ঢাকা ১১:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফিলিস্তিনিদের পাশে দাঁড়ানোয় বাংলাদেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানালেন রাষ্ট্রদূত

Doinik Astha
Doinik Astha
  • আপডেট সময় : ০৯:৩২:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৫
  • / ১৩২৪ বার পড়া হয়েছে

ঢাকায় নিযুক্ত ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত ইউসুফ এসওয়াই রমাদান বাংলাদেশের জনগণকে তার দেশের মানুষের প্রতি অব্যাহত সমর্থনের জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

গাজায় মানবিক সংকটের কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত বলেন, খাবার নেই, ওষুধ নেই। শিশুরাই সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী।

রবিবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা বলেন।

রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ সরকার ফিলিস্তিনের জন্য বিশেষ সহায়ক হিসেবে কাজ করছে। বহু বাংলাদেশি সেখানে খাদ্য ও ওষুধের জন্য অর্থ পাঠাচ্ছেন। আমাদের জনগণ জানে, এই সাহায্য বাংলাদেশ থেকে আসছে। আমরা সত্যিই কৃতজ্ঞ।

রাষ্ট্রদূত রমাদান ফিলিস্তিনকে সমর্থন জানানোয় বাংলাদেশ সরকারকে ধন্যবাদ জানান। বিশেষ করে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত তথাকথিত ‘গ্রেটার ইসরায়েল’ মানচিত্র নিন্দা করতে অন্যান্য মুসলিম দেশের সঙ্গে যোগ দেওয়ায় বাংলাদেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তিনি বাংলাদেশকে ফিলিস্তিনি পণ্য আমদানি বাড়ানোর আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রদূত রমাদান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি তার সমর্থন ব্যক্ত করেন এবং এর সাফল্য কামনা করেন।

প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস ফিলিস্তিনের প্রতি বাংলাদেশের সংহতি পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, আমাদের জনগণ আপনাদের পাশে আছে। সরকারও তার সমর্থন অব্যাহত রাখবে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, আগামী দিনে আরও অনেক দেশ ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেবে এবং শেষ পর্যন্ত একটি কার্যকর দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান প্রতিষ্ঠিত হবে।

ট্যাগস :

ফিলিস্তিনিদের পাশে দাঁড়ানোয় বাংলাদেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানালেন রাষ্ট্রদূত

আপডেট সময় : ০৯:৩২:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৫

ঢাকায় নিযুক্ত ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত ইউসুফ এসওয়াই রমাদান বাংলাদেশের জনগণকে তার দেশের মানুষের প্রতি অব্যাহত সমর্থনের জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

গাজায় মানবিক সংকটের কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত বলেন, খাবার নেই, ওষুধ নেই। শিশুরাই সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী।

রবিবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা বলেন।

রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ সরকার ফিলিস্তিনের জন্য বিশেষ সহায়ক হিসেবে কাজ করছে। বহু বাংলাদেশি সেখানে খাদ্য ও ওষুধের জন্য অর্থ পাঠাচ্ছেন। আমাদের জনগণ জানে, এই সাহায্য বাংলাদেশ থেকে আসছে। আমরা সত্যিই কৃতজ্ঞ।

রাষ্ট্রদূত রমাদান ফিলিস্তিনকে সমর্থন জানানোয় বাংলাদেশ সরকারকে ধন্যবাদ জানান। বিশেষ করে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত তথাকথিত ‘গ্রেটার ইসরায়েল’ মানচিত্র নিন্দা করতে অন্যান্য মুসলিম দেশের সঙ্গে যোগ দেওয়ায় বাংলাদেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তিনি বাংলাদেশকে ফিলিস্তিনি পণ্য আমদানি বাড়ানোর আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রদূত রমাদান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি তার সমর্থন ব্যক্ত করেন এবং এর সাফল্য কামনা করেন।

প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস ফিলিস্তিনের প্রতি বাংলাদেশের সংহতি পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, আমাদের জনগণ আপনাদের পাশে আছে। সরকারও তার সমর্থন অব্যাহত রাখবে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, আগামী দিনে আরও অনেক দেশ ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেবে এবং শেষ পর্যন্ত একটি কার্যকর দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান প্রতিষ্ঠিত হবে।