ঢাকা ০১:২৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo দুর্নীতির অভিযোগে শীর্ষে সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ Logo চিফ প্রসিকিউটরের চেয়ারকে’ টাকা আয়ের হাতিয়ার করেছিল তাজুল ইসলাম Logo ডক্টর ইউনূসের বিরুদ্ধে হচ্ছে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা Logo নড়াইলের সিঙ্গাশোলপুরে আধিপত্য বিস্তারে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নিহত-৪ Logo রাজধানীতে বিএনপি নেতা গুলিবিদ্ধ Logo ফ্যামিলি কার্ড পেতে আবেদন করবেন যেভাবে, যা যা লাগবে Logo মহাসড়কে চাঁদাবাজি বন্ধের দাবীতে শেরপুরে ছাত্রদলের মানববন্ধন Logo সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে সম্পাদক প্রার্থী সুমন Logo হাজারের বেশি রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের অনুমোদন Logo সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে জনসচেতনতার লক্ষে খাগড়াছড়িতে মানববন্ধন

রেমিট্যান্সে ফের রেকর্ড, এবার ১২ দিনে ১ বিলিয়ন ডলার!

News Editor
  • আপডেট সময় : ০৮:২৪:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ নভেম্বর ২০২০
  • / ১২২৪ বার পড়া হয়েছে

রেমিট্যান্সে ফের রেকর্ড, এবার ১২ দিনে ১ বিলিয়ন ডলার! করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) মহামারির চলমান সংকটের মধ্যেও প্রবাসী আয়ে ঊর্ধ্বমুখী ধারা অব্যাহত রয়েছে। চলতি মাসের প্রথম ১২ দিনেই প্রবাসীদের পাঠানো এই রেমিট্যান্সে এর পরিমাণ ছাড়িয়ে গেছে ১ বিলিয়ন বা একশ কোটি মার্কিন ডলার। দেশের ইতিহাসে একক মাসের মাত্র ১২ দিনে এর আগে কখনো এত পরিমাণ রেমিট্যান্স আসেনি।সোমবার (১৬ নভেম্বর) অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ১ নভেম্বর থেকে ১২ নভেম্বর পর্যন্ত ১২ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১.০৬৬ বিলিয়ন বা ১০৬ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার। বিজ্ঞপ্তিতে রেমিট্যান্সের এই রেকর্ডকে ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে এটি একটি বিরল ঘটনা’ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এই ১২ দিনের তথ্যসহ চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরের এ পর্যন্ত, অর্থাৎ ১ জুলাই থেকে ১২ নভেম্বর পর্যন্ত দেশে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ৯ দশমিক ৮৯১ বিলিয়ন বা ৯৮৯ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার। ২০১৯-২০ অর্থবছরের একই সময়ে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ৬.৮৯৭ বিলিয়ন বা ৬৮৯ কোটি ৭৯০ লাখ মার্কিন ডলার। সে হিসাবে চলমান অর্থবছরের এই সময় পর্যন্ত রেমিট্যান্সের প্রবাহ আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৪৩ দশমিক ৪২ শতাংশ বেশি।

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, অপ্রত্যাশিত অভিঘাত কোভিড-১৯-এর প্রভাবে বড় ধরনের অর্থনৈতিক সংকটে পড়েছে সারাবিশ্ব। এই সময়টাতে আমাদের রেমিট্যান্স যোদ্ধারা কষ্ট করে অর্থ পাঠিয়ে আমাদের অর্থনীতিকে গতিশীল রাখতে চালকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন। ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে বিদেশ থেকে বৈধ পথে রেমিট্যান্স তথা প্রবাসী আয় পাঠালে ২ শতাংশ নগদ প্রণোদনা দেওয়া হবে বলে ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। এর পরপরই রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়তে শুরু করে।

ব্যাংকের পর্ষদ সভায় বহিরাগত প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

অর্থমন্ত্রী বলেন, ওই সময় অনেকেই বলতে শুরু করলেন— এগুলো ঠিক নয়, টেকসই নয়। শুধু তাই নয়, চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাস যখন অসাধারণ এবং অবিশ্বাস্য গতিতে রেমিট্যান্স অর্জিত হচ্ছিল, তখন কর্মীরা তাদের কাজকর্ম বা ব্যবসা গুটিয়ে দেশে ফিরে আসছেনসহ বিভিন্ন মন্তব্য করতে শুরু করলেন অনেকে। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থাও তাল মিলিয়ে বলতে শুরু করল— রেমিট্যান্সের এই প্রবাহ ঠিক নয়, টেকসই হবে না। কিন্তু প্রণোদনা ঘোষণার পর থেকে আজ পর্যন্ত রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধির যে প্রবাহ, তাতে তাদের ভবিষ্যদ্বাণী ভুল প্রমাণিত হয়েছে। আমরা যে সঠিক ছিলাম, আরও একবার প্রমাণিত হয়েছে।

চলতি নভেম্বরের ১২ তারিখ পর্যন্ত প্রবাসী আয় এসেছে ১ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি, যা দেশের ইতিহাসে মাত্র ১২ দিনে আগে কখনো অর্জিত হয়নি। গড়ে প্রতিমাসে দুই বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ওপরে প্রবাসী আয় অর্জনও ইতিহাসে একটি বিরল ঘটনা। অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এই রেমিট্যান্স প্রবাহের কারণে প্রবাসীদের কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

রেমিট্যান্সে ফের রেকর্ড, এবার ১২ দিনে ১ বিলিয়ন ডলার!

