ঢাকা ০১:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬, ২১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:

নরসিংদীতে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ১০:০৮:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬
  • / ১০৫৩ বার পড়া হয়েছে

নরসিংদীতে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টারঃ

নরসিংদীতে সাত বছরের এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে মাদ্রাসার শিক্ষকের বিরুদ্ধে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সকাল ১১টার দিকে নরসিংদী শহরের ভেলানগর জেলখানা মোড়স্থ মাদরাসাতুল আবরার আল আরাবিয়া মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে। আহত শিশু শিক্ষার্থী মুজাহিদ (৭) ওই মাদ্রাসার প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী। সে শিবপুর উপজেলার দক্ষিণ কারারচর (খাসমহল) এলাকার জুয়েল আহমেদের ছেলে।

অভিযুক্ত শিক্ষক নাজমুস সাকিব ময়মনসিংহ সদর উপজেলার বাগমারা গ্রামের আশরাফ উদ্দিনের ছেলে। তিনি এক মাস আগে ওই মাদ্রাসায় যোগ দেন এবং শিক্ষার্থীদের নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে ছিলেন।

জানা গেছে, নরসিংদী শহরের ভেলানগর জেলখানা মোড় এলাকায় ঢাকা–সিলেট মহাসড়কের পাশে অবস্থিত মাদরাসাতুল আবরার আল আরাবিয়া। প্রায় তিন বছর আগে মুজাহিদকে সেখানে ভর্তি করা হয়। এতদিন সে অনাবাসিক থাকলেও গত ৩ মাস ধরে আবাসিকে থেকে প্রথম শ্রেণিতে পড়াশোনা করছিল। তার বাবা জুয়েল আহমেদ মাঝেমধ্যে ছেলের খোঁজখবর নিতেন।

মুজাহিদের মা শান্তা বেগম বলেন, শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সকাল ১১টার দিকে মুজাহিদের বাবা তাকে দেখতে মাদ্রাসায় যান। এ সময় মুজাহিদ বাবাকে দেখে কান্না শুরু করে এবং বাড়ি যেতে চায়। পরে বাবা তাকে কোলে নিলে শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখতে পান।

তিনি আরও বলেন, বিষয়টি জানতে পেরে তিনি হতবাক হয়ে পড়েন এবং একাই বাড়ি ফিরে যান। পরে লোকজন নিয়ে বেলা ২টার দিকে মাদ্রাসায় গিয়ে ছেলেকে বাড়িতে নিয়ে আসেন। পরে রাতে শিশুটির জ্বর ও বমি শুরু হলে তাকে নরসিংদী জেলা হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরদিন অবস্থার অবনতি হলে তাকে ভর্তি করা হয়।

অভিযুক্ত শিক্ষক নাজমুস সাকিব ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, যদিও মাদ্রাসা থেকে বেত্রাঘাত নিষিদ্ধ ছিল, তবুও সে গোসল করতে অনীহা প্রকাশ করায় রাগের বশে আমি তাকে অমানবিকভাবে মারধর করি। এটি আমার ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ।

দৈনিক আস্থা/এমএইচ

ট্যাগস :

নরসিংদীতে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ

আপডেট সময় : ১০:০৮:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬

নরসিংদীতে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টারঃ

নরসিংদীতে সাত বছরের এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে মাদ্রাসার শিক্ষকের বিরুদ্ধে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সকাল ১১টার দিকে নরসিংদী শহরের ভেলানগর জেলখানা মোড়স্থ মাদরাসাতুল আবরার আল আরাবিয়া মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে। আহত শিশু শিক্ষার্থী মুজাহিদ (৭) ওই মাদ্রাসার প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী। সে শিবপুর উপজেলার দক্ষিণ কারারচর (খাসমহল) এলাকার জুয়েল আহমেদের ছেলে।

অভিযুক্ত শিক্ষক নাজমুস সাকিব ময়মনসিংহ সদর উপজেলার বাগমারা গ্রামের আশরাফ উদ্দিনের ছেলে। তিনি এক মাস আগে ওই মাদ্রাসায় যোগ দেন এবং শিক্ষার্থীদের নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে ছিলেন।

জানা গেছে, নরসিংদী শহরের ভেলানগর জেলখানা মোড় এলাকায় ঢাকা–সিলেট মহাসড়কের পাশে অবস্থিত মাদরাসাতুল আবরার আল আরাবিয়া। প্রায় তিন বছর আগে মুজাহিদকে সেখানে ভর্তি করা হয়। এতদিন সে অনাবাসিক থাকলেও গত ৩ মাস ধরে আবাসিকে থেকে প্রথম শ্রেণিতে পড়াশোনা করছিল। তার বাবা জুয়েল আহমেদ মাঝেমধ্যে ছেলের খোঁজখবর নিতেন।

মুজাহিদের মা শান্তা বেগম বলেন, শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সকাল ১১টার দিকে মুজাহিদের বাবা তাকে দেখতে মাদ্রাসায় যান। এ সময় মুজাহিদ বাবাকে দেখে কান্না শুরু করে এবং বাড়ি যেতে চায়। পরে বাবা তাকে কোলে নিলে শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখতে পান।

তিনি আরও বলেন, বিষয়টি জানতে পেরে তিনি হতবাক হয়ে পড়েন এবং একাই বাড়ি ফিরে যান। পরে লোকজন নিয়ে বেলা ২টার দিকে মাদ্রাসায় গিয়ে ছেলেকে বাড়িতে নিয়ে আসেন। পরে রাতে শিশুটির জ্বর ও বমি শুরু হলে তাকে নরসিংদী জেলা হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরদিন অবস্থার অবনতি হলে তাকে ভর্তি করা হয়।

অভিযুক্ত শিক্ষক নাজমুস সাকিব ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, যদিও মাদ্রাসা থেকে বেত্রাঘাত নিষিদ্ধ ছিল, তবুও সে গোসল করতে অনীহা প্রকাশ করায় রাগের বশে আমি তাকে অমানবিকভাবে মারধর করি। এটি আমার ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ।

দৈনিক আস্থা/এমএইচ