দ্রব্যমূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখতে বাজার মনিটরিংয়ে নওগাঁর ডিসি
- আপডেট সময় : ০২:১৬:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ এপ্রিল ২০২১
- / ১১৪৩ বার পড়া হয়েছে
নওগাঁ প্রতিনিধি:
নওগাঁয় সর্বাত্মক লকডাউন বাস্তবায়নে স্বাস্থ্যবিধি মানাতে ও রমজান মাস উপলক্ষে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখতে শহরের বিভিন্ন কাঁচাবাজারে একাই ঘুরতে দেখা গেছে জেলা প্রশাসককে। ব্যতিক্রমী এই পদক্ষেপের খবর ছড়িয়ে পড়লে পরে ম্যাজিষ্ট্রেট ও বাজার কর্মকর্তা ছুটে আসেন জেলা প্রশাসকের নিকট।
বৃহষ্পতিবার ১৫ এপ্রিল দুপুরে শহরের বালুডাঙ্গা বাসষ্ট্যান্ড, সিও অফিস, মুক্তির মোড়, বাটার মোড়, পুরাতন বাসষ্ট্যান্ডসহ শহরের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলো ও টিসিবির পণ্য বিক্রয়ের স্থানগুলো ঘুরে দেখেন জেলা প্রশাসক মো. হারুন অর রশিদ।
এসময় নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে বিভিন্ন কাঁচাবাজারে চাল, শাক সবজি, মাছ ও আলু, পিয়াজসহ ভোগ্যপণ্য ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলেন তিনি। এছাড়াও কাঁচাবাজার গুলোতে লকডাউনের ভিতর স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাচল ও রমজান মাস উপলক্ষ্যে যাতে কেউ অতিরিক্ত দামে জিনিসপত্র বিক্রয় করতে না পারে এ বিষয়ে মনিটরিং করেন। সবাইকে বাজার দরের মূল্যে তালিকা দোকানের সামনে ঝুলিয়ে রাখার নির্দেশ দেন।
এসময় জেলা প্রশাসক জানান, করোনা সংক্রমণ রোধে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে সারা দেশের ন্যায় নওগাঁতেও দ্বিতীয় দিনের মত লকডাউন চলছে। এই লকডাউন বাস্তবায়নে আমরা সকলেই মাঠে কাজ করছি এবং সকলেই আমাদের সহযোগীতা করছে। এরপরও যারা অকারনে ঘরের বাইরে বের হচ্ছে তাদেরকে সহনশীলভাবে বুঝিয়ে বাড়ি পাঠানো হয়। আর যারা প্রয়োজনে ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন তাঁদেরকে অবশ্যই মাস্ক পরিধানসহ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণের তাগিদ দেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, লকডাউন ও রমজান উপলক্ষে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মুল্য স্থিতিশীল রাখতে নিয়মিত বাজার মনিটরিংয়ের অংশ হিসেবে আজ বিভিন্ন বাজারে কেনা-বেচা পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। আমরা ব্যবসায়ী ও ভোক্তাদের সাথে কথা বলেছি। ব্যবসায়ীরা যাতে স্বাভাবিক মূল্যে পণ্যদ্রব্য বিক্রি ও ভোক্তারা বেশি পণ্য কিনে মজুদ না করেন, সেই অনুরোধ করেছি।
পরে জেলা প্রশাসক জনসাধারণকে স্বাস্থবিধি সম্পর্কে সচেতন করার পাশাপাশি মাস্ক বিতরণ করেন।
এদিকে, আজ সকাল থেকেই শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় পুলিশ চেকপোস্ট বসিয়ে, অভিযান চালিয়ে জরিমানা করতে দেখা গেছে। এসব চেকপোস্টে গাড়ি থামিয়ে যাত্রীদের পরিচয় এবং রাস্তায় বের হওয়া কারণ জানতে চায় পুলিশ। যেসব পেশার মানুষ জরুরী সেবার সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন, তাঁদের চেকপোস্ট অতিক্রম করার অনুমতি দিয়ে অন্যদের ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

























