ঢাকা ০১:৫৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ১৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফয়সাল-আলমগীরকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতে পাঠালেন আদালত

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ১১:৫২:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬
  • / ১০১৫ বার পড়া হয়েছে

ফয়সাল-আলমগীরকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতে পাঠালেন আদালত

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান দুই আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ এবং আলমগীর হোসেনকে ১৪ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতের (জেল হাজত) নির্দেশ দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের একটি স্থানীয় আদালত।

এছাড়া ফয়সাল-আলমগীরকে বাংলাদেশ থেকে পালাতে সহায়তাকারী ফিলিপ সাংমাকেও ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিধাননগর মহকুমা আদালত।

মামলার পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ১৬ এপ্রিল।বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বিকেলে তিন অভিযুক্তকে ভার্চুয়ালি আদালতে হাজির করা হয়। তাদের মধ্যে ফয়সাল করিম মাসুদ ও আলমগীর হোসেনকে দিল্লি থেকে এবং ফিলিপ সাংমাকে কলকাতার দমদম কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ভার্চুয়ালি আদালতে উপস্থাপন করা হয়।

এদিন পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের বিশেষ টাস্কফোর্স (এসটিএফ) তিন আসামির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় নথিপত্র আদালতে উপস্থাপন করে। নথিপত্র পর্যালোচনা শেষে বিচারক ১৬ এপ্রিল পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেন।

গত ৭ মার্চ ফয়সাল ও আলমগীরকে বাংলাদেশ সীমান্তসংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বনগাঁ এলাকা থেকে গ্রেফতার করে এসটিএফ। ৩৭ বছর বয়সী ফয়সাল করিম মাসুদের বাড়ি পটুয়াখালীতে এবং ৩৪ বছর বয়সী আলমগীর হোসেনের বাড়ি ঢাকায়।

অন্যদিকে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ১৩ মার্চ ভোরে নদিয়া জেলার শান্তিপুর বাইপাস সংলগ্ন এলাকা থেকে ফিলিপ সাংমাকে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, হাদি হত্যার সঙ্গে জড়িত ফয়সাল ও আলমগীরকে অবৈধভাবে মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশে সহায়তা করেছিলেন তিনি।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর পল্টন এলাকায় মোটরসাইকেলে আসা হেলমেট পরিহিত দুর্বৃত্তরা ওসমান হাদিকে গুলি করে গুরুতর আহত করে। পরে ১৮ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

দৈনিক আস্থা/এমএইচ

ট্যাগস :

ফয়সাল-আলমগীরকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতে পাঠালেন আদালত

আপডেট সময় : ১১:৫২:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

ফয়সাল-আলমগীরকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতে পাঠালেন আদালত

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান দুই আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ এবং আলমগীর হোসেনকে ১৪ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতের (জেল হাজত) নির্দেশ দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের একটি স্থানীয় আদালত।

এছাড়া ফয়সাল-আলমগীরকে বাংলাদেশ থেকে পালাতে সহায়তাকারী ফিলিপ সাংমাকেও ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিধাননগর মহকুমা আদালত।

মামলার পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ১৬ এপ্রিল।বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বিকেলে তিন অভিযুক্তকে ভার্চুয়ালি আদালতে হাজির করা হয়। তাদের মধ্যে ফয়সাল করিম মাসুদ ও আলমগীর হোসেনকে দিল্লি থেকে এবং ফিলিপ সাংমাকে কলকাতার দমদম কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ভার্চুয়ালি আদালতে উপস্থাপন করা হয়।

এদিন পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের বিশেষ টাস্কফোর্স (এসটিএফ) তিন আসামির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় নথিপত্র আদালতে উপস্থাপন করে। নথিপত্র পর্যালোচনা শেষে বিচারক ১৬ এপ্রিল পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেন।

গত ৭ মার্চ ফয়সাল ও আলমগীরকে বাংলাদেশ সীমান্তসংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বনগাঁ এলাকা থেকে গ্রেফতার করে এসটিএফ। ৩৭ বছর বয়সী ফয়সাল করিম মাসুদের বাড়ি পটুয়াখালীতে এবং ৩৪ বছর বয়সী আলমগীর হোসেনের বাড়ি ঢাকায়।

অন্যদিকে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ১৩ মার্চ ভোরে নদিয়া জেলার শান্তিপুর বাইপাস সংলগ্ন এলাকা থেকে ফিলিপ সাংমাকে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, হাদি হত্যার সঙ্গে জড়িত ফয়সাল ও আলমগীরকে অবৈধভাবে মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশে সহায়তা করেছিলেন তিনি।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর পল্টন এলাকায় মোটরসাইকেলে আসা হেলমেট পরিহিত দুর্বৃত্তরা ওসমান হাদিকে গুলি করে গুরুতর আহত করে। পরে ১৮ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

দৈনিক আস্থা/এমএইচ