আপডেট সময় : ০৮:২৪:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ নভেম্বর ২০২০

রেমিট্যান্সে ফের রেকর্ড, এবার ১২ দিনে ১ বিলিয়ন ডলার! করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) মহামারির চলমান সংকটের মধ্যেও প্রবাসী আয়ে ঊর্ধ্বমুখী ধারা অব্যাহত রয়েছে। চলতি মাসের প্রথম ১২ দিনেই প্রবাসীদের পাঠানো এই রেমিট্যান্সে এর পরিমাণ ছাড়িয়ে গেছে ১ বিলিয়ন বা একশ কোটি মার্কিন ডলার। দেশের ইতিহাসে একক মাসের মাত্র ১২ দিনে এর আগে কখনো এত পরিমাণ রেমিট্যান্স আসেনি।সোমবার (১৬ নভেম্বর) অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ১ নভেম্বর থেকে ১২ নভেম্বর পর্যন্ত ১২ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১.০৬৬ বিলিয়ন বা ১০৬ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার। বিজ্ঞপ্তিতে রেমিট্যান্সের এই রেকর্ডকে ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে এটি একটি বিরল ঘটনা’ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এই ১২ দিনের তথ্যসহ চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরের এ পর্যন্ত, অর্থাৎ ১ জুলাই থেকে ১২ নভেম্বর পর্যন্ত দেশে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ৯ দশমিক ৮৯১ বিলিয়ন বা ৯৮৯ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার। ২০১৯-২০ অর্থবছরের একই সময়ে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ৬.৮৯৭ বিলিয়ন বা ৬৮৯ কোটি ৭৯০ লাখ মার্কিন ডলার। সে হিসাবে চলমান অর্থবছরের এই সময় পর্যন্ত রেমিট্যান্সের প্রবাহ আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৪৩ দশমিক ৪২ শতাংশ বেশি।

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, অপ্রত্যাশিত অভিঘাত কোভিড-১৯-এর প্রভাবে বড় ধরনের অর্থনৈতিক সংকটে পড়েছে সারাবিশ্ব। এই সময়টাতে আমাদের রেমিট্যান্স যোদ্ধারা কষ্ট করে অর্থ পাঠিয়ে আমাদের অর্থনীতিকে গতিশীল রাখতে চালকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন। ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে বিদেশ থেকে বৈধ পথে রেমিট্যান্স তথা প্রবাসী আয় পাঠালে ২ শতাংশ নগদ প্রণোদনা দেওয়া হবে বলে ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। এর পরপরই রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়তে শুরু করে।

ব্যাংকের পর্ষদ সভায় বহিরাগত প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

অর্থমন্ত্রী বলেন, ওই সময় অনেকেই বলতে শুরু করলেন— এগুলো ঠিক নয়, টেকসই নয়। শুধু তাই নয়, চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাস যখন অসাধারণ এবং অবিশ্বাস্য গতিতে রেমিট্যান্স অর্জিত হচ্ছিল, তখন কর্মীরা তাদের কাজকর্ম বা ব্যবসা গুটিয়ে দেশে ফিরে আসছেনসহ বিভিন্ন মন্তব্য করতে শুরু করলেন অনেকে। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থাও তাল মিলিয়ে বলতে শুরু করল— রেমিট্যান্সের এই প্রবাহ ঠিক নয়, টেকসই হবে না। কিন্তু প্রণোদনা ঘোষণার পর থেকে আজ পর্যন্ত রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধির যে প্রবাহ, তাতে তাদের ভবিষ্যদ্বাণী ভুল প্রমাণিত হয়েছে। আমরা যে সঠিক ছিলাম, আরও একবার প্রমাণিত হয়েছে।

চলতি নভেম্বরের ১২ তারিখ পর্যন্ত প্রবাসী আয় এসেছে ১ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি, যা দেশের ইতিহাসে মাত্র ১২ দিনে আগে কখনো অর্জিত হয়নি। গড়ে প্রতিমাসে দুই বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ওপরে প্রবাসী আয় অর্জনও ইতিহাসে একটি বিরল ঘটনা। অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এই রেমিট্যান্স প্রবাহের কারণে প্রবাসীদের কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানিয়েছেন।