ঢাকা ১০:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সরকারি জমি লিজ দেওয়ার নামে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

Iftekhar Ahamed
  • আপডেট সময় : ০৪:৪০:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ মে ২০২১
  • / ১০৫৭ বার পড়া হয়েছে

সরকারি জমি লিজ দেওয়ার নামে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার ঃ

রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার পাট্টা ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে জমি লিজ দেওয়ার নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পাট্টা ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুর রব মুনার বিরুদ্ধে।

চেয়ারম্যান মুনার এই কর্মকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পাট্টার তেবাড়িয়া এলাকার ফরিদ নামে এক ব্যক্তি অভিযোগ করে বলেন, মুনা চেয়ারম্যান গত এক বছর পূর্বে আমার কাছে ৩৩ শতাংশ জমি লিজ দেয়। আমি সেখানে কলা চাষ করি।

পরবর্তী সময়ে কয়েক মাস পেরিয়ে গেলে তিনি (মুনা) আবার আরেক জনকে এই জমি লিজ দেয়। পরে জমিতে থাকা প্রায় এক শতাধিক কলা গাছ কেটে ফেলে।

পরবর্তীতে এই বিষয় নিয়ে আমি বিভিন্ন স্থানে মিমাংসার জন্য গেলে জানতে পারি যে জমিটি সরকারি খাস জমি।
স্থানীয় একাধিক বাসিন্দার সাথে কথা বলে এই জমি লিজ দেওয়ার বিষয়টির সত্যতা মিলেছে। এছাড়াও বীর মন্ডপ গ্রামের দুলাল, লুৎফর, নজরুল ও তেবাড়িয়া গ্রামের নওয়াব আলী, আকতার হোসেন এই সরকারি খাস জমিকে কেন্দ্র করে মুনা চেয়ারম্যানের বিছানো জালের শিকার।

এব্যাপারে পাংশা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আলীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে পরে আমি বিষয়টি দেখছি।

[irp]

ট্যাগস :

সরকারি জমি লিজ দেওয়ার নামে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৪:৪০:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ মে ২০২১

সরকারি জমি লিজ দেওয়ার নামে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার ঃ

রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার পাট্টা ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে জমি লিজ দেওয়ার নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পাট্টা ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুর রব মুনার বিরুদ্ধে।

চেয়ারম্যান মুনার এই কর্মকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পাট্টার তেবাড়িয়া এলাকার ফরিদ নামে এক ব্যক্তি অভিযোগ করে বলেন, মুনা চেয়ারম্যান গত এক বছর পূর্বে আমার কাছে ৩৩ শতাংশ জমি লিজ দেয়। আমি সেখানে কলা চাষ করি।

পরবর্তী সময়ে কয়েক মাস পেরিয়ে গেলে তিনি (মুনা) আবার আরেক জনকে এই জমি লিজ দেয়। পরে জমিতে থাকা প্রায় এক শতাধিক কলা গাছ কেটে ফেলে।

পরবর্তীতে এই বিষয় নিয়ে আমি বিভিন্ন স্থানে মিমাংসার জন্য গেলে জানতে পারি যে জমিটি সরকারি খাস জমি।
স্থানীয় একাধিক বাসিন্দার সাথে কথা বলে এই জমি লিজ দেওয়ার বিষয়টির সত্যতা মিলেছে। এছাড়াও বীর মন্ডপ গ্রামের দুলাল, লুৎফর, নজরুল ও তেবাড়িয়া গ্রামের নওয়াব আলী, আকতার হোসেন এই সরকারি খাস জমিকে কেন্দ্র করে মুনা চেয়ারম্যানের বিছানো জালের শিকার।

এব্যাপারে পাংশা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আলীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে পরে আমি বিষয়টি দেখছি।

[irp]