ঢাকা ০৬:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আমরা বিপদ-আপদে ‘ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন’ পড়ি কেন?

Doinik Astha
Doinik Astha
  • আপডেট সময় : ১০:৩৫:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩
  • / ১১৩৮ বার পড়া হয়েছে

নারীর সকল গুরুভার পুরুষের কাঁধে

আল্লাহ তাআলা কুরআন কারীমে ধৈর্যশীল মুমিনদের বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করতে গিয়ে বলেছেন

الَّذِيْنَ اِذَاۤ اَصَابَتْهُمْ مُّصِيْبَةٌ قَالُوْۤا اِنَّا لِلهِ وَ اِنَّاۤ اِلَيْهِ رٰجِعُوْنَ.

যারা তাদের কোনো মুসিবত দেখা দিলে বলে ওঠে– ‘ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন’- আমরা সকলে আল্লাহরই এবং আমাদেরকে তাঁর কাছেই ফিরে যেতে হবে। সূরা বাকারা (০২) :  ১৫৬

আমরা অনেকে মনে করিকারও মৃত্যুসংবাদ শুনলেই কেবল ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন’ বলতে হয়। আসলে বিষয়টি এমন নয়বরং আয়াতের পূর্বাপর এবং বাচনভঙ্গি থেকে এটাই প্রতীয়মান হয় যেধৈর্যশীলদের উচিত যে কোনো বিপদ-আপদে ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন’ বলা। তাছাড়া দুআটির মর্ম তো হলআল্লাহ-অভিমুখী হওয়া।

মুমিন তো সামান্য থেকে সামান্য পেরেশানীতেও আল্লাহ-অভিমুখী হবে। যেকোনো বিপদে মহান রবের কাছেই ধরনা দেবে। এজন্যই রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং সাহাবায়ে কেরাম রাযিয়াল্লাহু আনহুম যে কোনো মুসিবতে ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন’ পড়তেন।

উপরন্তু এ সকল ধৈর্যশীল বান্দাদের জন্য পুরস্কারের ঘোষণাএসেছে

اُولٰٓىِٕكَ عَلَيْهِمْ صَلَوٰتٌ مِّنْ رَّبِّهِمْ وَ رَحْمَةٌ ۫ وَ اُولٰٓىِٕكَ هُمُ الْمُهْتَدُوْنَ.

তাদের জন্য রয়েছে তাদের প্রতিপালকের পক্ষ থেকে প্রশান্তি ও রহমত। আর তারাই তো হেদায়েতপ্রাপ্ত। সূরা বাকারা (০২) : ১৫৭ 

ট্যাগস :

আমরা বিপদ-আপদে ‘ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন’ পড়ি কেন?

আপডেট সময় : ১০:৩৫:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩

আল্লাহ তাআলা কুরআন কারীমে ধৈর্যশীল মুমিনদের বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করতে গিয়ে বলেছেন

الَّذِيْنَ اِذَاۤ اَصَابَتْهُمْ مُّصِيْبَةٌ قَالُوْۤا اِنَّا لِلهِ وَ اِنَّاۤ اِلَيْهِ رٰجِعُوْنَ.

যারা তাদের কোনো মুসিবত দেখা দিলে বলে ওঠে– ‘ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন’- আমরা সকলে আল্লাহরই এবং আমাদেরকে তাঁর কাছেই ফিরে যেতে হবে। সূরা বাকারা (০২) :  ১৫৬

আমরা অনেকে মনে করিকারও মৃত্যুসংবাদ শুনলেই কেবল ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন’ বলতে হয়। আসলে বিষয়টি এমন নয়বরং আয়াতের পূর্বাপর এবং বাচনভঙ্গি থেকে এটাই প্রতীয়মান হয় যেধৈর্যশীলদের উচিত যে কোনো বিপদ-আপদে ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন’ বলা। তাছাড়া দুআটির মর্ম তো হলআল্লাহ-অভিমুখী হওয়া।

মুমিন তো সামান্য থেকে সামান্য পেরেশানীতেও আল্লাহ-অভিমুখী হবে। যেকোনো বিপদে মহান রবের কাছেই ধরনা দেবে। এজন্যই রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং সাহাবায়ে কেরাম রাযিয়াল্লাহু আনহুম যে কোনো মুসিবতে ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন’ পড়তেন।

উপরন্তু এ সকল ধৈর্যশীল বান্দাদের জন্য পুরস্কারের ঘোষণাএসেছে

اُولٰٓىِٕكَ عَلَيْهِمْ صَلَوٰتٌ مِّنْ رَّبِّهِمْ وَ رَحْمَةٌ ۫ وَ اُولٰٓىِٕكَ هُمُ الْمُهْتَدُوْنَ.

তাদের জন্য রয়েছে তাদের প্রতিপালকের পক্ষ থেকে প্রশান্তি ও রহমত। আর তারাই তো হেদায়েতপ্রাপ্ত। সূরা বাকারা (০২) : ১৫৭