ঢাকা ০৭:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চিকিৎসকের অবহেলায় প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ

News Editor
  • আপডেট সময় : ১০:১০:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০
  • / ১০৯৮ বার পড়া হয়েছে

শরীফ হাসান, ঢাকা প্রতিনিধিঃ রাজধানী ঢাকার অদূরে কেরানীগঞ্জ উপজেলার কদমতলীতে অবস্থিত মেরিস্টোপস ক্লিনিকে ভুল চিকিৎসায় সুমি আক্তার (২৪) নামে এক প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।

গতকাল রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতে সুমির আক্তারের সিজার করার সময় তার মৃত্যু হয় বলে জানান সুমির স্বামী শরীফ।

মৃত সুমির স্বামী অভিযোগ করে বলেন, আমি আমার স্ত্রীকে চিকিৎসার জন্য গতকাল রবিবার সকাল ১১টার দিকে আমার স্ত্রীকে আমি মেরিস্টোপস ক্লিনিকে ভর্তি করি। যদিও আরও ৪দিন পরে সিজার করার কথা ছিলো তবে হাসপাতালে ভর্তির পর তারা বলে এক্ষুণি সিজার করতে হবে তারপর তাদের কথায় আমি রাজি হই।

আরও পড়ুনঃরামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে ভারতীয় নাগরিকের আত্মহত্যা

তিনি আরও বলেন, কোনো প্রকার পরীক্ষা না করেই তারা রোগীর শরীরে এনেসথেসিয়া ইনজেকশন দেন ও বিকাল ৪ টার দিকে অপারেশন শুরু করেন ডা. সাজেদা খাতুন ও এনেথেসিয়া ডা. মনির হোসেন। এতে জমজ বাচ্চা (একটি ছেলে ও মেয়ে) জন্ম হয়।

এদিকে সিজার করার পর সুমির প্রচন্ড রক্তক্ষরণে শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাহিরে গেলে মেরিস্টোপস্ হাসপাতাল থেকে মিডফোর্ট হাসপাতালে রোগীকে প্রেরণ করা হয়।মিডফোর্ট হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত ডাক্তার সুমিকে মৃত ঘোষণা করে বলে জানান তিনি।

কেরানীগঞ্জ থানা থেকে বলা হয় এ ব্যাপারে এখনো কোন মামলা হয়নি। মামলা হলে আমরা বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখার কথা জানান কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশ।

ট্যাগস :

চিকিৎসকের অবহেলায় প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ

আপডেট সময় : ১০:১০:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০

শরীফ হাসান, ঢাকা প্রতিনিধিঃ রাজধানী ঢাকার অদূরে কেরানীগঞ্জ উপজেলার কদমতলীতে অবস্থিত মেরিস্টোপস ক্লিনিকে ভুল চিকিৎসায় সুমি আক্তার (২৪) নামে এক প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।

গতকাল রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতে সুমির আক্তারের সিজার করার সময় তার মৃত্যু হয় বলে জানান সুমির স্বামী শরীফ।

মৃত সুমির স্বামী অভিযোগ করে বলেন, আমি আমার স্ত্রীকে চিকিৎসার জন্য গতকাল রবিবার সকাল ১১টার দিকে আমার স্ত্রীকে আমি মেরিস্টোপস ক্লিনিকে ভর্তি করি। যদিও আরও ৪দিন পরে সিজার করার কথা ছিলো তবে হাসপাতালে ভর্তির পর তারা বলে এক্ষুণি সিজার করতে হবে তারপর তাদের কথায় আমি রাজি হই।

আরও পড়ুনঃরামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে ভারতীয় নাগরিকের আত্মহত্যা

তিনি আরও বলেন, কোনো প্রকার পরীক্ষা না করেই তারা রোগীর শরীরে এনেসথেসিয়া ইনজেকশন দেন ও বিকাল ৪ টার দিকে অপারেশন শুরু করেন ডা. সাজেদা খাতুন ও এনেথেসিয়া ডা. মনির হোসেন। এতে জমজ বাচ্চা (একটি ছেলে ও মেয়ে) জন্ম হয়।

এদিকে সিজার করার পর সুমির প্রচন্ড রক্তক্ষরণে শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাহিরে গেলে মেরিস্টোপস্ হাসপাতাল থেকে মিডফোর্ট হাসপাতালে রোগীকে প্রেরণ করা হয়।মিডফোর্ট হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত ডাক্তার সুমিকে মৃত ঘোষণা করে বলে জানান তিনি।

কেরানীগঞ্জ থানা থেকে বলা হয় এ ব্যাপারে এখনো কোন মামলা হয়নি। মামলা হলে আমরা বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখার কথা জানান কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশ।