ঢাকা ০৯:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বান্দরবানে সোনালী ব্যাংকে লুট, ম্যানেজার অপহরণ ১৪ অস্ত্র ছিনতাই

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৪:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ এপ্রিল ২০২৪
  • / ১১০৮ বার পড়া হয়েছে

বান্দরবানে সোনালী ব্যাংকে লুট, ম্যানেজার অপহরণ ১৪ অস্ত্র ছিনতাই

স্টাফ রিপোর্টার:

বান্দরবানের রুমা উপজেলায় সোনালী ব্যাংকে লুট করেছে পাহাড়ের বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র সংগঠন কুকি চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ)। এ সময় পুলিশ ও আনসার বাহিনীর ১৪টি অস্ত্র, মোবাইল, ব্যাংকের ভোল্টের সব টাকাসহ ব্যাংক ম্যানেজার নেজাম উদ্দিনকে অপহরণ করে নিয়ে গেছে সশস্ত্র বাহিনীরা।

অস্ত্রধারীদের হামলায় ইউএনও অফিস ও ব্যাংকের বেশ কয়েকজন সদস্য আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার (২এপ্রিল) দিবাগত রাঁত সাড়ে ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে রুমা উপজেলার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (সহকারী কমিশনার ভূমি) দিদারুল আলম বলেন, অস্ত্রধারীরা প্রথমে মসজিদ ঘেরাও করে মুসল্লিদের মারধর করে ও টাকা পয়সা ছিনতাই করে। পরে তারা সোনালী ব্যাংক লুট, ব্যাংক ও ইউএনও অফিসের স্টাফদের মারধর করেছে। পুলিশ, আনসারের ১৪টি অস্ত্র লুট করে নিয়ে গেছে। সবার মোবাইল ও টাকা পয়সা নিয়ে গেছে। ব্যাংক ম্যানেজারকে অপহরণ করেছে। মারধরে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। তবে ব্যাংক থেকে কত টাকা নিয়ে গেছে বিষয়টি এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

সরকারি কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধি বলেন, বিদ্যুৎ না থাকার সুযোগটি কাজে লাগিয়ে তাণ্ডব চালিয়েছে সশস্ত্র সন্ত্রাসী বাহিনী। অন্তত একশ জনের মতো সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা রুমা উপজেলা পরিষদসহ আশপাশের এলাকাগুলো ঘেরাও করে লুটপাট চালিয়েছে। রুমা উপজেলাজুড়ে এখন থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। তাণ্ডব লুটপাটের সঙ্গে পাহাড়ের সশস্ত্র সংগঠন কেএনএফ জড়িত।

রুমার ইউপি চেয়ারম্যান উহ্লামং মারমা বলেন, ডাকাত দল সোনালী ব্যাংক লুট করেছে বলে শুনেছি। পুলিশ আনসারের অস্ত্রও লুট করেছে। ভোল্টের সব টাকাসহ ব্যাংক ম্যানেজার নেজাম উদ্দিনকে অপহরণ করে নিয়ে গেছে সশস্ত্র বাহিনীরা।

ট্যাগস :

বান্দরবানে সোনালী ব্যাংকে লুট, ম্যানেজার অপহরণ ১৪ অস্ত্র ছিনতাই

আপডেট সময় : ০৯:৩৪:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ এপ্রিল ২০২৪

বান্দরবানে সোনালী ব্যাংকে লুট, ম্যানেজার অপহরণ ১৪ অস্ত্র ছিনতাই

স্টাফ রিপোর্টার:

বান্দরবানের রুমা উপজেলায় সোনালী ব্যাংকে লুট করেছে পাহাড়ের বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র সংগঠন কুকি চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ)। এ সময় পুলিশ ও আনসার বাহিনীর ১৪টি অস্ত্র, মোবাইল, ব্যাংকের ভোল্টের সব টাকাসহ ব্যাংক ম্যানেজার নেজাম উদ্দিনকে অপহরণ করে নিয়ে গেছে সশস্ত্র বাহিনীরা।

অস্ত্রধারীদের হামলায় ইউএনও অফিস ও ব্যাংকের বেশ কয়েকজন সদস্য আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার (২এপ্রিল) দিবাগত রাঁত সাড়ে ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে রুমা উপজেলার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (সহকারী কমিশনার ভূমি) দিদারুল আলম বলেন, অস্ত্রধারীরা প্রথমে মসজিদ ঘেরাও করে মুসল্লিদের মারধর করে ও টাকা পয়সা ছিনতাই করে। পরে তারা সোনালী ব্যাংক লুট, ব্যাংক ও ইউএনও অফিসের স্টাফদের মারধর করেছে। পুলিশ, আনসারের ১৪টি অস্ত্র লুট করে নিয়ে গেছে। সবার মোবাইল ও টাকা পয়সা নিয়ে গেছে। ব্যাংক ম্যানেজারকে অপহরণ করেছে। মারধরে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। তবে ব্যাংক থেকে কত টাকা নিয়ে গেছে বিষয়টি এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

সরকারি কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধি বলেন, বিদ্যুৎ না থাকার সুযোগটি কাজে লাগিয়ে তাণ্ডব চালিয়েছে সশস্ত্র সন্ত্রাসী বাহিনী। অন্তত একশ জনের মতো সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা রুমা উপজেলা পরিষদসহ আশপাশের এলাকাগুলো ঘেরাও করে লুটপাট চালিয়েছে। রুমা উপজেলাজুড়ে এখন থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। তাণ্ডব লুটপাটের সঙ্গে পাহাড়ের সশস্ত্র সংগঠন কেএনএফ জড়িত।

রুমার ইউপি চেয়ারম্যান উহ্লামং মারমা বলেন, ডাকাত দল সোনালী ব্যাংক লুট করেছে বলে শুনেছি। পুলিশ আনসারের অস্ত্রও লুট করেছে। ভোল্টের সব টাকাসহ ব্যাংক ম্যানেজার নেজাম উদ্দিনকে অপহরণ করে নিয়ে গেছে সশস্ত্র বাহিনীরা।