ঢাকা ১২:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo নির্বাচনী ব্যস্ততায় প্রশাসনিক গতি কমেছে, মাঠে ও সচিবালয়ে ঢিলেমি Logo কেন্দ্র দখলের চেষ্টা করলে কাউকেই ছাড় নয়: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা Logo যা থাকবে জামায়েতের নির্বাচনী ইশতেহারে Logo যা থাকবে বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে Logo গণভোটে রাষ্ট্রের নিরপেক্ষতা ও জনগণের সার্বভৌম অধিকার: সংবিধান, সরকার এবং হ্যাঁ/না ভোটের প্রশ্ন Logo খাগড়াছড়িতে একমঞ্চে জনগণের মুখোমুখি ১০ প্রার্থী Logo পানছড়িতে ধানের শীষের সমর্থনে শ্রমিক দলের উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত Logo শেরপুরে জামায়াত–বিএনপি সংঘর্ষে নিহত-১, আহত অন্তত-৪ Logo ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামীর বাংলাদেশের দিকনির্দেশনা নির্ধারণ-এয়াকুব আলী Logo খাগড়াছড়িতে জামায়াতের নির্বাচনী গণমিছিল শেষে সমাবেশে

উত্তম রিজিক লাভে হজরত ঈসা (আ.) যে দোয়া করতেন

Iftekhar Ahamed
  • আপডেট সময় : ০৫:২৭:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ মার্চ ২০২১
  • / ১০৯৮ বার পড়া হয়েছে

সর্বশক্তিমান আল্লাহ তায়ালা আমাদের পালন কর্তা, রিজিকদাতা। আমাদের সব ভালো মন্দের জান্তা তিনি। বান্দার জন্য সর্বোত্তম রিজিকের ব্যবস্থা তিনি আগেই করে রাখেন। তিনিই মানুষকে রিজিক দেন এবং রিজিকে বরকত দেন।

আল-কুরআনে এরশাদ হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ রিজিক দান করেন এবং তিনি প্রবল পরাক্রান্ত’। (সূরা যারিয়াত : আয়াত ৫৮)। আল্লাহ তা’আলা সৃষ্টি জগতের সকল কিছুকে রিযিক প্রদান করছেন। তিনিই উত্তম রিযিকদাতা। আল-কোরআনে এই বিশেষত্বটি এভাবে বিশ্লেষণ করা হয়েছে যে, ‘মারয়াম তনয় ঈসা বলল, হে আল্লাহ, আমাদের প্রতিপালক। আমাদের জন্য আসমান হতে খাদ্যপূর্ণ খাঞ্জা দান করুন, তা আমাদের ও আমাদের পূর্ববর্তী এবং পরবর্তী সকলের জন্য আনন্দ উৎসব এবং তোমার নিকট হতে নিদর্শনস্বরূপ হবে এবং আমাদেরকে রিযিক দান করুন আপনিই তো শ্রেষ্ঠ জীবিকা দানকারী। (সূরা মায়েদা : আয়াত ১১৪)। তোমাদের জন্য রিজিক বা জীবিকার ব্যবস্থা করেছি। আর তোমরা যাদের জীবিকদাতা নও তাদের জন্যও। (সূরা হিজর : আয়াত ২০)।

একজন মুমিনের উচিত উত্তম রিজিকের জন্য সবসময় আমল করা। হজরত ঈসা (আ.) নিজের জন্য এবং আগের ও পরের সবার জন্য উত্তম রিজিক পেতে দোয়া করেছিলেন।

দোয়াটি আল্লাহর তাআলার এতই পছন্দনীয় হয়ে যায় যে, তিনি মানুষকে অভাবমুক্ত রাখার জন্য সে দোয়াটি কোরআনে তুলে ধরেছেন। সুতরাং অভাব মোচনে এবং উত্তম রিজিক পেতে এ দোয়াটি বেশি বেশি পড়া। তাহলো-

اللَّهُمَّ رَبَّنَا أَنزِلْ عَلَيْنَا مَآئِدَةً مِّنَ السَّمَاء تَكُونُ لَنَا عِيداً لِّأَوَّلِنَا وَآخِرِنَا وَآيَةً مِّنكَ وَارْزُقْنَا وَأَنتَ خَيْرُ الرَّازِقِينَ
উচ্চারণ : ‘আল্লাহুম্মা রাব্বানা আনযিল আলাইনা মায়িদাতাম মিনাস সামায়ি তাকুনু লানা ঈদাল্লি আওওয়ালিনা ওয়া আখিরিনা ওয়া আয়াতাম মিনকা ওয়ারযুকনা ওয়া আনতা খায়রুর রাযিকিন।’ (সুরা মায়েদা: আয়াত ১১৪)

