ঢাকা ০৩:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাজধানীতে আওয়ামী লীগের নেত্রীকে কুপিয়ে হত্যা

Iftekhar Ahamed
  • আপডেট সময় : ০৬:৩০:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ এপ্রিল ২০২১
  • / ১০৫০ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর পল্লবীতে আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণবিষয়ক উপকমিটির সদস্য উমামা বেগম কনককে (৪০) বটি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। পারিবারিক কলহের জেরে স্বামী ওমর ফারুক গতকাল শুক্রবার মধ্যরাতে এ ঘটনা ঘটান বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

আজ শনিবার বিষয়টি এনটিভি অনলাইনকে জানিয়েছেন পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী ওয়াজেদ আলী। তিনি বলেন, ‘পল্লবীর মিরপুর ডিওএইচএসের ৭৪৩ নম্বর বাসায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর স্বামীকে আটক করে স্থানীয় লোকজন। পরে ওমর ফারুককে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।’

জানা গেছে, উমামা বেগম কনক আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণবিষয়ক উপকমিটির সদস্য। তিনি ছাত্রলীগের সাবেক নেত্রীও।

[irp]

কাজী ওয়াজেদ আলী দাবি করে বলেন, ‘এখন পর্যন্ত আমরা যা শুনেছি, তাতে মনে হয়েছে পারিবারিক কলহের জেরে স্বামী তাঁর স্ত্রীকে বটি দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেন। পরে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এখানে অর্থিক সংক্রান্ত একটি বিষয় রয়েছে বলে শুনেছি।’

ওসি বলেন, ‘শুনেছি ওমর ফারুক জাপানে থাকতেন। পাঁচ বছর আগে তিনি দেশে ফেরেন। সে সময় তাঁর স্ত্রীর কাছে পাঠানো টাকার হিসাব নিয়েও ঝামেলা হতো তাদের মধ্যে। এদিকে দেশে ফিরে ব্যবসা-বাণিজ্য শুরু করেন ফারুক। কিন্তু ব্যবসায় ক্ষতিগ্রস্ত হন তিনি। এখন যা বলেছি, সবই লোকমুখে শোনা কথা। বিস্তারিত তদন্ত শেষে হত্যার মূল কারণ জানতে পারব।’

উমামা বেগম কনকের মরদেহের ময়নাতদন্ত শেষে গ্রামের বাড়ি নরসিংদী নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়ে ওসি বলেন, ‘এখনও এ ঘটনায় মামলা করেনি কেউ। তবে মামলার প্রস্তুতি চলছে।’

ট্যাগস :

রাজধানীতে আওয়ামী লীগের নেত্রীকে কুপিয়ে হত্যা

আপডেট সময় : ০৬:৩০:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ এপ্রিল ২০২১

রাজধানীর পল্লবীতে আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণবিষয়ক উপকমিটির সদস্য উমামা বেগম কনককে (৪০) বটি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। পারিবারিক কলহের জেরে স্বামী ওমর ফারুক গতকাল শুক্রবার মধ্যরাতে এ ঘটনা ঘটান বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

আজ শনিবার বিষয়টি এনটিভি অনলাইনকে জানিয়েছেন পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী ওয়াজেদ আলী। তিনি বলেন, ‘পল্লবীর মিরপুর ডিওএইচএসের ৭৪৩ নম্বর বাসায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর স্বামীকে আটক করে স্থানীয় লোকজন। পরে ওমর ফারুককে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।’

জানা গেছে, উমামা বেগম কনক আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণবিষয়ক উপকমিটির সদস্য। তিনি ছাত্রলীগের সাবেক নেত্রীও।

[irp]

কাজী ওয়াজেদ আলী দাবি করে বলেন, ‘এখন পর্যন্ত আমরা যা শুনেছি, তাতে মনে হয়েছে পারিবারিক কলহের জেরে স্বামী তাঁর স্ত্রীকে বটি দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেন। পরে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এখানে অর্থিক সংক্রান্ত একটি বিষয় রয়েছে বলে শুনেছি।’

ওসি বলেন, ‘শুনেছি ওমর ফারুক জাপানে থাকতেন। পাঁচ বছর আগে তিনি দেশে ফেরেন। সে সময় তাঁর স্ত্রীর কাছে পাঠানো টাকার হিসাব নিয়েও ঝামেলা হতো তাদের মধ্যে। এদিকে দেশে ফিরে ব্যবসা-বাণিজ্য শুরু করেন ফারুক। কিন্তু ব্যবসায় ক্ষতিগ্রস্ত হন তিনি। এখন যা বলেছি, সবই লোকমুখে শোনা কথা। বিস্তারিত তদন্ত শেষে হত্যার মূল কারণ জানতে পারব।’

উমামা বেগম কনকের মরদেহের ময়নাতদন্ত শেষে গ্রামের বাড়ি নরসিংদী নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়ে ওসি বলেন, ‘এখনও এ ঘটনায় মামলা করেনি কেউ। তবে মামলার প্রস্তুতি চলছে।’