ঢাকা ১১:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

উদ্ধারকৃত ফেনসিডিল বিক্রির দায়ে এএসপিসহ ৩ কর্মকর্তা প্রত্যাহার

Iftekhar Ahamed
  • আপডেট সময় : ১১:৪০:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ এপ্রিল ২০২১
  • / ১০৮০ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্কঃ

বগুড়ায় জব্দকৃত ২৪৮ বোতল ফেনসিডিল থেকে ৮৮ বোতল বিক্রি করে দেয়ার ঘটনায় মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে ৩ পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রত্যাহারসহ শিবগঞ্জ সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপারকেও (এএসপি) প্রত্যাহার করা হয়েছে।

বুধবার (২১ এপ্রিল) বিকেলে পুলিশ হেডকোয়ার্টাস থেকে এই সংক্রান্ত একটি আদেশ বগুড়ার পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে পৌঁছেছে।

পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে শিবগঞ্জ সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকীকে প্রত্যাহার করে বরিশাল রেঞ্জ অফিসে সংযুক্ত করা হয়েছে।

জানা গেছে, গত ৩ এপ্রিল রাতে বগুড়া-রংপুর মহাসড়কে চেকপোস্ট বসিয়ে বিভিন্ন যানবাহন তল্লাশি করেন মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সদস্যরা। চেকপোস্টে নেতৃত্ব দেন শিবগঞ্জ সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকী।

[irp]

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পুলিশ সদস্যরা জানান, যানবাহন তল্লাশিকালে ঢাকাগামী বাস খালেক পরিবহন থেকে নাজিম নামের এক ব্যক্তিকে ৫০ বোতল এবং পিংকি পরিবহন নামের বাস থেকে সাইফুল ইসলাম নামের একজনকে ১৯৮ বোতল ফেনসিডিলসহ আটক করা হয়। এঘটনায় মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুজাউদ্দৌলা বাদী হয়ে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেন।

পিংকি পরিবহন থেকে উদ্ধারকৃত ১৯৮ বোতল ফেনসিডিলের স্থলে ১১০ বোতল জব্দ দেখিয়ে সাইফুলের নামে মামলা দেওয়া হয়। বাকি ৮৮ বোতল ফেনসিডিল পুলিশের এক কর্মকর্তা সোর্সের মাধ্যমে বিক্রি করে দেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে বগুড়ার পুলিশ সুপার মামলা দুটি ডিবিতে স্থানান্তরের আদেশ দেন।

এছাড়াও তিনি গত ২০ এপ্রিল মোকামতলা পুলিশ তদন্তকেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে ফেনসিডিল উদ্ধারের সময় উপস্থিত পুলিশ সদস্য ছাড়াও মামলার সাক্ষীদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।

এঘটনায় বুধবার দুপুরে মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক শাহীনউজ্জামান এবং মামলার বাদী এসআই সুজাউদ্দৌলাকে পুলিশ সুপারের আদেশে প্রত্যাহার করা হয়।

ট্যাগস :

উদ্ধারকৃত ফেনসিডিল বিক্রির দায়ে এএসপিসহ ৩ কর্মকর্তা প্রত্যাহার

আপডেট সময় : ১১:৪০:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ এপ্রিল ২০২১

অনলাইন ডেস্কঃ

বগুড়ায় জব্দকৃত ২৪৮ বোতল ফেনসিডিল থেকে ৮৮ বোতল বিক্রি করে দেয়ার ঘটনায় মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে ৩ পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রত্যাহারসহ শিবগঞ্জ সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপারকেও (এএসপি) প্রত্যাহার করা হয়েছে।

বুধবার (২১ এপ্রিল) বিকেলে পুলিশ হেডকোয়ার্টাস থেকে এই সংক্রান্ত একটি আদেশ বগুড়ার পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে পৌঁছেছে।

পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে শিবগঞ্জ সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকীকে প্রত্যাহার করে বরিশাল রেঞ্জ অফিসে সংযুক্ত করা হয়েছে।

জানা গেছে, গত ৩ এপ্রিল রাতে বগুড়া-রংপুর মহাসড়কে চেকপোস্ট বসিয়ে বিভিন্ন যানবাহন তল্লাশি করেন মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সদস্যরা। চেকপোস্টে নেতৃত্ব দেন শিবগঞ্জ সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকী।

[irp]

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পুলিশ সদস্যরা জানান, যানবাহন তল্লাশিকালে ঢাকাগামী বাস খালেক পরিবহন থেকে নাজিম নামের এক ব্যক্তিকে ৫০ বোতল এবং পিংকি পরিবহন নামের বাস থেকে সাইফুল ইসলাম নামের একজনকে ১৯৮ বোতল ফেনসিডিলসহ আটক করা হয়। এঘটনায় মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুজাউদ্দৌলা বাদী হয়ে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেন।

পিংকি পরিবহন থেকে উদ্ধারকৃত ১৯৮ বোতল ফেনসিডিলের স্থলে ১১০ বোতল জব্দ দেখিয়ে সাইফুলের নামে মামলা দেওয়া হয়। বাকি ৮৮ বোতল ফেনসিডিল পুলিশের এক কর্মকর্তা সোর্সের মাধ্যমে বিক্রি করে দেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে বগুড়ার পুলিশ সুপার মামলা দুটি ডিবিতে স্থানান্তরের আদেশ দেন।

এছাড়াও তিনি গত ২০ এপ্রিল মোকামতলা পুলিশ তদন্তকেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে ফেনসিডিল উদ্ধারের সময় উপস্থিত পুলিশ সদস্য ছাড়াও মামলার সাক্ষীদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।

এঘটনায় বুধবার দুপুরে মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক শাহীনউজ্জামান এবং মামলার বাদী এসআই সুজাউদ্দৌলাকে পুলিশ সুপারের আদেশে প্রত্যাহার করা হয়।