ঢাকা ০৯:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo পানছড়িতে খালেদা জিয়ার স্বরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত Logo ছয় মাসে ব্যাংক থেকে ৬০ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিলো সরকার Logo প্রাণ ফিরছে লোগাং ইউপি শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদে Logo পানছড়িতে ভারতীয় অবৈধ পন্য আটক Logo পানছড়িতে সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের খোয়া-রাবিশ ব্যবহার Logo মুসাব্বির হত্যার প্রতিবাদে খাগড়াছড়িতে স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ Logo অষ্টগ্রামে জলমহাল দখলকে কেন্দ্র করে অতর্কিত হামলা, ছাত্রদল সভাপতিসহ আহত ৬ Logo পানছড়িতে খালেদা জিয়ার স্বরণে স্বেচ্ছাসেবক দলের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত Logo ঘরে-বাইরে নিরাপত্তাহীনতা, সারাদেশে বাধাহীন ‘মব’-২০২৫ Logo সড়ক পাশে ফেলে যাওয়া দুই শিশুর বাবার বাড়ি খাগড়াছড়ি

পুলিশের মাদক অভিযানের দায়িত্ব নিয়ে জনমনে দ্বিধার সৃষ্টি

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ০৯:১২:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৫
  • / ১১৮০ বার পড়া হয়েছে

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় চিহ্নিত মাদক জোন হিসেবে পরিচিত উপজেলা মর্নেয়ার ইউনিয়নের তালপট্টি, ভাঙ্গাগড়া, চড় আলাল, জমচওড়া, গজঘণ্টা ইউনিয়নের জয়দেব, উমর বালাটারী, কৈপাড়া, লক্ষ্মীটারী ইউনিয়নের মহিপুরের চরাঞ্চল, গঙ্গাচড়ার ইউনিয়নের মনাকষা, দোলাপাড়া বড়বিল ইউনিয়নের মালিপর বাজার,গিরিয়াবিল সংলগ্ন পাউবো ক্যানেল,চৌধুরীর হাট,আলম বিদিতর ইইনিয়নের মন্ডলের হাট সংলগ্ন এলাকা,বেতগাছ ইউনিয়নের চন্দনের হাট এলাকাসহ উপজেলার অসংখ্য চিহ্নিত এলাকা রয়েছে। তবে মাদক নিয়ন্ত্রনে থানা পুলিশের দায়িত্ব নিয়ে সচতন জনগণের মাঝে সৃষ্টি হয়েছে বিদ্রুপ প্রতিক্রিয়া।

গত মঙ্গলবার গভীর রাতে গঙ্গাচড়ার মনাকষা এলাকার জমির উদ্দীনের ছেলে চিহ্নিত মাদক কারবারি নুরুজ্জামানকে ৫০০ পিস ইয়াবাসহ সেনাবাহিনী গ্রেফতার করেছে । তবে গঙ্গাচড়া মডেল থানা পুলিশ নুরুজ্জামানের বাড়িতে একাধিকবার অভিযান করেও মাদকসহ তাকে গ্রেফতারে ব্যর্থ হয়েছে।

অভিযানে সেনাবাহিনীর সাথে থাকা গঙ্গাচড়া বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আলী আল রাদিত রোসান এবং ওই এলাকারই শাকিল শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অভিযানে উপস্থিত থেকে রাদিত বলেন, আমি কিছুটা আশ্চর্য হয়েছি মনাকষা গঙ্গাচড়া থানা থেকে সম্ভাব্য ২ কি: মি : হবে এত নিকটবর্তী হওয়া সত্ত্বেও থানা পুলিশ দীর্ঘদিন চেষ্টা করে ব্যর্থ হওয়ার পিছনে কোন রহস্য লুকিয়ে আছে? অথচ সেনাবাহিনী ঠিকই গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নুরুজ্জামানকে ৫০০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার করল। এছাড়াও আলমবিদিতর ইউনিয়নের মেয়ে ছেলের ঘটনাটিও প্রত্যক্ষ করেছি। উভয় পক্ষের মধ্যে সমোঝতা হওয়ার পরও কেন তাদের চালান দিতে হয়েছে আমি বুঝি নাই কিংবা এটা কতটুকু জনবান্ধন সেবার মধ্যে পরে আমার জানা নাই। আবার হতবাক হয়েছি সেনাবাহিনী যখন অভিযান শেষে ওসিকে সাহেবকে ঘটনা স্থলে আসার জন্য ফোন দিলে তিনি কোন রাস্তা দিয়ে যেতে হবে এমন প্রশ্ন আমাকে হতবাক করেছে। এরকম হয়রানি মুলক অনেক মৌখিক অভিযোগ আমাদের কাছে এসেছে। প্রায় ১মাস আগে উপজেলা নির্বাহী অফিসার, গঙ্গাচড়া থানা পুলিশ, জন প্রতিনিধিসহ স্থানীয় লোকজনদের নিয়ে মাদক প্রতি রোধে সভা হয়েছে ।

