ঢাকা ১০:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কিশোর কর্মচারীর রক্তার্থ লাশ ফেলে রেখে পালিয়ে গেল অপর কর্মচারী

Iftekhar Ahamed
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৪:০৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ মার্চ ২০২১
  • / ১০৯৫ বার পড়া হয়েছে
নিজস্ব প্রতিবেদক:ইমন আহমেদ নামে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোর কর্মচারীকে রক্তার্থ লাশ ফেলে রেখে সুনামগঞ্জের দক্ষিণ সুনামগঞ্জ থেকে পালিয়ে গেলেন অপর এক কর্মচারী।, বৃহস্পতিবার সন্ধায় এ ব্যাপারে নিহত কিশোরের পরিবারের পক্ষ হতে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এরপুর্বে বুধবার সকালে উপজেলার মুক্তাখাই গ্রামের ফার্ণিচার কারখানা হতে ওই কিশোর কর্মচারীর রক্ষার্থ লাশ উদ্যার করে জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায় পুলিশ। নিহত ইমন উপজেলার কুতুবপুর গ্রামের মাসুক মিয়ার ছেলে। পালিয়ে যাওয়া অপর কর্মচারী পাশর্^বর্তী ছাতক উপজেলার বড়কাপন গ্রামের বাসিন্দা।
বৃহস্পতিবার সন্ধায় দক্ষিণ সুনামগঞ্জ থানার ওসি কাজি মুক্তাদীর হোসেন চৌধুরী জানান, কিশোর ইমন উপজেলার মুক্তাখাই গ্রামে নানা বাড়িতে থেকে গ্রামের একটি ফার্ণিচার কারখানায় কর্মচারী হিসেবে কাজ করত এবং কারখানাতেই রাত্রীযাপন করতে।
দোকানের অপর কর্মচারী সায়মন ও ইমন এক সাথেই কারখানায় রাত্রীযাপন করত। বুধবার সকালে ফার্নিচার কারখানার মালিক কারখানা বন্ধ দেখে ডাকাডাকি করেন। কিন্তু কোন সাড়াশব্দ না পেয়ে দরজা ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে ইমনের রক্তার্থ মরদেহ বিছানায় মোড়ানো অবস্থায় দেখতে পেয়ে তিনি থানা পুলিশকে অবহিত করেন। এরপর ফার্ণিটার কারখানায় ইমনের সাথে থাকা অপর কর্মচারী সায়মন গাঁ ঢাকা দেন।
ওসি আরো বলেন, পালিয়ে যাওয়া অপর কর্মচারী সায়মনকে গ্রেফতারে পরপরই জানা যাবে কি কারনে কেন কিশোর ইমনকে হত্যা করা হয়েছে।,
ট্যাগস :

কিশোর কর্মচারীর রক্তার্থ লাশ ফেলে রেখে পালিয়ে গেল অপর কর্মচারী

আপডেট সময় : ০৫:৪৪:০৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ মার্চ ২০২১
নিজস্ব প্রতিবেদক:ইমন আহমেদ নামে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোর কর্মচারীকে রক্তার্থ লাশ ফেলে রেখে সুনামগঞ্জের দক্ষিণ সুনামগঞ্জ থেকে পালিয়ে গেলেন অপর এক কর্মচারী।, বৃহস্পতিবার সন্ধায় এ ব্যাপারে নিহত কিশোরের পরিবারের পক্ষ হতে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এরপুর্বে বুধবার সকালে উপজেলার মুক্তাখাই গ্রামের ফার্ণিচার কারখানা হতে ওই কিশোর কর্মচারীর রক্ষার্থ লাশ উদ্যার করে জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায় পুলিশ। নিহত ইমন উপজেলার কুতুবপুর গ্রামের মাসুক মিয়ার ছেলে। পালিয়ে যাওয়া অপর কর্মচারী পাশর্^বর্তী ছাতক উপজেলার বড়কাপন গ্রামের বাসিন্দা।
বৃহস্পতিবার সন্ধায় দক্ষিণ সুনামগঞ্জ থানার ওসি কাজি মুক্তাদীর হোসেন চৌধুরী জানান, কিশোর ইমন উপজেলার মুক্তাখাই গ্রামে নানা বাড়িতে থেকে গ্রামের একটি ফার্ণিচার কারখানায় কর্মচারী হিসেবে কাজ করত এবং কারখানাতেই রাত্রীযাপন করতে।
দোকানের অপর কর্মচারী সায়মন ও ইমন এক সাথেই কারখানায় রাত্রীযাপন করত। বুধবার সকালে ফার্নিচার কারখানার মালিক কারখানা বন্ধ দেখে ডাকাডাকি করেন। কিন্তু কোন সাড়াশব্দ না পেয়ে দরজা ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে ইমনের রক্তার্থ মরদেহ বিছানায় মোড়ানো অবস্থায় দেখতে পেয়ে তিনি থানা পুলিশকে অবহিত করেন। এরপর ফার্ণিটার কারখানায় ইমনের সাথে থাকা অপর কর্মচারী সায়মন গাঁ ঢাকা দেন।
ওসি আরো বলেন, পালিয়ে যাওয়া অপর কর্মচারী সায়মনকে গ্রেফতারে পরপরই জানা যাবে কি কারনে কেন কিশোর ইমনকে হত্যা করা হয়েছে।,