আ.লীগ নেতার অসুস্থতার পোষ্ট, কমেন্টে ঘৃণার বন্যা
আস্থা ডেস্কঃ
খাগড়াছড়ি জেলা আ.লীগ নেতার অসুস্থতার খবর ফেইজবুক আইডিতে পোষ্ট করার পর কমেন্টে বইছে বক্সে বইছে ঘৃণার বন্যা।
মঙ্গলবার (১ লা এপ্রিল) ভেরিফাই আইডিতে পোষ্টটি করেন জিসান মিয়াজি নামের এক এফবি আইডি থেকে জেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক কল্যাণ মিত্র বড়ুয়ার নামে পোষ্টটি করা হয়।
পোষ্টটি হুবহু তোলে ধরা হলোঃ-
গুরুতর অসুস্থ আমাদের প্রাণপ্রিয় জননেতা কল্যাণ মিত্র বড়ুয়া আংকেল৷ জননাঙ্গের ইনফেকশন, মুত্রথলির সংক্রমণ, সিফিলিস, গনোরিয়া ও পাইলসের জন্য আজকে প্রায় ৮ মাস ধরে হাসপাতালের বেডে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন জেলা আওয়ামী লীগের ত্যাগী প্রবীণ এই নেতা। অর্থাভাবে ওনার চিকিৎসা করানো যাচ্ছে না। এই মূহুর্তে ওনার উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে প্রেরন ও মাউন্ট এলিজাবেথ হসপিটালের খরচ বাবদ প্রায় ৬০ লক্ষ টাকা প্রয়োজন। কিন্তু সৎ ও সজ্জন ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত কল্যাণ মিত্র বড়ুয়া আংকেল আজ টাকার অভাবে বিনা চিকিৎসায় হাসপাতালের বেডে শয্যাশায়ী। কল্যাণ মিত্র বড়ুয়া আংকেলকে বাঁচানোর জন্য ইতিমধ্যে জেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক কমিটির আহবায়ক উবিক মোহন ত্রিপুরা ও সাবেক পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি জাবেদ ভাইয়ের একান্ত প্রচেষ্টায় ফান্ড কালেকশন চলছে। জেলা আওয়ামী লীগের প্রতিটি ইউনিটের সদস্যদের আংকেল এর চিকিৎসার জন্য মুক্ত হস্তে দান করার অনুরোধ করা হলো।
সহযোগিতার জন্য বিকাশ নাম্বার: +8801874989585
মাহবুব আলম কমেন্টে লিখেন, সে তো ওয়ান পিস নেতা, সে খাগড়াছড়ি জেলা যুব মহিলা ও মহিলা আওয়ামীলীগের সকল মহিলাদের লুইচ্চা কমিটির সভাপতি ছিল, বাটপারে যতীন্দ্রলাল ত্রিপুরার আমলে ও তার কাছের লোক তার গাড়িতে সবসময় থাকতো, কুজেন্দ্রলাল ত্রিপুরার আমলেও কুজেনের কাছের লোক তার গাড়িতে সবসময় থাকতো, শত কোটি টাকা কামিয়ে এখন শালার ব্যাটা আত্মগোপনে আছে, আপনি যে রোগ গুলোর কথা বলছেন বাস্তবে যদি এই রোগ গুলা তার হতো তাহলে খুশি হইতাম।
এমদাদুল হক লাবু লিখেছেন, বড় মাপের বাটপার যেমন অহংকার বেড়েছিল আল্লাহ অহংকারী কে পছন্দ করেন না এই জন্য তার অধঃপতন।
এয়াকুব চৌধুরী লিখেছেন, আমি ব্যক্তিগতভাবে,ওনার শারীরিক চিকিৎসা করাতে চাই। বর্মাছড়ি খাল পাড়ে নিয়ে। ঐখানে নিলে কুত্তা বড়ুয়ার ভালো চিকিৎসা হবে। আর ৬০ লক্ষ টাকা খরচ করে,সিঙ্গাপুর মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে,নেওয়া লাগবে না।
এমডি আকাশ উল্লাহ ফেরদৌস লিখেন, এদিকে আরেক সিফিলিস রোগী মৈশা চন্দনও আধা পাগল প্রায় ভবিষ্যৎ জেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক হারানোর সঙ্কায়। তবে শুনেছি, দেখেছি এবার ইদে কিছু কর্মীদের অর্থ সহায়তা করা হয়েছে আর এখানেও গ্রুপিং স্পষ্ট । সবার আমলনামা ও বিগত দিনের কর্মকাণ্ডের রেকর্ড সংরক্ষিত রয়েছে। যারা সুসময়ে দলে ফাটল সৃষ্টি করে ত্যাগীদের খুনঠাসা করে নিজেদের আখের গোচানোর চেষ্টা করবেন তাদের আশায় গুড়েবালি। বিগত দিনের আমলনামাই বলে দিবে আপনার অবস্থান কোথায়, অতএব সাধু সাবধান।
আবু তাহের লিখেছেন, তবে সে যেই ব্যবসা করে এই রোগ হওয়ারি কথা।সবাই দোয়া করো যাতে তারাতাড়ি পচন ধরে।
এমডি আলমগীর হোসেন লিখেছেন, প্রাইমারী জব ২৫ লাখ।
জসিম উদ্দিন লিখেছেন, আমি প্রতিটি কমেন্টস পড়েছি,,, উনার জীবনে উনি তো ভাল কোন কাজ করে নাই সবাই তার বিরুদ্ধে কথা বলছে, আসলে তার জন্মটাই হচ্ছে ভুল,,, এই ধরনের কলঙ্কিত লোককে এত বিশাল দায়িত্ব দেওয়াটা ভুল ছিল,,, লোকটা যদি মরেও যায় আমরা তো ফ্রিতে এক বেলা ভাত খেতে পারব না এটাই কষ্ট আর কি,,।