এবিষয়ে থানা পুলিশের কাছে চিহ্নিত মাদক ব্যবসাীকে গ্রেফতারে ব্যর্থতার বিষয়ে জানতে চাইলে অফিসার ইনচার্জ আল এমরান বলেন,সেনাবাহিনী অভিযান করে সফল হয়েছে, আমরা সফল হতে পারি নাই।

এমকে/আস্থা

ট্যাগস :

পুলিশের মাদক অভিযানের দায়িত্ব নিয়ে জনমনে দ্বিধার সৃষ্টি

আপডেট সময় : ০৯:১২:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৫

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় চিহ্নিত মাদক জোন হিসেবে পরিচিত উপজেলা মর্নেয়ার ইউনিয়নের তালপট্টি, ভাঙ্গাগড়া, চড় আলাল, জমচওড়া, গজঘণ্টা ইউনিয়নের জয়দেব, উমর বালাটারী, কৈপাড়া, লক্ষ্মীটারী ইউনিয়নের মহিপুরের চরাঞ্চল, গঙ্গাচড়ার ইউনিয়নের মনাকষা, দোলাপাড়া বড়বিল ইউনিয়নের মালিপর বাজার,গিরিয়াবিল সংলগ্ন পাউবো ক্যানেল,চৌধুরীর হাট,আলম বিদিতর ইইনিয়নের মন্ডলের হাট সংলগ্ন এলাকা,বেতগাছ ইউনিয়নের চন্দনের হাট এলাকাসহ উপজেলার অসংখ্য চিহ্নিত এলাকা রয়েছে। তবে মাদক নিয়ন্ত্রনে থানা পুলিশের দায়িত্ব নিয়ে সচতন জনগণের মাঝে সৃষ্টি হয়েছে বিদ্রুপ প্রতিক্রিয়া।

গত মঙ্গলবার গভীর রাতে গঙ্গাচড়ার মনাকষা এলাকার জমির উদ্দীনের ছেলে চিহ্নিত মাদক কারবারি নুরুজ্জামানকে ৫০০ পিস ইয়াবাসহ সেনাবাহিনী গ্রেফতার করেছে । তবে গঙ্গাচড়া মডেল থানা পুলিশ নুরুজ্জামানের বাড়িতে একাধিকবার অভিযান করেও মাদকসহ তাকে গ্রেফতারে ব্যর্থ হয়েছে।

অভিযানে সেনাবাহিনীর সাথে থাকা গঙ্গাচড়া বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আলী আল রাদিত রোসান এবং ওই এলাকারই শাকিল শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অভিযানে উপস্থিত থেকে রাদিত বলেন, আমি কিছুটা আশ্চর্য হয়েছি মনাকষা গঙ্গাচড়া থানা থেকে সম্ভাব্য ২ কি: মি : হবে এত নিকটবর্তী হওয়া সত্ত্বেও থানা পুলিশ দীর্ঘদিন চেষ্টা করে ব্যর্থ হওয়ার পিছনে কোন রহস্য লুকিয়ে আছে? অথচ সেনাবাহিনী ঠিকই গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নুরুজ্জামানকে ৫০০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার করল। এছাড়াও আলমবিদিতর ইউনিয়নের মেয়ে ছেলের ঘটনাটিও প্রত্যক্ষ করেছি। উভয় পক্ষের মধ্যে সমোঝতা হওয়ার পরও কেন তাদের চালান দিতে হয়েছে আমি বুঝি নাই কিংবা এটা কতটুকু জনবান্ধন সেবার মধ্যে পরে আমার জানা নাই। আবার হতবাক হয়েছি সেনাবাহিনী যখন অভিযান শেষে ওসিকে সাহেবকে ঘটনা স্থলে আসার জন্য ফোন দিলে তিনি কোন রাস্তা দিয়ে যেতে হবে এমন প্রশ্ন আমাকে হতবাক করেছে। এরকম হয়রানি মুলক অনেক মৌখিক অভিযোগ আমাদের কাছে এসেছে। প্রায় ১মাস আগে উপজেলা নির্বাহী অফিসার, গঙ্গাচড়া থানা পুলিশ, জন প্রতিনিধিসহ স্থানীয় লোকজনদের নিয়ে মাদক প্রতি রোধে সভা হয়েছে ।

এবিষয়ে থানা পুলিশের কাছে চিহ্নিত মাদক ব্যবসাীকে গ্রেফতারে ব্যর্থতার বিষয়ে জানতে চাইলে অফিসার ইনচার্জ আল এমরান বলেন,সেনাবাহিনী অভিযান করে সফল হয়েছে, আমরা সফল হতে পারি নাই।

এমকে/আস্থা