আনোয়ারার চাতরী চৌমুহনী বাজার অর্ধেক ভাসমান দোকানের দখলে, তীব্র যানজট

শেখ আবদুল্লাহ, আনোয়ারা প্রতিনিধি: চট্টগ্রাম দক্ষিন জেলার অর্থনৈতিক অঞ্চল আনোয়ারার প্রাণকেন্দ্র চাতরী চৌমুহনী বাজার হকারদের দখলে অর্ধেক সড়ক সকাল সন্ধ্যায় দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়ে চরম দূর্ভোগ পড়ছে জনসাধারণ। কর্ণফুলী টানেল,চায়না ইকোনমিক জোন,নির্মাণে বিশাল কর্মযজ্ঞকে ঘিরে আর ব্যস্তময় হয়ে উঠছে চাতরী চৌমুহনী বাজার প্রতিদিন কোরিয়ান ইপিজেডের শ্রমিক, সিইউএফএল,কাফকো,কর্মকতা- কর্মচারি সহ হাজার হাজার জনসাধারণ কর্মীর আসা যাওয়াও এ বাজার সড়ক দিয়ে।যানবাহন চাপ বাড়ছে প্রতিনিয়ত।

যানজটের প্রধান কারণ রাস্তার দু’পাশে যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং, ভাসমান দোকান, অনিয়মতান্ত্রিকভাবে গাড়ি চালাচল ফলে সৃষ্টি হচ্ছে দীর্ঘ যানজট নিয়ন্ত্রণে হিমসিম খেতে হয় ট্রাপিক পুলিশদের। তবে প্রয়োজনের তুলনায় সড়কের প্রশন্ততা অনেক কম।তার উপর অর্ধেক হকারদের দখলে আবার রাস্তার দু’পাশে যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং ও।বাকী অর্ধৈকে কোনোমতে চলছে যানবাহন ।ফলে নিত্য লেগে থেকে যানজট । পড়ছে গণমানুষের চরমে দূর্ভোগে।

সরেজমিনে দেখা যাই,চাতরী চৌমুহনী সিইউএফএল সড়কের দুই পাশের অর্ধেক দখল করে ব্যবসা করছেন মৌসুমি ব্যবসায়ী ও হকাররা।অনেকে আবার চৌকি বসিয়ে সড়ক দখল করে চালিয়ে যাচ্ছে ব্যবসা।আবার ভ্যান বসিয়ে,সড়ক দখল করে তাদের এ সব অবৈধ ব্যবসা চলছে । রাস্তার দু’পাশে যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং ত আছে।

ইজারাদারকে দোখান প্রতি প্রতিদিন ১০০ থেকে ৫০০ টাকা করে দিতে হয়।তাছাড়া দখল বেদখলকে কেন্দ্র করে দিতে হয় বিভিন্নজনকে বিভিন্ন হারে টাকা তাই বিনিময়ে তারা হকারদের সড়ক দখল করে ব্যবসা করছে সাহায্য-সহযোগিতা করেন। একটু দূরে মা সুপার মাকের্ট (প্রধান সড়কের পাশে)পাশ ঘেঁষে আরও বেশকয়েকটি ঝুপড়ি দোকান খুলে চলছে পুরোনো কাপড়ের ব্যবসা। তার পাশে রয়েছে চটপটি বিক্রির একাধিক দোকান।কাপড় কিনতে লোকজন দোকানের সামনে দাঁড়ালে পেছন থেকে রিকশা কিংবা ইজিবাইকের (ব্যাটারিচালিত টমটম) ধাক্কা লাগে।

ফুটপাতে বসা এক সবজি বিক্রেতা বলেন, আমাদের নিদিষ্ট কোনো দোকান নেই এইখানে ফুটপাতে বসে ইজারাদারকে নিদিষ্ট হাসিল দিয়ে থাকি। চাতরী চৌমুহনী বাজারের ট্রাফিক বক্সের ইনচার্জ হাবিব হাসান জানান, এই সড়কে এমনিতেই গাড়ির চাপ অনেক। ইদানিং কিছু স্ক্র্যাপ পরিবহনের কারণে এই সড়কে দূর্ভোগ বেড়েছে। এই বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা( ইউএনও)শেখ জোবায়ের আহমদ বলেন, গাড়ি পার্কিং, ভাসমান দোকান, বার বার উচ্ছেদ করার পরেও বসে ।তাই ভাসমান দোকান গুলো বাজারের ভিতরে স্থায়ীভাবে বসার ব্যবস্থা করার জন্য ইতিমধ্যে আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি।

আরো পড়ুন :  পার্বত্য শান্তিচুক্তির বর্ষপূর্তির ৩দিন আগে ঘরে ঢুকে জেএসএস নেতাকে গুলি করে হত্যা