ঢাকা ০৩:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা রায় ১৫ বছর পর স্বামীর যাবজ্জীবন

Iftekhar Ahamed
  • আপডেট সময় : ০১:০১:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২১
  • / ১০৭৬ বার পড়া হয়েছে

ডেস্ক নিউজ:

১৫ বছর আগে রাজধানীর শাহ আলী থানা এলাকায় স্ত্রী ফেরদৌস আরা লিপিকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় স্বামী এশাদুল হক মামুনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

সোমবার ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্তি মহানগর দায়রা জজ রোকসানা বেগম হ্যাপীর আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। একইসঙ্গে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো বিনাশ্রম দুই মাসের সাজা দেয়া হয়েছে।

এর আগে জামিনে থাকা আসামি মামুন আদালতে উপস্থিত হন। এরপর আদালত তার উপস্থিতিতে রায় ঘোষণা করেন। রায় শেষে আদালত আসামি মামুনকে সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০০৬ সালের ২৩ জানুয়ারি আসামি এসাদুল হক মামুন তার স্ত্রী ফেরদৌস আরা লিপিকে গলা কেটে হত্যা করে। এ ঘটনায় তার পরদিন ২৪ জানুয়ারি নিহতের ভাই জমিরুল ইসলাম সুমন বাদী হয়ে রাজধানীর শাহ আলী থানায় হত্যা মামলা করেন।

২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি সিআইডির এএসপি ইকবাল আজাদ আসামি এসাদুল হক মামুনকে অভিযুক্ত করে ২০ জনকে সাক্ষী করে অভিযোগ পত্র দাখিল করেন। এরপর ২০১৩ সালের ২৩ এপ্রিল আদালত আসামির অব্যাহতির আবেদন করে অভিযোগ গঠন করে বিচারের আদেশ দেন। বিচার চলাকালীন বিভিন্ন সময়ে মোট ৯ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দেন।

ট্যাগস :

স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা রায় ১৫ বছর পর স্বামীর যাবজ্জীবন

আপডেট সময় : ০১:০১:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২১

ডেস্ক নিউজ:

১৫ বছর আগে রাজধানীর শাহ আলী থানা এলাকায় স্ত্রী ফেরদৌস আরা লিপিকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় স্বামী এশাদুল হক মামুনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

সোমবার ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্তি মহানগর দায়রা জজ রোকসানা বেগম হ্যাপীর আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। একইসঙ্গে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো বিনাশ্রম দুই মাসের সাজা দেয়া হয়েছে।

এর আগে জামিনে থাকা আসামি মামুন আদালতে উপস্থিত হন। এরপর আদালত তার উপস্থিতিতে রায় ঘোষণা করেন। রায় শেষে আদালত আসামি মামুনকে সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০০৬ সালের ২৩ জানুয়ারি আসামি এসাদুল হক মামুন তার স্ত্রী ফেরদৌস আরা লিপিকে গলা কেটে হত্যা করে। এ ঘটনায় তার পরদিন ২৪ জানুয়ারি নিহতের ভাই জমিরুল ইসলাম সুমন বাদী হয়ে রাজধানীর শাহ আলী থানায় হত্যা মামলা করেন।

২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি সিআইডির এএসপি ইকবাল আজাদ আসামি এসাদুল হক মামুনকে অভিযুক্ত করে ২০ জনকে সাক্ষী করে অভিযোগ পত্র দাখিল করেন। এরপর ২০১৩ সালের ২৩ এপ্রিল আদালত আসামির অব্যাহতির আবেদন করে অভিযোগ গঠন করে বিচারের আদেশ দেন। বিচার চলাকালীন বিভিন্ন সময়ে মোট ৯ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দেন।