ঢাকা ০৬:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬, ২৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নতুন রকেটে ১০ গুণ দ্রুত পৌঁছানো যাবে মঙ্গল গ্রহে

Iftekhar Ahamed
  • আপডেট সময় : ০৮:১৮:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২১
  • / ১০৬৫ বার পড়া হয়েছে

প্রযুক্তি ডেস্কঃ

মার্কিন সরকারের সঙ্গে কাজ করা এক নারী বিজ্ঞানী এমন একটি নতুন ফিউশন রকেট ডিজাইন করেছেন যা ১০ গুণ বেশি স্পিডে (বর্তমান স্পিডের চেয়ে) মানুষকে মঙ্গল গ্রহে নিয়ে যেতে পারে। আমেরিকার প্রিন্সটন প্লাজমা ফিজিক্স ল্যাবরেটরিতে (পিপিপিএল) কর্মরত ড. ফাতিমা ইব্রাহিমি এই নতুন রকেট ডিজাইন করেছেন।

বর্তমানে যে রকেট ব্যবহার করা হচ্ছে তাতে ইলেকট্রিক ফিল্ডের মাধ্যমে পার্টিকালগুলিকে শ্যুট করা হয়। তবে ফাতিমার তৈরি নতুন রকেটে চৌম্বকীয় ক্ষেত্রের ব্যবহারে গতি আরও বাড়বে।

ব্রিটিশ গণমাধ্যম ডেইলি মেইলের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফাতিমা জানিয়েছেন, তিনি ২০১৭ সাল থেকে এই প্রোজেক্টে কাজ করেছেন।

উল্লেখ্য, সূর্য বা তারা থেকে উৎপন্ন শক্তিকে ফিউশন বলা হয়। রকেটের জন্য বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য বৈজ্ঞানিকরা দীর্ঘদিন ধরে ল্যাবে ফিউশনের ওপর কাজ করছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রিন্সটন প্লাজমা ফিজিক্স ল্যাবরেটরি এবং ন্যাশনাল এনার্জি রিসার্চ সায়েন্টিফিক কম্পিউটিং সেন্টারে দেখা গেছে নতুন প্লাজমা থ্রাস্টার কনসেপ্টের মাধ্যমে বেশি স্পিড পাওয়া যেতে পারে।

মহাকাশে দীর্ঘ দূরত্ব ভ্রমণ করতে সাধারণত বেশ কয়েক মাস এবং বহু বছর সময় লাগে কারণ কেমিক্যাল ইঞ্জিনগুলি তুলনামূলকভাবে ধীর গতিতে কাজ করে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ম্যাগনেটিক ফিল্ডের থ্রাস্টারগুলির মাধ্যমে আরও বেশি গতি পাওয়া সম্ভব।

রকেটে ফিউশন প্রযুক্তির ব্যবহার নতুন নয়। তবে ফাতিমার ডিজাইনে কিছু নতুন জিনিস ব্যবহৃত হয়েছে যা এটিকে অনন্য করেছে।

ট্যাগস :

নতুন রকেটে ১০ গুণ দ্রুত পৌঁছানো যাবে মঙ্গল গ্রহে

আপডেট সময় : ০৮:১৮:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২১

প্রযুক্তি ডেস্কঃ

মার্কিন সরকারের সঙ্গে কাজ করা এক নারী বিজ্ঞানী এমন একটি নতুন ফিউশন রকেট ডিজাইন করেছেন যা ১০ গুণ বেশি স্পিডে (বর্তমান স্পিডের চেয়ে) মানুষকে মঙ্গল গ্রহে নিয়ে যেতে পারে। আমেরিকার প্রিন্সটন প্লাজমা ফিজিক্স ল্যাবরেটরিতে (পিপিপিএল) কর্মরত ড. ফাতিমা ইব্রাহিমি এই নতুন রকেট ডিজাইন করেছেন।

বর্তমানে যে রকেট ব্যবহার করা হচ্ছে তাতে ইলেকট্রিক ফিল্ডের মাধ্যমে পার্টিকালগুলিকে শ্যুট করা হয়। তবে ফাতিমার তৈরি নতুন রকেটে চৌম্বকীয় ক্ষেত্রের ব্যবহারে গতি আরও বাড়বে।

ব্রিটিশ গণমাধ্যম ডেইলি মেইলের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফাতিমা জানিয়েছেন, তিনি ২০১৭ সাল থেকে এই প্রোজেক্টে কাজ করেছেন।

উল্লেখ্য, সূর্য বা তারা থেকে উৎপন্ন শক্তিকে ফিউশন বলা হয়। রকেটের জন্য বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য বৈজ্ঞানিকরা দীর্ঘদিন ধরে ল্যাবে ফিউশনের ওপর কাজ করছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রিন্সটন প্লাজমা ফিজিক্স ল্যাবরেটরি এবং ন্যাশনাল এনার্জি রিসার্চ সায়েন্টিফিক কম্পিউটিং সেন্টারে দেখা গেছে নতুন প্লাজমা থ্রাস্টার কনসেপ্টের মাধ্যমে বেশি স্পিড পাওয়া যেতে পারে।

মহাকাশে দীর্ঘ দূরত্ব ভ্রমণ করতে সাধারণত বেশ কয়েক মাস এবং বহু বছর সময় লাগে কারণ কেমিক্যাল ইঞ্জিনগুলি তুলনামূলকভাবে ধীর গতিতে কাজ করে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ম্যাগনেটিক ফিল্ডের থ্রাস্টারগুলির মাধ্যমে আরও বেশি গতি পাওয়া সম্ভব।

রকেটে ফিউশন প্রযুক্তির ব্যবহার নতুন নয়। তবে ফাতিমার ডিজাইনে কিছু নতুন জিনিস ব্যবহৃত হয়েছে যা এটিকে অনন্য করেছে।