ঢাকা ০৪:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo পানছড়িতে খালেদা জিয়ার স্বরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত Logo ছয় মাসে ব্যাংক থেকে ৬০ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিলো সরকার Logo প্রাণ ফিরছে লোগাং ইউপি শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদে Logo পানছড়িতে ভারতীয় অবৈধ পন্য আটক Logo পানছড়িতে সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের খোয়া-রাবিশ ব্যবহার Logo মুসাব্বির হত্যার প্রতিবাদে খাগড়াছড়িতে স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ Logo অষ্টগ্রামে জলমহাল দখলকে কেন্দ্র করে অতর্কিত হামলা, ছাত্রদল সভাপতিসহ আহত ৬ Logo পানছড়িতে খালেদা জিয়ার স্বরণে স্বেচ্ছাসেবক দলের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত Logo ঘরে-বাইরে নিরাপত্তাহীনতা, সারাদেশে বাধাহীন ‘মব’-২০২৫ Logo সড়ক পাশে ফেলে যাওয়া দুই শিশুর বাবার বাড়ি খাগড়াছড়ি

স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে উপজেলা চেয়ারম্যানের বাড়িতে কৃষি কর্মকর্তা

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ০৬:৩৪:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩
  • / ১১৩৮ বার পড়া হয়েছে

স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে উপজেলা চেয়ারম্যানের বাড়িতে কৃষি কর্মকর্তা

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

সামাজিক ভাবে স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে পটুয়াখালী সদর উপজেলা চেয়ারম্যান এড. গোলাম সরোয়ার এর বাড়িতে অবস্থান নিয়েছে বরিশাল সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মার্জিয়া আরা মুক্তা। গতকাল শুক্রবার (২২ সেপ্টেম্বর ) সকালে পৌর শহরের পুরান বাজার এলাকায় গোলাম সরোয়ার সিপাইয়ের বাড়ির সামনে অবস্থান নেন তিনি।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মার্জিয়া আরা মুক্তা দীর্ঘদিন পটুয়াখালী সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত থাকাকালীন উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম সরোয়ার সঙ্গে প্রেম এবং পরে তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।

সরেজমিনে সকাল সাড়ে এগারোটায় পুরান বাজার এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম সরোয়ারের বাসা তালাবদ্ধ এবং বাসার অপর প্রান্তে একটি সার বীজের দোকানে বসে মোবাইলে চার্জ দিচ্ছেন মার্জিয়া আরা মুক্তা। পরে জুমার নামাজের সময় হলে তিনি দোকান থেকে বেরিয়ে গোলাম সরোয়ারের তালাবদ্ধ বাসার সামনে বসে বৃষ্টিতে ভিজতে থাকেন।

পরে স্থানীয়রা বাসার দরজা খুলে ভিতরে যেতে বললে তিনি বলেন, এটা তার (গোলাম সরোয়ার) এবং তার প্রথম স্ত্রীর বাসা এখানে ঢুকবো না। পরে ইজ্জতহানি হচ্ছে এমন বুঝিয়ে তাকে ধরে বাসার ভেতরে প্রবেশ করান স্থানীয়রা।

এ সময়ে বরিশাল উপজেলা কর্মকর্তা মার্জিয়া আরা মুক্তা বলেন, এখন আমাদের দুজনের মধ্যে যুদ্ধ চলছে। আমি আমার যুদ্ধ চালাচ্ছি আমার সম্মান বাঁচানোর। আর সে (গোলাম সরোয়ার) তার যুদ্ধ চালাচ্ছে আমাকে এড়িয়ে যাওয়ার। তার বিয়ের আগেই বিবেচনা করা উচিৎ ছিল কিন্তু সে তা করেনি। তার সেই দায়বদ্ধতা মেনে নিয়ে আমি এতদিন প্রতিটা সেকেন্ড অপেক্ষা করেছি যার কোনো মুল্যায়ন তার কাছে নাই। আর এই মূহুর্তে এমন কিছু ঘটনা ঘটেছে তার স্বীকৃতি আমার অত্যন্ত প্রয়োজন। যদি তা না দেয় এ ব্যর্থ জীবন আমি সামনে টানবো না এই হচ্ছে মূল ম্যাসেজ।

তিনি আরও বলেন, আমি এখানে থাকা অবস্থায় বিয়ে হয়েছে অনেক আগেই এবং বিয়ে হয়েছে তা সত্যি। এখন যে অবস্থায় আছি তাতে তারও সম্মান যাচ্ছে আমারও যাচ্ছে কিন্তু তাতে কিছু করার নেই। এখন আগানো আমার পক্ষে সম্ভব না, আমি এ পরিচয় নিয়ে বাঁচতে পারবো না।

