেছেন রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত
- আপডেট সময় : ০২:২৯:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ মার্চ ২০২১
- / ১১০৬ বার পড়া হয়েছে
NEW YORK CITY, USA SEPTEMBER 26, 2019: Russia's Ambassador to the USA Anatoly Antonov gives an interview to the TASS news agency. Valery Sharifulin/TASS ÑØÀ. Íüþ-Éîðê. ïîñîë Ðîññèè â ÑØÀ Àíàòîëèé Àíòîíîâ âî âðåìÿ ýêñêëþçèâíîãî èíòåðâüþ àãåíòñòâó ÒÀÑÑ. Âàëåðèé Øàðèôóëèí/ÒÀÑÑ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফিরেছেন ওয়াশিংটনে নিযুক্ত রুশ রাষ্ট্রদূত আনাতোলি আনতানোভ। কূটনৈতিক অচলাবস্থার মধ্যে মস্কোয় এসে উপস্থিত হন তিনি।
ওয়াশিংটনে অবস্থিত রুশ দূতাবাস সামাজিক মাধ্যমে একটি ছবি পোস্ট করেছে।
ওই ছবিতে দেখা যায়, রোববার সকালে যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগ করছেন তিনি। তিনি রাশিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের বিষয়ে আলোচনা করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মস্কো রওয়ানা হওয়ার আগে জন এফ কেনেডি বিমানবন্দরে প্রতিবেদকদের তিনি বলেন, তিনি একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনার পরিকল্পনা করেছেন। দুটি দেশের সম্পর্ক বিশ্লেষণ এবং বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রের এবারের নির্বাচনেও রাশিয়া হস্তক্ষেপ চেষ্টা করেছিল এমন অভিযোগ করে গত সপ্তাহে (মঙ্গলবার) একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে দেশটির জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা।
ওই রিপোর্ট প্রকাশের পরপরই শুরু হয় দুই দেশের কূটনৈতিক দ্বন্দ্ব ও সম্পর্কের অবনতি। রিপোর্টের প্রতিক্রিয়ায় পুতিনকে ‘খুনি’ এবং মার্কিন নির্বাচনে হস্তক্ষেপের জন্য ‘তাকে মূল্য দিতে হবে’ বলে মন্তব্য করেন বাইডেন।
২০১৮ সালের মার্চ মাসে রাশিয়ার সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা সের্গেই স্ক্রিপাল এবং তার মেয়ে সালিমবুরিকে নার্ভ এজেন্ট প্রয়োগ করে হত্যার চেষ্টা করা হয়।
এ ছাড়া রুশ সরকারের বিরোধী নেতা অ্যালেক্সেই নাভালনিকেও সম্প্রতি বিষ প্রয়োগে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। এসব ঘটনা পুতিনের নির্দেশে হয়েছে বলে অভিযোগ উঠলেও বার বারই তা অস্বীকার করে আসছে মস্কো।
পরদিন বুধবার ওয়াশিংটনে নিযুক্ত নিজেদের রাষ্ট্রদূত আনাতোলি আনতানোভকে মস্কোয় ডেকে পাঠায় বিক্ষুব্ধ মস্কো। শুধু তাই নয়, এমন মন্তব্যে ক্ষেপে যান খোদ পুতিনও। এমনকি বাইডেনকে সরাসরি বিতর্কে অংশ নেওয়ার চ্যালেঞ্জও জানান তিনি।
১৯৯৮ সালে ইরাকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেন বোমা বর্ষণ শুরু করলে তার প্রতিবাদে মস্কো ওয়াশিংটন থেকে তার রাষ্ট্রদূতকে ফিরিয়ে নেয়। ১৯৪৩ ও ১৯৮০ সালে ওয়াশিংটন মস্কো থেকে তার রাষ্ট্রদূতকে ফিরিয়ে নিয়েছিল।




















