ঢাকা ০৮:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo খাগড়াছড়িতে জামায়াতের নির্বাচনী গণমিছিল শেষে সমাবেশে Logo পানছড়িতে অষ্টপ্রহার ব্যাপী মহানামযজ্ঞ ও সরস্বতী পূজা পরিদর্শনে বিএনপি Logo পানছড়িতে বিভিন্ন দলের শতাধিক নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগদান Logo আপনারা থাকার কষ্ট করছেন, আমরা এখানে উঁচু উঁচু বিল্ডিং করে দিতে চাই Logo পানছড়িতে খালেদা জিয়ার স্বরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত Logo ছয় মাসে ব্যাংক থেকে ৬০ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিলো সরকার Logo প্রাণ ফিরছে লোগাং ইউপি শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদে Logo পানছড়িতে ভারতীয় অবৈধ পন্য আটক Logo পানছড়িতে সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের খোয়া-রাবিশ ব্যবহার Logo মুসাব্বির হত্যার প্রতিবাদে খাগড়াছড়িতে স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ

কোটি টাকা খরচেও ঠেকানো যাচ্ছে না যমুনার ভাঙন

News Editor
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৮:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০
  • / ১০৯৮ বার পড়া হয়েছে

সুজন মির্জা,সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধিঃ সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার বিভিন্ন স্থানে যমুনার তীব্র ভাঙন শুরু হয়েছে। নতুন করে ভাঙনে চর সলিমাবাদ ও চরবিনোনই গ্রামের আরও প্রায় ৪০টি ঘরবাড়িসহ বহু জায়গাজমি ও গাছপালা যমুনাগর্ভে চলে গিয়েছে।

এ নিয়ে এক সপ্তাহের ব্যবধানে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের প্রায় দুই শতাধিক ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বহু স্থাপনা হুমকির মুখে রয়েছে। ওই এলাকায় কোটি কোটি টাকা ব্যয় করেও ভাঙন ঠেকানো যাচ্ছে না।

চৌহালী উপজেলা চেয়ারম্যান ফারুক হোসেন সরকার জানান, উপজেলার খাসকাউলিয়া ইউনিয়নের চরবিনোনই, মিঠুয়ানি, দেওয়ানগঞ্জ বাজার, বাগুটিয়া ইউনিয়নের চরসলিমাবাদ, চরবিনানই, চরনাকালিয়া, স্থল ইউনিয়নের বসন্তপুর, সদিয়া চাঁদপুর ইউনিয়নের মহেশপুর ও বারবানাসহ বিভিন্ন স্থানে ভাঙন শুরু হয়েছে। গত তিন সপ্তাহ ধরে এসব অঞ্চলে তীব্র ভাঙন শুরু হয়েছে।

আরও পড়ুনঃপদ্মায় নৌকাডুবি: বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীসহ দুজন নিখোঁজ

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দিনভর ভাঙনে দু’টি গ্রামের ৪০টি ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ভাঙনের মুখ থেকে অনেক পরিবার অন্যত্র ঘরবাড়ি সরিয়ে নিলেও সেখানেও রেহাই হচ্ছে না। ইতোমধ্যেই বহু পরিবার ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে এবং অনেক পরিবার মানবেতর জীবনযাপন করছে বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্থদের আর্থিক সহযোগিতা ও দেখাশোনার জন্য আমাকে প্রধান করে ২১ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি করা হয়েছে। কমিটিটি ইতোমধ্যেই ক্ষতিগ্রস্থদের তালিকা করা ও আর্থিক সহযোগিতা দেওয়া শুরু হয়েছে।

এবিষয়ে টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সেরাজুল ইসলাম জানান, ওই উপজেলার ভাঙন ঠেকাতে ইতোমধ্যেই ৪ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। যমুনায় এখন পানি কমতে থাকায় এই উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ভাঙন শুরু হয়েছে। বিশেষ করে বর্ষার আগে ও পরে এই অঞ্চলের ভাঙন রোধে জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ, ব্লক ও বালির বস্তা ফেলা হয়েছে। এতে ভাঙন কিছুটা প্রতিরোধ হলেও আবারও অনেক স্থানে তীব্র ভাঙন শুরু হয়েছে।