এ বিষয়ে মুঠোফোনে জানতে চাইলে সদর উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম সরোয়ার বলেন, তিনি আমার দ্বিতীয় স্ত্রী, এক বছর চার মাস আগে আমার বোনের মধ্যস্থতায় বিয়ে হয়েছে। আমি খুব সকালে বাসা থেকে বের হয়েছি তাই বাসা বন্ধ পেয়ে তিনি সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন।

ট্যাগস :

স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে উপজেলা চেয়ারম্যানের বাড়িতে কৃষি কর্মকর্তা

আপডেট সময় : ০৬:৩৪:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩

স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে উপজেলা চেয়ারম্যানের বাড়িতে কৃষি কর্মকর্তা

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

সামাজিক ভাবে স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে পটুয়াখালী সদর উপজেলা চেয়ারম্যান এড. গোলাম সরোয়ার এর বাড়িতে অবস্থান নিয়েছে বরিশাল সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মার্জিয়া আরা মুক্তা। গতকাল শুক্রবার (২২ সেপ্টেম্বর ) সকালে পৌর শহরের পুরান বাজার এলাকায় গোলাম সরোয়ার সিপাইয়ের বাড়ির সামনে অবস্থান নেন তিনি।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মার্জিয়া আরা মুক্তা দীর্ঘদিন পটুয়াখালী সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত থাকাকালীন উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম সরোয়ার সঙ্গে প্রেম এবং পরে তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।

সরেজমিনে সকাল সাড়ে এগারোটায় পুরান বাজার এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম সরোয়ারের বাসা তালাবদ্ধ এবং বাসার অপর প্রান্তে একটি সার বীজের দোকানে বসে মোবাইলে চার্জ দিচ্ছেন মার্জিয়া আরা মুক্তা। পরে জুমার নামাজের সময় হলে তিনি দোকান থেকে বেরিয়ে গোলাম সরোয়ারের তালাবদ্ধ বাসার সামনে বসে বৃষ্টিতে ভিজতে থাকেন।

পরে স্থানীয়রা বাসার দরজা খুলে ভিতরে যেতে বললে তিনি বলেন, এটা তার (গোলাম সরোয়ার) এবং তার প্রথম স্ত্রীর বাসা এখানে ঢুকবো না। পরে ইজ্জতহানি হচ্ছে এমন বুঝিয়ে তাকে ধরে বাসার ভেতরে প্রবেশ করান স্থানীয়রা।

এ সময়ে বরিশাল উপজেলা কর্মকর্তা মার্জিয়া আরা মুক্তা বলেন, এখন আমাদের দুজনের মধ্যে যুদ্ধ চলছে। আমি আমার যুদ্ধ চালাচ্ছি আমার সম্মান বাঁচানোর। আর সে (গোলাম সরোয়ার) তার যুদ্ধ চালাচ্ছে আমাকে এড়িয়ে যাওয়ার। তার বিয়ের আগেই বিবেচনা করা উচিৎ ছিল কিন্তু সে তা করেনি। তার সেই দায়বদ্ধতা মেনে নিয়ে আমি এতদিন প্রতিটা সেকেন্ড অপেক্ষা করেছি যার কোনো মুল্যায়ন তার কাছে নাই। আর এই মূহুর্তে এমন কিছু ঘটনা ঘটেছে তার স্বীকৃতি আমার অত্যন্ত প্রয়োজন। যদি তা না দেয় এ ব্যর্থ জীবন আমি সামনে টানবো না এই হচ্ছে মূল ম্যাসেজ।

তিনি আরও বলেন, আমি এখানে থাকা অবস্থায় বিয়ে হয়েছে অনেক আগেই এবং বিয়ে হয়েছে তা সত্যি। এখন যে অবস্থায় আছি তাতে তারও সম্মান যাচ্ছে আমারও যাচ্ছে কিন্তু তাতে কিছু করার নেই। এখন আগানো আমার পক্ষে সম্ভব না, আমি এ পরিচয় নিয়ে বাঁচতে পারবো না।

এ বিষয়ে মুঠোফোনে জানতে চাইলে সদর উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম সরোয়ার বলেন, তিনি আমার দ্বিতীয় স্ত্রী, এক বছর চার মাস আগে আমার বোনের মধ্যস্থতায় বিয়ে হয়েছে। আমি খুব সকালে বাসা থেকে বের হয়েছি তাই বাসা বন্ধ পেয়ে তিনি সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন।