ঢাকা ০৬:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ২৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মোড়েলগঞ্জ স্বামীর নির্যতনের শিকারে স্ত্রীর আত্মহত্যা

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ০৭:২০:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ জুন ২০২৩
  • / ১০৮২ বার পড়া হয়েছে

যৌতুক নিয়ে স্বামীর নির্যাতনের শিকার হয়ে স্ত্রীর আত্মহত্যা

 

মোড়েলগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

বাগেরহাট জেলার মোরেলগঞ্জে উপজেলার হোগলাপাশা ইউনিয়নে যৌতুক নিয়ে স্বামীর নির্যাতনের শিকার হয়ে তাছলিমা (১৯) নামে এক কিশোরীর আত্মহত্যা করেছে। আজ শনিবার ১০ জুন) সকাল দশটার দিকে বৌলপুর গ্রামে এঘটনা ঘটে। ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ ফরিদুল ইসলাম ফরিদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এক বছর পূূূূূূর্বে একই গ্রামের মোঃ জহিরুল খানের ছেলে মোহাম্মদ মুন্না এর সঙ্গে বিবাহ হয়। বিবাহের পর বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জিনিসের দাবিতে শারীরিক নির্যাতন করে তাসলিমাকে। এক পর্যায়ে স্বর্ণের আংটি ও মোটরসাইকেল দাবি করে মুন্না। মেয়ের শান্তির জন্য তা মেনে নেয় বাবা। কিন্তু দেরি হওয়ায় তার উপর চলে শারীরিক নির্যাতন। আজ সকালের দিকে তাসলিমার বাবার বাড়ির সামনে বসে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে তাছলিমাকে মারধর শুরুকরে স্বামী মুুুুুুন্না।

নিহতের বাবা মোঃ রফিকুল ইসলাম শেখ বলেন, সকাল বেলা পার্শ্ববর্তী জেলা পিরোজপুর শহরে কাজে গিয়ে ছিলাম এবং তাসলিমার মা বাজারে গিয়ে ছিল। বাজার থেকে এসে ওর মা তাসলিমাকে খোঁজাখুঁজি করে সাড়া পায়নি। পরে ঘরের দরজা দেওয়া থাকায় জানালা দিয়ে উঁকি দিয়ে দেখে মেয়ে ফাঁসিতে ঝুুুুলছে। মেয়েকে ঝুলন্ত দেখে চিৎকার করলে আশেপাশে মানুষ ছুটে আসে।জামাইয়ের (মুন্না) নির্যাতনের শিকার সইতে না পেরে মেয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

 

মহিষপুরা ফাড়ি ইনচার্জ মোঃ মাহমুদ ইসলাম বলেন,
লাশ ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতাল পাঠানো হয়েছে, ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

ট্যাগস :

মোড়েলগঞ্জ স্বামীর নির্যতনের শিকারে স্ত্রীর আত্মহত্যা

আপডেট সময় : ০৭:২০:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ জুন ২০২৩

যৌতুক নিয়ে স্বামীর নির্যাতনের শিকার হয়ে স্ত্রীর আত্মহত্যা

 

মোড়েলগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

বাগেরহাট জেলার মোরেলগঞ্জে উপজেলার হোগলাপাশা ইউনিয়নে যৌতুক নিয়ে স্বামীর নির্যাতনের শিকার হয়ে তাছলিমা (১৯) নামে এক কিশোরীর আত্মহত্যা করেছে। আজ শনিবার ১০ জুন) সকাল দশটার দিকে বৌলপুর গ্রামে এঘটনা ঘটে। ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ ফরিদুল ইসলাম ফরিদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এক বছর পূূূূূূর্বে একই গ্রামের মোঃ জহিরুল খানের ছেলে মোহাম্মদ মুন্না এর সঙ্গে বিবাহ হয়। বিবাহের পর বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জিনিসের দাবিতে শারীরিক নির্যাতন করে তাসলিমাকে। এক পর্যায়ে স্বর্ণের আংটি ও মোটরসাইকেল দাবি করে মুন্না। মেয়ের শান্তির জন্য তা মেনে নেয় বাবা। কিন্তু দেরি হওয়ায় তার উপর চলে শারীরিক নির্যাতন। আজ সকালের দিকে তাসলিমার বাবার বাড়ির সামনে বসে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে তাছলিমাকে মারধর শুরুকরে স্বামী মুুুুুুন্না।

নিহতের বাবা মোঃ রফিকুল ইসলাম শেখ বলেন, সকাল বেলা পার্শ্ববর্তী জেলা পিরোজপুর শহরে কাজে গিয়ে ছিলাম এবং তাসলিমার মা বাজারে গিয়ে ছিল। বাজার থেকে এসে ওর মা তাসলিমাকে খোঁজাখুঁজি করে সাড়া পায়নি। পরে ঘরের দরজা দেওয়া থাকায় জানালা দিয়ে উঁকি দিয়ে দেখে মেয়ে ফাঁসিতে ঝুুুুলছে। মেয়েকে ঝুলন্ত দেখে চিৎকার করলে আশেপাশে মানুষ ছুটে আসে।জামাইয়ের (মুন্না) নির্যাতনের শিকার সইতে না পেরে মেয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

 

মহিষপুরা ফাড়ি ইনচার্জ মোঃ মাহমুদ ইসলাম বলেন,
লাশ ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতাল পাঠানো হয়েছে, ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।