ঢাকা ০৪:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নির্বাচন বর্জন করলেন জামায়াত প্রার্থী

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ০৩:২৫:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬
  • / ১০৩৬ বার পড়া হয়েছে

নির্বাচন বর্জন করলেন জামায়াত প্রার্থী

আস্থা ডেস্কঃ

নির্বাচন বর্জন করলেন জামায়াত প্রার্থী
শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন জামায়াত ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মাসুদুর রহমান মাসুদ। চলমান নির্বাচনে নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে তিনি ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) ভোটগ্রহণ চলাকালে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা হাফিজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, বিভিন্ন অনিয়ম ও পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে প্রার্থী ভোট বর্জনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে বিকেল ৩টায় সংবাদ সম্মেলন করা হবে।

শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতী উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনে মোট ১৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা রয়েছে। এখানে ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৭ জন ভোটারের জন্য ১২৮টি ভোটকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৮টি কেন্দ্রকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচনের প্রথম কয়েক ঘণ্টায় বড় ধরনের কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্যাপক উপস্থিতিতে ভোটাররা লাইনে দাঁড়িয়ে শান্তিপূর্ণভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ।

দৈনিক আস্থা/এমএইচ

ট্যাগস :

নির্বাচন বর্জন করলেন জামায়াত প্রার্থী

আপডেট সময় : ০৩:২৫:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬

নির্বাচন বর্জন করলেন জামায়াত প্রার্থী

আস্থা ডেস্কঃ

নির্বাচন বর্জন করলেন জামায়াত প্রার্থী
শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন জামায়াত ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মাসুদুর রহমান মাসুদ। চলমান নির্বাচনে নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে তিনি ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) ভোটগ্রহণ চলাকালে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা হাফিজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, বিভিন্ন অনিয়ম ও পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে প্রার্থী ভোট বর্জনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে বিকেল ৩টায় সংবাদ সম্মেলন করা হবে।

শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতী উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনে মোট ১৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা রয়েছে। এখানে ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৭ জন ভোটারের জন্য ১২৮টি ভোটকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৮টি কেন্দ্রকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচনের প্রথম কয়েক ঘণ্টায় বড় ধরনের কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্যাপক উপস্থিতিতে ভোটাররা লাইনে দাঁড়িয়ে শান্তিপূর্ণভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ।

দৈনিক আস্থা/এমএইচ