ঢাকা ০৩:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইউনূচের দেশ বিরোধী বাণিজ্য চুক্তিতে যা আছে!? (৯)

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ০১:৪৭:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
  • / ১০০১ বার পড়া হয়েছে

ইউনূচের দেশ বিরোধী বাণিজ্য চুক্তিতে যা আছে!? (৯)

মোফাজ্জল হোসেন ইলিয়াছঃ

পরিবেশঃ-

অনুচ্ছেদ ১.২০: পরিবেশ আইন এবং নীতিমালা:-

বাংলাদেশ নিশ্চিত করবে যে তার পরিবেশ আইন এবং নীতিমালা উচ্চমাত্রার পরিবেশ সুরক্ষা নিশ্চিত করে এবং তা উৎসাহিত করে।

অনুচ্ছেদ ১.২১: অবৈধ কাঠ কাটানো এবং সংশ্লিষ্ট বাণিজ্য:-

১. বাংলাদেশ অবৈধভাবে আহৃত বনজ পণ্যের বাণিজ্য মোকাবিলা করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এবং তা প্রতিরোধে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সহযোগিতা করবে। এ ধরনের ব্যবস্থার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকবে বন খাতের শাসনব্যবস্থার বিদ্যমান আইন ও বিধিমালার পূর্ণ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা এবং বন সম্পদের প্রশাসন ও নিয়ন্ত্রণের জন্য দায়ী কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য বিস্তৃত দুর্নীতিবিরোধী আইন ও বিধিমালা শক্তিশালীকরণ, বাস্তবায়ন এবং প্রয়োগ করা।

২. বাংলাদেশ বন খাতে স্বচ্ছতা উন্নত করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করবে, যার মধ্যে অংশগ্রহণমূলক প্রক্রিয়া বাধ্যতামূলক করা এবং একটি সহজলভ্য অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বন ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা এবং কাঠ কাটার অনুমতিপত্রের জনসমক্ষে প্রকাশ অন্তর্ভুক্ত।

অনুচ্ছেদ ১.২২: সম্পদ-দক্ষ অর্থনীতি
বাংলাদেশ একটি আরও সম্পদ-দক্ষ অর্থনীতি উন্নীত করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এ ধরনের ব্যবস্থার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে এমন বাণিজ্য প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা করা, যা আরও সম্পদ-দক্ষ অর্থনীতিকে বাধাগ্রস্ত করে; উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা, যা চক্রাকার অর্থনীতিকে উন্নীত করে, যেমন পণ্যের নকশায় সম্পদ দক্ষতা উন্নত করার মাধ্যমে; এবং বিপরীত সরবরাহ শৃঙ্খল সক্ষম করার জন্য বাণিজ্য সহজীকরণমূলক পন্থা উন্নীত করা।

অনুচ্ছেদ ১.২৩: মৎস্য ভর্তুকি
১. বাংলাদেশ যত দ্রুত সম্ভব বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) অ্যাগ্রিমেন্ট অন ফিশারিজ সাবসিডিজ (এএফএস) এবং এর অন্তর্ভুক্ত বিধানসমূহ গ্রহণ করবে, যার মধ্যে ক্ষতিকর কিছু মৎস্য ভর্তুকির ওপর নিয়ন্ত্রণ অন্তর্ভুক্ত, যেমন অবৈধ, অপ্রতিবেদিত এবং অনিয়ন্ত্রিত (আইইউইউ) মাছ ধরা এবং অতিমাত্রায় আহৃত মজুতের জন্য ভর্তুকি নিষিদ্ধ করার বিধান, এবং স্বচ্ছতা ও ভর্তুকিসংক্রান্ত নোটিফিকেশন উন্নত করা।

২. এএফএস গ্রহণের পর, এএফএস-এর অনুচ্ছেদ ১২ সত্ত্বেও বাংলাদেশ এএফএস-এর বাধ্যবাধকতাসমূহ সম্পূর্ণরূপে বাস্তবায়ন করবে।

