ঢাকা ১০:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ২২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পুলিশ হেফাজতে সু চির কর্মকর্তার মৃত্যু

Iftekhar Ahamed
  • আপডেট সময় : ০৬:৫০:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ মার্চ ২০২১
  • / ১০৯৬ বার পড়া হয়েছে
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

মিয়ানমারের ক্ষমতাচ্যুত নেত্রী অং সান সুচির রাজনৈতিক দলের এক কর্মকর্তা পুলিশ হেফাজতে মারা গেছেন। মঙ্গলবার সকালে ইয়াংগুনে বিক্ষোভের সময় পুলিশ ‍তাকে আটক করেছিল।

এ নিয়ে গত দুইদিনে পুলিশ হেফাজতে এনএলডির দুই কর্মীর মৃত্যু হলো।মঙ্গলবার মারা যাওয়া কর্মকর্তার নাম জউ মায়াত লিন।

সেনা অভ্যুত্থানে বিলুপ্ত মিয়ানমারের উচ্চকক্ষের সদস্য বা মায়ো থেইন ওই কর্মকর্তার মৃত্যুর খবার জানিয়ে বলেন, ‘মঙ্গলবার ভোররাত দেড়টার দিকে ইয়াংগুন থেকে লিনকে আটক করা হয়েছিল। তিনি গত কয়েকদিন ধরে বিক্ষোভে অংশ নিচ্ছিলেন।’

১ ফেব্রুয়ারি দেশটির সেনাবাহিনী অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করে। এরপর শুরু হয় দমন-নিপীড়ন। এখন পর্যন্ত সেখানে ৬০ জনের বেশি বিক্ষোভকারী পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছেন।

অভ্যুত্থানের পর ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। রাজধানী নেপিডোতে সেনাশাসন বিরোধী বিক্ষোভকালে গুলিতে আহত হন ২০ বছরের এক তরুণী। তিনি নেপিডোর একটি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

২০ ফেব্রুয়ারি একদিনে মারা যান দুজন। একটি শিপইয়ার্ডের কর্মীদের সেনাবিরোধী আন্দোলন নিয়ন্ত্রণ করতে পুলিশ গুলি চালালে ওই দুজন প্রাণ হারান।

জাতিসংঘ জানিয়েছে, ১ মার্চ একদিনে মারা যান ১৮ জন। ৩ মার্চ প্রাণ হারান আরও ৩৮ জন!

ট্যাগস :

পুলিশ হেফাজতে সু চির কর্মকর্তার মৃত্যু

আপডেট সময় : ০৬:৫০:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ মার্চ ২০২১
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

মিয়ানমারের ক্ষমতাচ্যুত নেত্রী অং সান সুচির রাজনৈতিক দলের এক কর্মকর্তা পুলিশ হেফাজতে মারা গেছেন। মঙ্গলবার সকালে ইয়াংগুনে বিক্ষোভের সময় পুলিশ ‍তাকে আটক করেছিল।

এ নিয়ে গত দুইদিনে পুলিশ হেফাজতে এনএলডির দুই কর্মীর মৃত্যু হলো।মঙ্গলবার মারা যাওয়া কর্মকর্তার নাম জউ মায়াত লিন।

সেনা অভ্যুত্থানে বিলুপ্ত মিয়ানমারের উচ্চকক্ষের সদস্য বা মায়ো থেইন ওই কর্মকর্তার মৃত্যুর খবার জানিয়ে বলেন, ‘মঙ্গলবার ভোররাত দেড়টার দিকে ইয়াংগুন থেকে লিনকে আটক করা হয়েছিল। তিনি গত কয়েকদিন ধরে বিক্ষোভে অংশ নিচ্ছিলেন।’

১ ফেব্রুয়ারি দেশটির সেনাবাহিনী অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করে। এরপর শুরু হয় দমন-নিপীড়ন। এখন পর্যন্ত সেখানে ৬০ জনের বেশি বিক্ষোভকারী পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছেন।

অভ্যুত্থানের পর ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। রাজধানী নেপিডোতে সেনাশাসন বিরোধী বিক্ষোভকালে গুলিতে আহত হন ২০ বছরের এক তরুণী। তিনি নেপিডোর একটি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

২০ ফেব্রুয়ারি একদিনে মারা যান দুজন। একটি শিপইয়ার্ডের কর্মীদের সেনাবিরোধী আন্দোলন নিয়ন্ত্রণ করতে পুলিশ গুলি চালালে ওই দুজন প্রাণ হারান।

জাতিসংঘ জানিয়েছে, ১ মার্চ একদিনে মারা যান ১৮ জন। ৩ মার্চ প্রাণ হারান আরও ৩৮ জন!