ঢাকা ০৪:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আশুলিয়ায় বকেয়া বেতনের দাবিতে কারখানায় বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা।

Iftekhar Ahamed
  • আপডেট সময় : ০৪:২৭:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ অগাস্ট ২০২১
  • / ১০৬৫ বার পড়া হয়েছে

আশুলিয়ায় বকেয়া বেতনের দাবিতে কারখানায় বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা।

সাভার প্রতিনিধি ঢাকাঃ বুধবার ১১ আগস্ট দুপুরের পর আশুলিয়া ইউনিয়নের কাঠগড়ার দুর্গাপুর এলাকার বি কে ফ্যাশন ওয়্যার লিমিটেড কারখানার সামনে গিয়ে অবরুদ্ধের বিষয়টি জানা যায় যে সাভারের আশুলিয়ায় ৪২ দিনের বকেয়া বেতনের দাবিতে কারখানার মালিককে অবরুদ্ধ করে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা। প্রায় ২৪ ঘণ্টা ধরে তাকে অবরুদ্ধ করে রাখে।

এর আগে মঙ্গলবার ১০ আগস্ট দুপুরের পর থেকে কারখানার মালিক রেজওয়ানুল হককে অবরুদ্ধ করে রাখে। কারখানা স্থায়ীভাবে বন্ধ ঘোষণা করে বকেয়া বেতন না দিয়ে তাকে অবরুদ্ধ করে শ্রমিকরা। শ্রমিকরা বলে, কারখানাটিতে প্রায় ৬০ জন শ্রমিক কাজ করে আসছি। চার থেকে পাঁচ মাস আগে রাজধানীর মিরপুর থেকে কারখানাটি স্থানান্তর করে আশুলিয়ার কাঠগড়া দুর্গাপুর এলাকায় নেয়। চার মাস ধরে কাজ চলমান থাকলেও শ্রমিকদের বেতন দুই হাজার থেকে তিন হাজার টাকা করে পরিশোধ করে কারখানা কর্তৃপক্ষ।

ভেঙে ভেঙে বেতনের টাকা পরিশোধ করে প্রায় চার মাস ধরে অতি কষ্টে জীবন যাপন করছি। গতকাল কারখানার মালিক ৪২ দিনের বেতন পরিশোধ না করে কারখানা স্থায়ীভাবে বন্ধ ঘোষণা করে। পরে এর মালিককে অবরুদ্ধ করি। কারখানাটির শ্রমিক রোকসানা বলেন, আমরা সারা মাস কাজ করে মাস শেষে ঠিকঠাক বেতন পাই না। প্রতি মাসেই বেতন দিই-দিচ্ছি করে টালবাহানা করে।

প্রতি মাসেই ভেঙে ভেঙে বেতনের টাকা পরিশোধ করে মালিক। গতকাল কারখানা একবারেই বন্ধ করে দেয়। কিন্তু দুই দিন পরে আমাদের বেতনের টাকা পরিশোধের কথা বলে। কারখানার মেশিনপত্রও এই মালিকের নয়। আমরা তাকে কোথায় খুঁজে পাব। আমাদের বেতন পরিশোধ না করা পর্যন্ত তাকে কারখানা থেকে বের হতে দেব না। কারখানার মালিক রেজওয়ানুল হকের বলেন, বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। আমি টাকাপয়সা নিয়ে একটু ব্যস্ত আছি। পরে আপনার সাথে কথা বলব।

এ ব্যাপারে বাংলাদেশ গার্মেন্টস ও দর্জি শ্রমিক ফেডারেশনের সাভার-আশুলিয়া-ধামরাই আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি সুলতান মাহমুদ বলেন, কারখানাটির কোনো কিছুই রেজওয়ানুল হকের নয়। মেশিনসহ বিল্ডিংয়ের মালিক অন্য কোথাও ভাড়া দেবেন। কারখানা যদি স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়, তাহলে শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনাদি পরিশোধের দাবি জানাচ্ছি।