৩. এ ছাড়াও বাংলাদেশ নিশ্চিত করবে যে তার মৎস্য ভর্তুকিসমূহ অতিরিক্ত সক্ষমতা এবং অতিরিক্ত মাছ ধরা বৃদ্ধি করে না, যার মধ্যে শক্তিশালী মৎস্য ব্যবস্থাপনা কাঠামোর ব্যবহার এবং এসব ভর্তুকির সংস্কার অন্তর্ভুক্ত।

অনুচ্ছেদ ১.২৪: টেকসই মৎস্য ব্যবস্থাপনা এবং আইইউইউ মাছ ধরা
১. বাংলাদেশ একটি টেকসই মৎস্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা পরিচালনা করবে, যা সামুদ্রিক প্রাকৃতিক মাছ ধরাকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং হাঙর, সামুদ্রিক কচ্ছপ, সামুদ্রিক পাখি, এবং সামুদ্রিক স্তন্যপায়ীসহ সামুদ্রিক প্রজাতির দীর্ঘমেয়াদি সংরক্ষণ উন্নীত করে।

২. বাংলাদেশ মৎস্য সম্পর্কিত আইন, বিধিমালা এবং অন্যান্য ব্যবস্থার প্রয়োগ জোরদার করবে, যাতে কার্যকরভাবে আইইউইউ মাছ ধরা মোকাবিলা করা যায় এবং আইইউইউ মাছ ধরা থেকে প্রাপ্ত পণ্যের বাণিজ্য নিরুৎসাহিত করা যায়, যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত-

(ক) বন্দর ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করা, যার মধ্যে পোর্ট স্টেট মেজান্স অ্যাগ্রিমেন্টের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ পদক্ষেপ অন্তর্ভুক্ত;

(খ) বাংলাদেশের পতাকাবাহী জাহাজ এবং তার নাগরিকদের আইইউইউ মাছ ধরায় জড়িত হওয়া নিরুৎসাহিত করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ বা জোরদার করা; এবং

(গ) সমুদ্রে আইইউইউ মাছ ধরা থেকে আহৃত মাছ বা সেই মাছ থেকে উৎপন্ন পণ্যের স্থানান্তর প্রতিরোধ করা।

অনুচ্ছেদ ১.২৫: অবৈধ বন্য প্রাণী বাণিজ্য মোকাবিলা
বাংলাদেশ এমন বন্য প্রাণী ও উদ্ভিদের বাণিজ্য মোকাবিলায় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এবং প্রতিরোধে সহযোগিতা করবে, যা ওই দেশের আইন বা অন্য কোনো প্রযোজ্য আইনের লঙ্ঘন করে আহৃত বা বাণিজ্য করা হয়েছে, যার মধ্যে নিম্নলিখিত পদক্ষেপ অন্তর্ভুক্ত:

(ক) বন্দরসমূহে বন্য প্রাণী ও উদ্ভিদ এবং তাদের অংশ ও পণ্যসমূহ বহনকারী চালানের পরিদর্শনের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ;

(খ) বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে অবৈধভাবে আহৃত বা বাণিজ্য করা হয়েছে এমন বন্য প্রাণী ও উদ্ভিদের তার ভূখণ্ড দিয়ে স্থানান্তরিত বাণিজ্য মোকাবিলার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ; এবং

(গ) বন্য প্রাণী ও উদ্ভিদের ইচ্ছাকৃত আন্তসীমান্ত পাচারকে ইউনাইটেড নেশনস কনভেনশন অন ট্রান্সন্যাশনাল অর্গানাইজড ক্রাইম-এ সংজ্ঞায়িত গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা।

অনুচ্ছেদ ১.২৬: বিপন্ন বন্য প্রাণী ও উদ্ভিদের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যসংক্রান্ত কনভেনশন (সিআইটিইএস)

বাংলাদেশ সিআইটিইএস তালিকাভুক্ত প্রাণী প্রজাতির বৈধ এবং টেকসই বাণিজ্য নিশ্চিত করার জন্য সিআইটিইএস-এর বাস্তবায়ন জোরদার করবে, যার মধ্যে সিআইটিইএস বাস্তবায়নের জন্য জাতীয় আইন প্রণয়নের খসড়া চূড়ান্তকরণ এবং সিআইটিইএস সচিবালয়ে জমা প্রদান অন্তর্ভুক্ত। (চলবে)।

