ঢাকা ০৬:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মিল্টন বললেন “ফান্ডের পরিমাণ ২৫ কোটি” এজাজের উত্তর ‘’১২৬০ কোটি ১৫ লাখ বুঝিয়ে দিয়ে এসেছি’’

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ০৪:৪২:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬
  • / ১০০১ বার পড়া হয়েছে

মিল্টন বললেন “ফান্ডের পরিমাণ ২৫ কোটি” এজাজের উত্তর ‘’১২৬০ কোটি ১৫ লাখ বুঝিয়ে দিয়ে এসেছি’’

স্টাফ রিপোর্টারঃ

“ঢাকা উত্তর সিটির ফান্ডে এখন মাত্র ২৫ কোটি টাকা আছে” ঢাকা উত্তর সিটির প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনের জবাব দিয়েছেন সাবেক প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ।

তিনি বলছেন, চলতি বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি তার শেষ কর্মদিবসের দিন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ২৬টি একাউন্টে মোট ১হাজার ২শ ৬০ কোটি ১৫ লাখ টাকার বেশি জমা রেখে এসেছেন।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এক স্ট্যাটাসে এমন তথ্য জানান তিনি।

স্ট্যাটাসে সাবেক এই প্রশাসক লিখেছেন, ‘‘আমি সিটি কর্পোরেশনের প্রসাশক হিসেবে এক বছর মেয়াদের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলাম। আমার এক বছরের মেয়াদের শেষ দিন ১০ ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেই। সেদিন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ২৬ টি একাউন্টে মোট ১হাজার ২শ ৬০ কোটি ১৫ লাখ ৫১ হাজার ৩শ ১১ টাকা ৬০ পয়সা তহবিলে জমা রেখে একটি সমৃদ্ধ ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন রেখে এসেছিলাম। আশাকরি সুন্দর ঢাকা গড়তে বর্তমান টিম আরও ভালো করবে, শুভকামনা।’’

এমন সময় তিনি এই স্ট্যাটাস দিলেন, যখন ঢাকা উত্তর সিটির নবনিযুক্ত প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন বলছেন, উত্তর সিটির ফান্ডে এখন মাত্র ২৫ কোটি টাকা আছে।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর ঢাকা উত্তর সিটির প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন সাংবাদিকদের জানান, উত্তর সিটির ফান্ডে এখন মাত্র ২৫ কোটি টাকা আছে।

তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচনের দু’দিন আগে উত্তর সিটির সাবেক প্রশাসক ১০ ফেব্রুয়ারি শেষ অফিস করেছেন। সেদিনও তিনি ৩৪টি ফাইল সাইন করে গেছেন। করপোরেশনে এখন একেবারেই ভঙ্গুর অবস্থা, কোনো ফান্ড নেই। এদিকে ১হাজার ৪শ ৭০ কোটি টাকার টেন্ডার দিয়ে ওয়ার্ক অর্ডার দিয়ে দেওয়া হয়েছে।

ঢাকা উত্তর সিটির প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন আরও বলেন, আয়-ব্যয় এবং রাজস্ব থেকে রেভিনিউ সেকশনে কথা বলে যতটুকু জানতে পেরেছি, প্রতি মাসে স্যালারি আসে ১৩ কোটি টাকা। ফলে থাকবে কেবল ১২ কোটি। এখন বিচার বিশ্লেষণ আপনারাই করবেন। উন্নয়ন কর্মকাণ্ড কীভাবে করবেন- এমন প্রশ্নও রাখেন।

আস্থা/এম এইচ

ট্যাগস :

মিল্টন বললেন “ফান্ডের পরিমাণ ২৫ কোটি” এজাজের উত্তর ‘’১২৬০ কোটি ১৫ লাখ বুঝিয়ে দিয়ে এসেছি’’

আপডেট সময় : ০৪:৪২:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

মিল্টন বললেন “ফান্ডের পরিমাণ ২৫ কোটি” এজাজের উত্তর ‘’১২৬০ কোটি ১৫ লাখ বুঝিয়ে দিয়ে এসেছি’’

স্টাফ রিপোর্টারঃ

“ঢাকা উত্তর সিটির ফান্ডে এখন মাত্র ২৫ কোটি টাকা আছে” ঢাকা উত্তর সিটির প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনের জবাব দিয়েছেন সাবেক প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ।

তিনি বলছেন, চলতি বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি তার শেষ কর্মদিবসের দিন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ২৬টি একাউন্টে মোট ১হাজার ২শ ৬০ কোটি ১৫ লাখ টাকার বেশি জমা রেখে এসেছেন।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এক স্ট্যাটাসে এমন তথ্য জানান তিনি।

স্ট্যাটাসে সাবেক এই প্রশাসক লিখেছেন, ‘‘আমি সিটি কর্পোরেশনের প্রসাশক হিসেবে এক বছর মেয়াদের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলাম। আমার এক বছরের মেয়াদের শেষ দিন ১০ ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেই। সেদিন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ২৬ টি একাউন্টে মোট ১হাজার ২শ ৬০ কোটি ১৫ লাখ ৫১ হাজার ৩শ ১১ টাকা ৬০ পয়সা তহবিলে জমা রেখে একটি সমৃদ্ধ ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন রেখে এসেছিলাম। আশাকরি সুন্দর ঢাকা গড়তে বর্তমান টিম আরও ভালো করবে, শুভকামনা।’’

এমন সময় তিনি এই স্ট্যাটাস দিলেন, যখন ঢাকা উত্তর সিটির নবনিযুক্ত প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন বলছেন, উত্তর সিটির ফান্ডে এখন মাত্র ২৫ কোটি টাকা আছে।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর ঢাকা উত্তর সিটির প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন সাংবাদিকদের জানান, উত্তর সিটির ফান্ডে এখন মাত্র ২৫ কোটি টাকা আছে।

তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচনের দু’দিন আগে উত্তর সিটির সাবেক প্রশাসক ১০ ফেব্রুয়ারি শেষ অফিস করেছেন। সেদিনও তিনি ৩৪টি ফাইল সাইন করে গেছেন। করপোরেশনে এখন একেবারেই ভঙ্গুর অবস্থা, কোনো ফান্ড নেই। এদিকে ১হাজার ৪শ ৭০ কোটি টাকার টেন্ডার দিয়ে ওয়ার্ক অর্ডার দিয়ে দেওয়া হয়েছে।

ঢাকা উত্তর সিটির প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন আরও বলেন, আয়-ব্যয় এবং রাজস্ব থেকে রেভিনিউ সেকশনে কথা বলে যতটুকু জানতে পেরেছি, প্রতি মাসে স্যালারি আসে ১৩ কোটি টাকা। ফলে থাকবে কেবল ১২ কোটি। এখন বিচার বিশ্লেষণ আপনারাই করবেন। উন্নয়ন কর্মকাণ্ড কীভাবে করবেন- এমন প্রশ্নও রাখেন।

আস্থা/এম এইচ