অর্থ : ‘হে আল্লাহ, আমাদের পালনকর্তা! আমাদের প্রতি আকাশ থেকে খাদ্যভর্তি খাঞ্চা অবতরণ করুন। তা আমাদের জন্যে অর্থাৎ আমাদের প্রথম ও পরবর্তী সবার জন্য আনন্দোৎসব হবে এবং আপনার পক্ষ থেকে একটি নিদর্শন হবে। আপনি আমাদের রিজিক দিন। আপনিই শ্রেষ্ট রিজিকদাতা।’

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহর সবাইকে এ দোয়াটি বেশি বেশি পড়ার তাওফিক দান করুন। অভাব থেকে মুক্তি ও উত্তম রিজিক পাওয়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।

ট্যাগস :

উত্তম রিজিক লাভে হজরত ঈসা (আ.) যে দোয়া করতেন

আপডেট সময় : ০৫:২৭:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ মার্চ ২০২১

সর্বশক্তিমান আল্লাহ তায়ালা আমাদের পালন কর্তা, রিজিকদাতা। আমাদের সব ভালো মন্দের জান্তা তিনি। বান্দার জন্য সর্বোত্তম রিজিকের ব্যবস্থা তিনি আগেই করে রাখেন। তিনিই মানুষকে রিজিক দেন এবং রিজিকে বরকত দেন।

আল-কুরআনে এরশাদ হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ রিজিক দান করেন এবং তিনি প্রবল পরাক্রান্ত’। (সূরা যারিয়াত : আয়াত ৫৮)। আল্লাহ তা’আলা সৃষ্টি জগতের সকল কিছুকে রিযিক প্রদান করছেন। তিনিই উত্তম রিযিকদাতা। আল-কোরআনে এই বিশেষত্বটি এভাবে বিশ্লেষণ করা হয়েছে যে, ‘মারয়াম তনয় ঈসা বলল, হে আল্লাহ, আমাদের প্রতিপালক। আমাদের জন্য আসমান হতে খাদ্যপূর্ণ খাঞ্জা দান করুন, তা আমাদের ও আমাদের পূর্ববর্তী এবং পরবর্তী সকলের জন্য আনন্দ উৎসব এবং তোমার নিকট হতে নিদর্শনস্বরূপ হবে এবং আমাদেরকে রিযিক দান করুন আপনিই তো শ্রেষ্ঠ জীবিকা দানকারী। (সূরা মায়েদা : আয়াত ১১৪)। তোমাদের জন্য রিজিক বা জীবিকার ব্যবস্থা করেছি। আর তোমরা যাদের জীবিকদাতা নও তাদের জন্যও। (সূরা হিজর : আয়াত ২০)।

একজন মুমিনের উচিত উত্তম রিজিকের জন্য সবসময় আমল করা। হজরত ঈসা (আ.) নিজের জন্য এবং আগের ও পরের সবার জন্য উত্তম রিজিক পেতে দোয়া করেছিলেন।

দোয়াটি আল্লাহর তাআলার এতই পছন্দনীয় হয়ে যায় যে, তিনি মানুষকে অভাবমুক্ত রাখার জন্য সে দোয়াটি কোরআনে তুলে ধরেছেন। সুতরাং অভাব মোচনে এবং উত্তম রিজিক পেতে এ দোয়াটি বেশি বেশি পড়া। তাহলো-

اللَّهُمَّ رَبَّنَا أَنزِلْ عَلَيْنَا مَآئِدَةً مِّنَ السَّمَاء تَكُونُ لَنَا عِيداً لِّأَوَّلِنَا وَآخِرِنَا وَآيَةً مِّنكَ وَارْزُقْنَا وَأَنتَ خَيْرُ الرَّازِقِينَ
উচ্চারণ : ‘আল্লাহুম্মা রাব্বানা আনযিল আলাইনা মায়িদাতাম মিনাস সামায়ি তাকুনু লানা ঈদাল্লি আওওয়ালিনা ওয়া আখিরিনা ওয়া আয়াতাম মিনকা ওয়ারযুকনা ওয়া আনতা খায়রুর রাযিকিন।’ (সুরা মায়েদা: আয়াত ১১৪)

অর্থ : ‘হে আল্লাহ, আমাদের পালনকর্তা! আমাদের প্রতি আকাশ থেকে খাদ্যভর্তি খাঞ্চা অবতরণ করুন। তা আমাদের জন্যে অর্থাৎ আমাদের প্রথম ও পরবর্তী সবার জন্য আনন্দোৎসব হবে এবং আপনার পক্ষ থেকে একটি নিদর্শন হবে। আপনি আমাদের রিজিক দিন। আপনিই শ্রেষ্ট রিজিকদাতা।’

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহর সবাইকে এ দোয়াটি বেশি বেশি পড়ার তাওফিক দান করুন। অভাব থেকে মুক্তি ও উত্তম রিজিক পাওয়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।