দৈনিক আস্থা/এমএইচ

ট্যাগস :

ইউনূচের দেশ বিরোধী বাণিজ্য চুক্তিতে যা আছে!? (৯)

আপডেট সময় : ০১:৪৭:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

ইউনূচের দেশ বিরোধী বাণিজ্য চুক্তিতে যা আছে!? (৯)

মোফাজ্জল হোসেন ইলিয়াছঃ

পরিবেশঃ-

অনুচ্ছেদ ১.২০: পরিবেশ আইন এবং নীতিমালা:-

বাংলাদেশ নিশ্চিত করবে যে তার পরিবেশ আইন এবং নীতিমালা উচ্চমাত্রার পরিবেশ সুরক্ষা নিশ্চিত করে এবং তা উৎসাহিত করে।

অনুচ্ছেদ ১.২১: অবৈধ কাঠ কাটানো এবং সংশ্লিষ্ট বাণিজ্য:-

১. বাংলাদেশ অবৈধভাবে আহৃত বনজ পণ্যের বাণিজ্য মোকাবিলা করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এবং তা প্রতিরোধে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সহযোগিতা করবে। এ ধরনের ব্যবস্থার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকবে বন খাতের শাসনব্যবস্থার বিদ্যমান আইন ও বিধিমালার পূর্ণ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা এবং বন সম্পদের প্রশাসন ও নিয়ন্ত্রণের জন্য দায়ী কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য বিস্তৃত দুর্নীতিবিরোধী আইন ও বিধিমালা শক্তিশালীকরণ, বাস্তবায়ন এবং প্রয়োগ করা।

২. বাংলাদেশ বন খাতে স্বচ্ছতা উন্নত করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করবে, যার মধ্যে অংশগ্রহণমূলক প্রক্রিয়া বাধ্যতামূলক করা এবং একটি সহজলভ্য অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বন ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা এবং কাঠ কাটার অনুমতিপত্রের জনসমক্ষে প্রকাশ অন্তর্ভুক্ত।

অনুচ্ছেদ ১.২২: সম্পদ-দক্ষ অর্থনীতি
বাংলাদেশ একটি আরও সম্পদ-দক্ষ অর্থনীতি উন্নীত করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এ ধরনের ব্যবস্থার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে এমন বাণিজ্য প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা করা, যা আরও সম্পদ-দক্ষ অর্থনীতিকে বাধাগ্রস্ত করে; উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা, যা চক্রাকার অর্থনীতিকে উন্নীত করে, যেমন পণ্যের নকশায় সম্পদ দক্ষতা উন্নত করার মাধ্যমে; এবং বিপরীত সরবরাহ শৃঙ্খল সক্ষম করার জন্য বাণিজ্য সহজীকরণমূলক পন্থা উন্নীত করা।

অনুচ্ছেদ ১.২৩: মৎস্য ভর্তুকি
১. বাংলাদেশ যত দ্রুত সম্ভব বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) অ্যাগ্রিমেন্ট অন ফিশারিজ সাবসিডিজ (এএফএস) এবং এর অন্তর্ভুক্ত বিধানসমূহ গ্রহণ করবে, যার মধ্যে ক্ষতিকর কিছু মৎস্য ভর্তুকির ওপর নিয়ন্ত্রণ অন্তর্ভুক্ত, যেমন অবৈধ, অপ্রতিবেদিত এবং অনিয়ন্ত্রিত (আইইউইউ) মাছ ধরা এবং অতিমাত্রায় আহৃত মজুতের জন্য ভর্তুকি নিষিদ্ধ করার বিধান, এবং স্বচ্ছতা ও ভর্তুকিসংক্রান্ত নোটিফিকেশন উন্নত করা।

২. এএফএস গ্রহণের পর, এএফএস-এর অনুচ্ছেদ ১২ সত্ত্বেও বাংলাদেশ এএফএস-এর বাধ্যবাধকতাসমূহ সম্পূর্ণরূপে বাস্তবায়ন করবে।

