ঢাকা ১২:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo শহীদ মিনারে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী Logo যেসব দেশে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হওয়ার পরও কার্যকর হয়নি Logo শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছে প্রধানমন্ত্রী Logo জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কমিটিতে বড় রদবদল Logo মেঘমল্লার বসুর আত্মহত্যার চেষ্টা, হাসপাতালে ভর্তি Logo একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাবেন জামায়াত আমীর Logo ভারতীয় স্পাইসজেটকে আকাশসীমা ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দিলো বাংলাদেশ Logo ঝটিকা মিছিল চলাকালে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের ৮ কর্মী আটক Logo ইউনূস সরকারের শেষ সময়ের বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে বিতর্ক কেন? Logo প্রথম আলোয় হামলা: অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যর্থতা-ফাওজুল কবীর

রাজবাড়ীতে  পিচ হিসেবে তরমুজ বিক্রি, দাম ক্রেতার নাগালের বাইরে

Iftekhar Ahamed
  • আপডেট সময় : ০৮:০১:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ এপ্রিল ২০২১
  • / ১০৫৪ বার পড়া হয়েছে

 

রাজবাড়ীতে  পিচ হিসেবে তরমুজ বিক্রি, দাম ক্রেতার নাগালের বাইরে

আবুল কালাম আজাদ রাজবাড়ীঃ

বৈশাখের আকাশে উত্তাপ সূর্য। কাঠফাটা রোদ্দুরে তপ্ত বাতাস অতিষ্ঠ জনজীবন। একটু বৃষ্টির আশায় হাহাকার করছে মানুষ, অন্যদিকে মহামারি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সরকারের কঠোর বিধিনিষেধ।

চলছে রমজান মাস, রোজাদারেরা ইফতারিতে ফল হিসাবে বেছে নিয়েছে তরমুজ। তবে তা ক্রেতার নাগালের বাইরে চলে গেছে। 

বর্তমানে রাজবাড়ী জেলার বিভিন্ন বাজারে তরমুজ বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ৬০ থেকে ৭০ টাকা। সপ্তাহখানেক আগেও তরমুজের দাম ছিল ৪০ থেকে ৪৫ টাকা কেজি।

তবে খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, সাইজ ভেদে তরমুজের দাম ভোক্তা পর্যায়ে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। এ অবস্থায় দেশের বিভিন্ন স্থানে কেজি দরে বেশি মূল্যে তরমুজ বিক্রির অপরাধে অভিযান পরিচালনা করে জরিমানা আদায় করেছে প্রশাসন। তবে রাজবাড়ী জেলার বিভিন্ন স্থানে মনিটরিং ও যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ভোক্তা অধিকারের কর্মকর্তারা।

বাজার ঘুরে বিক্রেতা ও ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বাজারে দুই ধরনের তরমুজ পাওয়া যাচ্ছে। ৬ কেজির নিচে মাঝারি আকারের তরমুজের দাম হাঁকা হচ্ছে ৫০ থেকে ৫৫ টাকা কেজি, আর ৬ কেজির ওপরের তরমুজের দাম চাওয়া হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজি।

রাজবাড়ী বাসী মনে করেন, কেজি দরে বিক্রির কারণেই এমন দাম উঠেছে। এতো ভারী একটি ফল ছোট পরিবারের জন্য কিনতে গেলেও ৫ কেজির নিচে হয় না।

তবে বিভিন্ন মাধ্যম থেকে জানা যায়, কৃষকের খেতে এবার তরমুজ ভালো হয়েছে। ৪ কেজি থেকে ৯ কেজি ওজনের তরমুজ পাওয়া যাচ্ছে।  কৃষকেরা বলছে ১০০ পিস তরমুজ ১৫ হাজার ৫০০ টাকা থেকে ১৭ হাজার টাকা দরে বিক্রি করছেন তারা। প্রতি পিস তরমুজের দাম পড়ছে ১৫৫ থেকে ১৭০ টাকা।

তবে সেটা পাইকারি বাজারে ৪ থেকে ৬ কেজি ওজনের তরমুজ ১০০ পিস বিক্রি হচ্ছে ১২ হাজার থেকে ১৪ হাজার টাকায়। সেই হিসেবে তরমুজের পিস পড়ে ১২০ থেকে ১৪০ টাকা। অথচ খুচরা পর্যায়ে সেই তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকা থেকে ২৭০ টাকার বেশি দামে।

রাজবাড়ীতে  খুচরা ফল বিক্রেতাদের মধ্যে অনেকেই বলেন, পিস এবং কেজি দু’ভাবেই তরমুজ বিক্রি করে থাকি। পিস হিসেবে তরমুজ বিক্রি করলে ক্রেতাদের দামে পোষায় না। যে কারণে ক্রেতারাই কেজি দরে কিনতে আগ্রহী হয়। সেক্ষেত্রে কি করবো। মাল তো বিক্রি করতেই হবে। তাই কেজি দরে তরমুজ বিক্রি করি।

