ঢাকা ০৭:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo সেহরি ইফতার তারাবির সময় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর Logo পানছড়ির পাইলটফ্রমে বিএনপির আলোচনা সভা অনুষ্টিত Logo পানছড়িতে শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদ-এর পরিচিতি সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত Logo উপদেষ্টা খলিলুর ও সি আর আবরার দেশ ছাড়ছেন! Logo দেড় বছর পর কার্যালয়ে আ.লীগের নেতাকর্মীরা Logo বিএনপি নিরঙ্কুশ জয়লাভ করায় পানছড়ির জিয়ানগরে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল Logo রমজানে স্কুল বন্ধের বিষয়ে আগামীকাল আলোচনা করব-সাইদুর রহমান Logo শপথ অনুষ্টানে ঢাকায় আসছেন ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিরলা Logo পার্বত্যবাসীর স্বপ্ন পূরণে ওয়াদুদ ভূইয়াকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায় পাহাড়বাসী Logo হাতিয়ায় ধর্ষণের অভিযোগ সঠিক নয়, দাবি পুলিশের

জোয়ারের পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে হাজারো কৃষকের স্বপ্ন

Iftekhar Ahamed
  • আপডেট সময় : ০৮:৩৩:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মে ২০২২
  • / ১০৪৪ বার পড়া হয়েছে

মুহাম্মদ রেজাউল করিম, দৌলতপুর উপজেলা প্রতিনিধিঃ
দৌলতপুর উপজেলা কলিয়া ইউনিয়নে ছিলামপুর গ্রামে জোয়ারের পানিতে শত শত হেক্টর জমির ইরি ধান তলিয়ে যাচ্ছে। যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে এসব এলাকায় পানি বৃদ্ধি পায়। পানি বৃদ্ধির ফলে ছিলামপুর গ্রামের সকল মানুষের মনে দুঃশচিন্তার শেষ নাই।

জমির ধান না পাকলেও আধাঁপাকা ধানকাটা কাটতে হচ্ছে। ধান কাঁটার জন্য শ্রমিকের মজুরিও দিতে হচ্ছে চড়া দামে। প্রতিটি শ্রমিকের মজুরি দিতে হচ্ছে এক হাজার টাকা থেকে বারোশত টাকা। এলাকার কৃষকদের সাথে কথা বললে তারা জানান যে, এবছরে তাদের ঘরে গোলাভর্তি ধান আর উঠবে না।

তাদের রোপন থেকে শুরু করে যতটাকা খরচ হয়ছে প্রতিমণ ধানের বতর্মান মুল্য অপেক্ষা অনেক বেশি।
এদিকে আবার ধান তলিয়ে যাচ্ছে জোয়ারের পানিত। সেই দিক বিবেচনা করে শত কষ্ট হলেও জমিতে ধান তুলতে হবে সেই আশায় তারা অবিরাম চেষ্টা করছে।

তাদের সকলের দাবি চাষকৃত জমির ব্যয় বেশি হলেও, যদি ধানের বাজার মুল্য বেশি থাকলে তাহলে তাদের এই কষ্টগুলো, আর কষ্ট মনে হবে না।
বর্তমানে যমুনার নদীর পানি কিছুটা কমলেও, কমছে না জমিতে উঠা পানি।

ট্যাগস :

জোয়ারের পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে হাজারো কৃষকের স্বপ্ন

আপডেট সময় : ০৮:৩৩:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মে ২০২২

মুহাম্মদ রেজাউল করিম, দৌলতপুর উপজেলা প্রতিনিধিঃ
দৌলতপুর উপজেলা কলিয়া ইউনিয়নে ছিলামপুর গ্রামে জোয়ারের পানিতে শত শত হেক্টর জমির ইরি ধান তলিয়ে যাচ্ছে। যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে এসব এলাকায় পানি বৃদ্ধি পায়। পানি বৃদ্ধির ফলে ছিলামপুর গ্রামের সকল মানুষের মনে দুঃশচিন্তার শেষ নাই।

জমির ধান না পাকলেও আধাঁপাকা ধানকাটা কাটতে হচ্ছে। ধান কাঁটার জন্য শ্রমিকের মজুরিও দিতে হচ্ছে চড়া দামে। প্রতিটি শ্রমিকের মজুরি দিতে হচ্ছে এক হাজার টাকা থেকে বারোশত টাকা। এলাকার কৃষকদের সাথে কথা বললে তারা জানান যে, এবছরে তাদের ঘরে গোলাভর্তি ধান আর উঠবে না।

তাদের রোপন থেকে শুরু করে যতটাকা খরচ হয়ছে প্রতিমণ ধানের বতর্মান মুল্য অপেক্ষা অনেক বেশি।
এদিকে আবার ধান তলিয়ে যাচ্ছে জোয়ারের পানিত। সেই দিক বিবেচনা করে শত কষ্ট হলেও জমিতে ধান তুলতে হবে সেই আশায় তারা অবিরাম চেষ্টা করছে।

তাদের সকলের দাবি চাষকৃত জমির ব্যয় বেশি হলেও, যদি ধানের বাজার মুল্য বেশি থাকলে তাহলে তাদের এই কষ্টগুলো, আর কষ্ট মনে হবে না।
বর্তমানে যমুনার নদীর পানি কিছুটা কমলেও, কমছে না জমিতে উঠা পানি।