ঢাকা ০৯:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ২২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফুলবাড়ীয়ায় ৫শ টাকার জাল ১২শ টাকায় বিক্রি

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ০৮:০৭:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ অক্টোবর ২০২৩
  • / ১০৭৩ বার পড়া হয়েছে

ফুলবাড়ীয়ায় ৫০০ টাকার জাল ১২শ টাকায় বিক্রি

মোঃ হাবিব/ফুলবাড়ীয়া প্রতিনিধিঃ

ভারী বর্ষণে সৃষ্টি পানির প্রবল স্রোতে পুকুর থেকে মাছ খাল বিল নদীতে চলে গেছে। সেই মাছ ধরার জন্য জাল, বর্ষি, ছিপ কিনতে জালের দোকানে উপচে পড়া ভীড় সৃষ্টি হয়েছে। বেশি টাকা জাল বিক্রির অভিযোগ উঠেছে।

আজ শুক্রবার (৬ অক্টোবর) থেকে ফুলবাড়ীয়া পৌর সদরের জালি মহলের সকল দোকানে প্রচুর গ্রাহক দেখা যাচ্ছে।

শনিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, দোকানিরা ব্যস্ত সময় পার করছে।ক্রেতা আঃ হাই জানান চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় ৫শত টাকার জাল ১২শ থেকে ১৩শ টাকা নিচ্ছে।

বর্ষা মৌসুমে ধান খেতে মাছের আনাগোনা বেড়ে যাওয়ায় উপকূলীয় এলাকার বিভিন্ন হাট বাজারে বিভিন্ন ধরনের জাল কেনাবেচা হয়।শুধু বাঁশের পরিবর্তে সুতার জাল ব্যবহার করে এই জাল তৈরি করা হয়।

মাছ ধরার জালের কারিগরেরা জানান, গ্রামাঞ্চলে বর্ষাকালে ধান খেত ও নালায় বাঁশের তৈরি চাঁই পেতে মাছ ধরতেন শিকারিরা। এক দশক ধরে উপকূলীয় এলাকায় বাঁশের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় চাঁইয়ের উৎপাদন ব্যয় কয়েক গুণ বেড়ে যায়। তাছাড়া বাঁশের সংকটও রয়েছে।

স্থানীয় কৃষকদের নিজস্ব মেধা ও শ্রম দিয়ে উদ্ভাবিত এ জালের উৎপাদন খরচ ও দাম কম হওয়ায় চাক জালের চাহিদা বেড়েছে।

মাছ শিকারী মোঃ আসাদ বলেন, এক সময়ে বাঁশের তৈরি চাইয়ের চাহিদা ছিল। বাসের দাম বেশি থাকার কারণে সুতার জাল কিনছে।
হোসেন আলী বলেন, বর্ষা মৌসুমে ধান খেতে ও ছোট নালায় প্রচুর চিংড়ি মাছ পাওয়া যায়। চিংড়ি মাছ ধরার জন্য চাক জালের প্রচুর চাহিদা।

ট্যাগস :

ফুলবাড়ীয়ায় ৫শ টাকার জাল ১২শ টাকায় বিক্রি

আপডেট সময় : ০৮:০৭:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ অক্টোবর ২০২৩

ফুলবাড়ীয়ায় ৫০০ টাকার জাল ১২শ টাকায় বিক্রি

মোঃ হাবিব/ফুলবাড়ীয়া প্রতিনিধিঃ

ভারী বর্ষণে সৃষ্টি পানির প্রবল স্রোতে পুকুর থেকে মাছ খাল বিল নদীতে চলে গেছে। সেই মাছ ধরার জন্য জাল, বর্ষি, ছিপ কিনতে জালের দোকানে উপচে পড়া ভীড় সৃষ্টি হয়েছে। বেশি টাকা জাল বিক্রির অভিযোগ উঠেছে।

আজ শুক্রবার (৬ অক্টোবর) থেকে ফুলবাড়ীয়া পৌর সদরের জালি মহলের সকল দোকানে প্রচুর গ্রাহক দেখা যাচ্ছে।

শনিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, দোকানিরা ব্যস্ত সময় পার করছে।ক্রেতা আঃ হাই জানান চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় ৫শত টাকার জাল ১২শ থেকে ১৩শ টাকা নিচ্ছে।

বর্ষা মৌসুমে ধান খেতে মাছের আনাগোনা বেড়ে যাওয়ায় উপকূলীয় এলাকার বিভিন্ন হাট বাজারে বিভিন্ন ধরনের জাল কেনাবেচা হয়।শুধু বাঁশের পরিবর্তে সুতার জাল ব্যবহার করে এই জাল তৈরি করা হয়।

মাছ ধরার জালের কারিগরেরা জানান, গ্রামাঞ্চলে বর্ষাকালে ধান খেত ও নালায় বাঁশের তৈরি চাঁই পেতে মাছ ধরতেন শিকারিরা। এক দশক ধরে উপকূলীয় এলাকায় বাঁশের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় চাঁইয়ের উৎপাদন ব্যয় কয়েক গুণ বেড়ে যায়। তাছাড়া বাঁশের সংকটও রয়েছে।

স্থানীয় কৃষকদের নিজস্ব মেধা ও শ্রম দিয়ে উদ্ভাবিত এ জালের উৎপাদন খরচ ও দাম কম হওয়ায় চাক জালের চাহিদা বেড়েছে।

মাছ শিকারী মোঃ আসাদ বলেন, এক সময়ে বাঁশের তৈরি চাইয়ের চাহিদা ছিল। বাসের দাম বেশি থাকার কারণে সুতার জাল কিনছে।
হোসেন আলী বলেন, বর্ষা মৌসুমে ধান খেতে ও ছোট নালায় প্রচুর চিংড়ি মাছ পাওয়া যায়। চিংড়ি মাছ ধরার জন্য চাক জালের প্রচুর চাহিদা।