রাজবাড়ী  ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক মোঃ শরীফুল ইসলাম বলেন, বাজার তদারকি করা হয়েছে। জেলার ফল ব্যাবসায়ীদের নিয়ে অলোচনা করা হয়েছে, তারা আমাকে কথা দিয়েছে এখন থেকে তরমুজ পিচ হিসেবে বিক্রি করা হবে। আমি বর্তমানে জানতে পেয়েছি বাজারে তরমুজ পিচ হিসেবে বিক্রি হচ্ছে।

[irp]

ট্যাগস :

রাজবাড়ীতে  পিচ হিসেবে তরমুজ বিক্রি, দাম ক্রেতার নাগালের বাইরে

আপডেট সময় : ০৮:০১:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ এপ্রিল ২০২১

 

রাজবাড়ীতে  পিচ হিসেবে তরমুজ বিক্রি, দাম ক্রেতার নাগালের বাইরে

আবুল কালাম আজাদ রাজবাড়ীঃ

বৈশাখের আকাশে উত্তাপ সূর্য। কাঠফাটা রোদ্দুরে তপ্ত বাতাস অতিষ্ঠ জনজীবন। একটু বৃষ্টির আশায় হাহাকার করছে মানুষ, অন্যদিকে মহামারি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সরকারের কঠোর বিধিনিষেধ।

চলছে রমজান মাস, রোজাদারেরা ইফতারিতে ফল হিসাবে বেছে নিয়েছে তরমুজ। তবে তা ক্রেতার নাগালের বাইরে চলে গেছে। 

বর্তমানে রাজবাড়ী জেলার বিভিন্ন বাজারে তরমুজ বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ৬০ থেকে ৭০ টাকা। সপ্তাহখানেক আগেও তরমুজের দাম ছিল ৪০ থেকে ৪৫ টাকা কেজি।

তবে খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, সাইজ ভেদে তরমুজের দাম ভোক্তা পর্যায়ে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। এ অবস্থায় দেশের বিভিন্ন স্থানে কেজি দরে বেশি মূল্যে তরমুজ বিক্রির অপরাধে অভিযান পরিচালনা করে জরিমানা আদায় করেছে প্রশাসন। তবে রাজবাড়ী জেলার বিভিন্ন স্থানে মনিটরিং ও যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ভোক্তা অধিকারের কর্মকর্তারা।

বাজার ঘুরে বিক্রেতা ও ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বাজারে দুই ধরনের তরমুজ পাওয়া যাচ্ছে। ৬ কেজির নিচে মাঝারি আকারের তরমুজের দাম হাঁকা হচ্ছে ৫০ থেকে ৫৫ টাকা কেজি, আর ৬ কেজির ওপরের তরমুজের দাম চাওয়া হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজি।

রাজবাড়ী বাসী মনে করেন, কেজি দরে বিক্রির কারণেই এমন দাম উঠেছে। এতো ভারী একটি ফল ছোট পরিবারের জন্য কিনতে গেলেও ৫ কেজির নিচে হয় না।

তবে বিভিন্ন মাধ্যম থেকে জানা যায়, কৃষকের খেতে এবার তরমুজ ভালো হয়েছে। ৪ কেজি থেকে ৯ কেজি ওজনের তরমুজ পাওয়া যাচ্ছে।  কৃষকেরা বলছে ১০০ পিস তরমুজ ১৫ হাজার ৫০০ টাকা থেকে ১৭ হাজার টাকা দরে বিক্রি করছেন তারা। প্রতি পিস তরমুজের দাম পড়ছে ১৫৫ থেকে ১৭০ টাকা।

তবে সেটা পাইকারি বাজারে ৪ থেকে ৬ কেজি ওজনের তরমুজ ১০০ পিস বিক্রি হচ্ছে ১২ হাজার থেকে ১৪ হাজার টাকায়। সেই হিসেবে তরমুজের পিস পড়ে ১২০ থেকে ১৪০ টাকা। অথচ খুচরা পর্যায়ে সেই তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকা থেকে ২৭০ টাকার বেশি দামে।

রাজবাড়ীতে  খুচরা ফল বিক্রেতাদের মধ্যে অনেকেই বলেন, পিস এবং কেজি দু’ভাবেই তরমুজ বিক্রি করে থাকি। পিস হিসেবে তরমুজ বিক্রি করলে ক্রেতাদের দামে পোষায় না। যে কারণে ক্রেতারাই কেজি দরে কিনতে আগ্রহী হয়। সেক্ষেত্রে কি করবো। মাল তো বিক্রি করতেই হবে। তাই কেজি দরে তরমুজ বিক্রি করি।

রাজবাড়ী  ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক মোঃ শরীফুল ইসলাম বলেন, বাজার তদারকি করা হয়েছে। জেলার ফল ব্যাবসায়ীদের নিয়ে অলোচনা করা হয়েছে, তারা আমাকে কথা দিয়েছে এখন থেকে তরমুজ পিচ হিসেবে বিক্রি করা হবে। আমি বর্তমানে জানতে পেয়েছি বাজারে তরমুজ পিচ হিসেবে বিক্রি হচ্ছে।

[irp]