ঢাকা ০১:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ২৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফটোসাংবাদিক কাজলের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে চার্জশিট দাখিল

Iftekhar Ahamed
  • আপডেট সময় : ১১:১৬:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২১
  • / ১০৯২ বার পড়া হয়েছে
ফটোসাংবাদিক শফিকুল ইসলাম কাজলের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে করা এক মামলায় আদালতে চার্জশিট দাখিল করেছে পুলিশ। গত ৭ ফেব্রুয়ারি আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক মোহাম্মদ রাসেল মোল্লা এ চার্জজশিট দেন।

শনিবার সংশ্লিষ্ট আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখা সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

গত ১০ মার্চ বকশিবাজারের বাসা থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ হন তিনি। পরদিন কাজলের স্ত্রী জুলিয়া ফেরদৌসী চকবাজার থানায় গিয়ে একটি জিডি করেন। পরে ১৮ মার্চ কাজলের সন্ধান চেয়ে চকবাজার থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি অপহরণ মামলা করেন তাদের ছেলে মনোরম পলক।

প্রায় দুই মাস পর গত বছরের ২ মে যশোরের বেনাপোল সীমান্ত থেকে কাজলকে গ্রেফতার করার কথা জানায় বিজিবি। তার বিরুদ্ধে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগ আনা হয়।

যশোর থেকে ঢাকায় আনার পর গত বছরের ২৩ জুন কাজলকে শেরেবাংলা নগর থানার মামলায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তাকে দেখানো হয়। পরে হাজারীবাগ ও কামরাঙ্গীরচর থানার মামলাতেও কাজলকে গ্রেফতার দেখানো হয়। পুলিশ তাকে রিমান্ডে নিয়েও জিজ্ঞাসাবাদ করে।

গত বছরের ২৪ আগস্ট ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালত কাজলের জামিন আবেদন নাকচ করলে তিনি ৮ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টে আবেদন করেন। সেই আবেদনে গত ২৪ নভেম্বর এবং এরপর ১২ ডিসেম্বর তিন মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন পান।

সাত মাস কারাগারে থাকার পর ২৫ ডিসেম্বর জামিনে মুক্তি পান কাজল। তার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অন্য দুই মামলায় এখনো তদন্ত প্রতিবেদন দেয়নি পুলিশ।

ট্যাগস :

ফটোসাংবাদিক কাজলের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে চার্জশিট দাখিল

আপডেট সময় : ১১:১৬:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২১
ফটোসাংবাদিক শফিকুল ইসলাম কাজলের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে করা এক মামলায় আদালতে চার্জশিট দাখিল করেছে পুলিশ। গত ৭ ফেব্রুয়ারি আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক মোহাম্মদ রাসেল মোল্লা এ চার্জজশিট দেন।

শনিবার সংশ্লিষ্ট আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখা সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

গত ১০ মার্চ বকশিবাজারের বাসা থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ হন তিনি। পরদিন কাজলের স্ত্রী জুলিয়া ফেরদৌসী চকবাজার থানায় গিয়ে একটি জিডি করেন। পরে ১৮ মার্চ কাজলের সন্ধান চেয়ে চকবাজার থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি অপহরণ মামলা করেন তাদের ছেলে মনোরম পলক।

প্রায় দুই মাস পর গত বছরের ২ মে যশোরের বেনাপোল সীমান্ত থেকে কাজলকে গ্রেফতার করার কথা জানায় বিজিবি। তার বিরুদ্ধে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগ আনা হয়।

যশোর থেকে ঢাকায় আনার পর গত বছরের ২৩ জুন কাজলকে শেরেবাংলা নগর থানার মামলায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তাকে দেখানো হয়। পরে হাজারীবাগ ও কামরাঙ্গীরচর থানার মামলাতেও কাজলকে গ্রেফতার দেখানো হয়। পুলিশ তাকে রিমান্ডে নিয়েও জিজ্ঞাসাবাদ করে।

গত বছরের ২৪ আগস্ট ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালত কাজলের জামিন আবেদন নাকচ করলে তিনি ৮ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টে আবেদন করেন। সেই আবেদনে গত ২৪ নভেম্বর এবং এরপর ১২ ডিসেম্বর তিন মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন পান।

সাত মাস কারাগারে থাকার পর ২৫ ডিসেম্বর জামিনে মুক্তি পান কাজল। তার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অন্য দুই মামলায় এখনো তদন্ত প্রতিবেদন দেয়নি পুলিশ।