[irp]

ট্যাগস :

আশুলিয়ায় বকেয়া বেতনের দাবিতে কারখানায় বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা।

আপডেট সময় : ০৪:২৭:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ অগাস্ট ২০২১

আশুলিয়ায় বকেয়া বেতনের দাবিতে কারখানায় বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা।

সাভার প্রতিনিধি ঢাকাঃ বুধবার ১১ আগস্ট দুপুরের পর আশুলিয়া ইউনিয়নের কাঠগড়ার দুর্গাপুর এলাকার বি কে ফ্যাশন ওয়্যার লিমিটেড কারখানার সামনে গিয়ে অবরুদ্ধের বিষয়টি জানা যায় যে সাভারের আশুলিয়ায় ৪২ দিনের বকেয়া বেতনের দাবিতে কারখানার মালিককে অবরুদ্ধ করে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা। প্রায় ২৪ ঘণ্টা ধরে তাকে অবরুদ্ধ করে রাখে।

এর আগে মঙ্গলবার ১০ আগস্ট দুপুরের পর থেকে কারখানার মালিক রেজওয়ানুল হককে অবরুদ্ধ করে রাখে। কারখানা স্থায়ীভাবে বন্ধ ঘোষণা করে বকেয়া বেতন না দিয়ে তাকে অবরুদ্ধ করে শ্রমিকরা। শ্রমিকরা বলে, কারখানাটিতে প্রায় ৬০ জন শ্রমিক কাজ করে আসছি। চার থেকে পাঁচ মাস আগে রাজধানীর মিরপুর থেকে কারখানাটি স্থানান্তর করে আশুলিয়ার কাঠগড়া দুর্গাপুর এলাকায় নেয়। চার মাস ধরে কাজ চলমান থাকলেও শ্রমিকদের বেতন দুই হাজার থেকে তিন হাজার টাকা করে পরিশোধ করে কারখানা কর্তৃপক্ষ।

ভেঙে ভেঙে বেতনের টাকা পরিশোধ করে প্রায় চার মাস ধরে অতি কষ্টে জীবন যাপন করছি। গতকাল কারখানার মালিক ৪২ দিনের বেতন পরিশোধ না করে কারখানা স্থায়ীভাবে বন্ধ ঘোষণা করে। পরে এর মালিককে অবরুদ্ধ করি। কারখানাটির শ্রমিক রোকসানা বলেন, আমরা সারা মাস কাজ করে মাস শেষে ঠিকঠাক বেতন পাই না। প্রতি মাসেই বেতন দিই-দিচ্ছি করে টালবাহানা করে।

প্রতি মাসেই ভেঙে ভেঙে বেতনের টাকা পরিশোধ করে মালিক। গতকাল কারখানা একবারেই বন্ধ করে দেয়। কিন্তু দুই দিন পরে আমাদের বেতনের টাকা পরিশোধের কথা বলে। কারখানার মেশিনপত্রও এই মালিকের নয়। আমরা তাকে কোথায় খুঁজে পাব। আমাদের বেতন পরিশোধ না করা পর্যন্ত তাকে কারখানা থেকে বের হতে দেব না। কারখানার মালিক রেজওয়ানুল হকের বলেন, বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। আমি টাকাপয়সা নিয়ে একটু ব্যস্ত আছি। পরে আপনার সাথে কথা বলব।

এ ব্যাপারে বাংলাদেশ গার্মেন্টস ও দর্জি শ্রমিক ফেডারেশনের সাভার-আশুলিয়া-ধামরাই আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি সুলতান মাহমুদ বলেন, কারখানাটির কোনো কিছুই রেজওয়ানুল হকের নয়। মেশিনসহ বিল্ডিংয়ের মালিক অন্য কোথাও ভাড়া দেবেন। কারখানা যদি স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়, তাহলে শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনাদি পরিশোধের দাবি জানাচ্ছি।

[irp]