দেওয়ানগঞ্জ বাজার এলাকাসহ কয়েকটি স্থানে ভাঙন রোধের কাজ চলছে এবং এই উপজেলার ভাঙন রোধে বড় আকারের প্রকল্প প্রণয়নের কাজ চলছে বলেও জানান তিনি।

ট্যাগস :

কোটি টাকা খরচেও ঠেকানো যাচ্ছে না যমুনার ভাঙন

আপডেট সময় : ০৩:৩৮:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০

সুজন মির্জা,সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধিঃ সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার বিভিন্ন স্থানে যমুনার তীব্র ভাঙন শুরু হয়েছে। নতুন করে ভাঙনে চর সলিমাবাদ ও চরবিনোনই গ্রামের আরও প্রায় ৪০টি ঘরবাড়িসহ বহু জায়গাজমি ও গাছপালা যমুনাগর্ভে চলে গিয়েছে।

এ নিয়ে এক সপ্তাহের ব্যবধানে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের প্রায় দুই শতাধিক ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বহু স্থাপনা হুমকির মুখে রয়েছে। ওই এলাকায় কোটি কোটি টাকা ব্যয় করেও ভাঙন ঠেকানো যাচ্ছে না।

চৌহালী উপজেলা চেয়ারম্যান ফারুক হোসেন সরকার জানান, উপজেলার খাসকাউলিয়া ইউনিয়নের চরবিনোনই, মিঠুয়ানি, দেওয়ানগঞ্জ বাজার, বাগুটিয়া ইউনিয়নের চরসলিমাবাদ, চরবিনানই, চরনাকালিয়া, স্থল ইউনিয়নের বসন্তপুর, সদিয়া চাঁদপুর ইউনিয়নের মহেশপুর ও বারবানাসহ বিভিন্ন স্থানে ভাঙন শুরু হয়েছে। গত তিন সপ্তাহ ধরে এসব অঞ্চলে তীব্র ভাঙন শুরু হয়েছে।

আরও পড়ুনঃপদ্মায় নৌকাডুবি: বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীসহ দুজন নিখোঁজ

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দিনভর ভাঙনে দু’টি গ্রামের ৪০টি ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ভাঙনের মুখ থেকে অনেক পরিবার অন্যত্র ঘরবাড়ি সরিয়ে নিলেও সেখানেও রেহাই হচ্ছে না। ইতোমধ্যেই বহু পরিবার ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে এবং অনেক পরিবার মানবেতর জীবনযাপন করছে বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্থদের আর্থিক সহযোগিতা ও দেখাশোনার জন্য আমাকে প্রধান করে ২১ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি করা হয়েছে। কমিটিটি ইতোমধ্যেই ক্ষতিগ্রস্থদের তালিকা করা ও আর্থিক সহযোগিতা দেওয়া শুরু হয়েছে।

এবিষয়ে টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সেরাজুল ইসলাম জানান, ওই উপজেলার ভাঙন ঠেকাতে ইতোমধ্যেই ৪ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। যমুনায় এখন পানি কমতে থাকায় এই উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ভাঙন শুরু হয়েছে। বিশেষ করে বর্ষার আগে ও পরে এই অঞ্চলের ভাঙন রোধে জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ, ব্লক ও বালির বস্তা ফেলা হয়েছে। এতে ভাঙন কিছুটা প্রতিরোধ হলেও আবারও অনেক স্থানে তীব্র ভাঙন শুরু হয়েছে।

দেওয়ানগঞ্জ বাজার এলাকাসহ কয়েকটি স্থানে ভাঙন রোধের কাজ চলছে এবং এই উপজেলার ভাঙন রোধে বড় আকারের প্রকল্প প্রণয়নের কাজ চলছে বলেও জানান তিনি।