৩. এ ছাড়াও বাংলাদেশ নিশ্চিত করবে যে তার মৎস্য ভর্তুকিসমূহ অতিরিক্ত সক্ষমতা এবং অতিরিক্ত মাছ ধরা বৃদ্ধি করে না, যার মধ্যে শক্তিশালী মৎস্য ব্যবস্থাপনা কাঠামোর ব্যবহার এবং এসব ভর্তুকির সংস্কার অন্তর্ভুক্ত।

অনুচ্ছেদ ১.২৪: টেকসই মৎস্য ব্যবস্থাপনা এবং আইইউইউ মাছ ধরা
১. বাংলাদেশ একটি টেকসই মৎস্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা পরিচালনা করবে, যা সামুদ্রিক প্রাকৃতিক মাছ ধরাকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং হাঙর, সামুদ্রিক কচ্ছপ, সামুদ্রিক পাখি, এবং সামুদ্রিক স্তন্যপায়ীসহ সামুদ্রিক প্রজাতির দীর্ঘমেয়াদি সংরক্ষণ উন্নীত করে।

২. বাংলাদেশ মৎস্য সম্পর্কিত আইন, বিধিমালা এবং অন্যান্য ব্যবস্থার প্রয়োগ জোরদার করবে, যাতে কার্যকরভাবে আইইউইউ মাছ ধরা মোকাবিলা করা যায় এবং আইইউইউ মাছ ধরা থেকে প্রাপ্ত পণ্যের বাণিজ্য নিরুৎসাহিত করা যায়, যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত-

(ক) বন্দর ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করা, যার মধ্যে পোর্ট স্টেট মেজান্স অ্যাগ্রিমেন্টের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ পদক্ষেপ অন্তর্ভুক্ত;

(খ) বাংলাদেশের পতাকাবাহী জাহাজ এবং তার নাগরিকদের আইইউইউ মাছ ধরায় জড়িত হওয়া নিরুৎসাহিত করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ বা জোরদার করা; এবং

(গ) সমুদ্রে আইইউইউ মাছ ধরা থেকে আহৃত মাছ বা সেই মাছ থেকে উৎপন্ন পণ্যের স্থানান্তর প্রতিরোধ করা।

অনুচ্ছেদ ১.২৫: অবৈধ বন্য প্রাণী বাণিজ্য মোকাবিলা
বাংলাদেশ এমন বন্য প্রাণী ও উদ্ভিদের বাণিজ্য মোকাবিলায় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এবং প্রতিরোধে সহযোগিতা করবে, যা ওই দেশের আইন বা অন্য কোনো প্রযোজ্য আইনের লঙ্ঘন করে আহৃত বা বাণিজ্য করা হয়েছে, যার মধ্যে নিম্নলিখিত পদক্ষেপ অন্তর্ভুক্ত:

(ক) বন্দরসমূহে বন্য প্রাণী ও উদ্ভিদ এবং তাদের অংশ ও পণ্যসমূহ বহনকারী চালানের পরিদর্শনের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ;

(খ) বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে অবৈধভাবে আহৃত বা বাণিজ্য করা হয়েছে এমন বন্য প্রাণী ও উদ্ভিদের তার ভূখণ্ড দিয়ে স্থানান্তরিত বাণিজ্য মোকাবিলার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ; এবং

(গ) বন্য প্রাণী ও উদ্ভিদের ইচ্ছাকৃত আন্তসীমান্ত পাচারকে ইউনাইটেড নেশনস কনভেনশন অন ট্রান্সন্যাশনাল অর্গানাইজড ক্রাইম-এ সংজ্ঞায়িত গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা।

অনুচ্ছেদ ১.২৬: বিপন্ন বন্য প্রাণী ও উদ্ভিদের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যসংক্রান্ত কনভেনশন (সিআইটিইএস)

বাংলাদেশ সিআইটিইএস তালিকাভুক্ত প্রাণী প্রজাতির বৈধ এবং টেকসই বাণিজ্য নিশ্চিত করার জন্য সিআইটিইএস-এর বাস্তবায়ন জোরদার করবে, যার মধ্যে সিআইটিইএস বাস্তবায়নের জন্য জাতীয় আইন প্রণয়নের খসড়া চূড়ান্তকরণ এবং সিআইটিইএস সচিবালয়ে জমা প্রদান অন্তর্ভুক্ত। (চলবে)।

দৈনিক আস্থা/এমএইচ