ঢাকা ০১:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo জাতীয় নেতাদের ভূমিকাকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী Logo রূপপুরে জ্বালানি লোডিংয়ের অনুমোদন: এপ্রিলের শেষে উদ্বোধন Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আ.লীগের সাবেক প্রতিমন্ত্রীর সাক্ষাৎ Logo রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, জাতীয়তাবাদী ফ্রন্ট এবং ধানের শীষ Logo মুখস্থভিত্তিক বিসিএস থেকে দক্ষতাভিত্তিক পদ্ধতিতে যাচ্ছে সরকার: সংসদে প্রতিমন্ত্রী Logo গণভোটের রায় বাস্তবায়নে ১১ দলীয় জোটের কর্মসূচি ঘোষণা Logo সরকার-জনপ্রতিনিধি ছাড়া সংবিধান সংশোধনের অধিকার কারো নেই: স্পিকার Logo মার্কিন যুদ্ধবিমান ধ্বংশ করছে ইরানি ম্যানপ্যাড Logo তিন ঘণ্টার ব্যবধানে মা-ছেলের মৃত্যু Logo হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু

কৃষি কর্মকর্তাকে পেটালেন বিএনপির সাবেক নেতা ও তার ছেলে

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ০৬:৪৮:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ জুন ২০২৫
  • / ১১৮৮ বার পড়া হয়েছে

কৃষি কর্মকর্তাকে পেটালেন বিএনপির সাবেক নেতা ও তার ছেলে

স্টাফ রিপোর্টারঃ

বরিশালের হিজলা উপজেলায় কৃষি অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ফখরুল ইসলামকে বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত করার ঘটনা ঘটেছে। রোববার রাত ৯টার দিকে উপজেলার টেকেরবাজার বাজারে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী রাতেই হিজলা থানায় মামলা করেন।

ফখরুল ইসলাম জানান, হিজলা উপজেলায় প্রণোদনায় নারিকেল চারা বিতরণ করা হয়। বিএনপি নেতা গিয়াস দেওয়ান (৫০) একটি নামের তালিকা দেন এবং তালিকা অনুযায়ী চারা বিতরণ করতে বলেন। কিন্তু শ্রেণিবিন্যাসে তারা প্রণোদনার চারা পাওয়ার উপযুক্ত নন। এ কারণে তাদের চারা দেওয়া হয়নি। এতে ক্ষিপ্ত হন গিয়াস।

তিনি আরও জানান, রোববার রাত ৯টার দিকে টেকেরবাজার থেকে অফিসের কাগজপত্র ফটোকপি করে ফিরছিলেন। এ সময় গিয়াস ও তার ছেলে জিসানসহ ৪-৫ জন আমার পথরোধ করেন। পরে একটি চায়ের দোকানে নিয়ে হিজলা উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক গিয়াস দেওয়ান (৫০) ও তার ছেলে হিজলা সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম জিসান
বাঁশ দিয়ে আমাকে পিটানো হয়। তারা আমাকে মেরে রক্তাক্ত করেছে। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে তাৎক্ষণিকভাবে জানানো হয়। তার নির্দেশে রাতেই হিজলা থানায় ৩ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৩-৪ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে।

মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে হিজলা থানার ওসি শেখ আমিনুল ইসলাম বলেন, ফখরুল ইসলামের লিখিত অভিযোগ তাৎক্ষণিকভাবে এজাহারভুক্ত করা হয়েছে। আসামিদের আটকের চেষ্টা চলছে।

অভিযুক্ত গিয়াস দেওয়ান গিয়াস গণমাধ্যমকে বলেন, এ হামলার সঙ্গে তারা জড়িত নন। কে বা কারা কৃষি কর্মকর্তার ওপর হামলা করে তাদের ওপর দোষ চাপিয়েছে।

হিজলা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল গাফফার তালুকদার বলেন, গিয়াস দেওয়ান ও তার ছেলে কৃষি কর্মকর্তা ফখরুলের ওপর হামলা করেছেন। এতে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে। বিষয়টি দলের ঊর্ধ্বতন দায়িত্বশীলদের জানানো হবে।

ট্যাগস :

কৃষি কর্মকর্তাকে পেটালেন বিএনপির সাবেক নেতা ও তার ছেলে

আপডেট সময় : ০৬:৪৮:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ জুন ২০২৫

কৃষি কর্মকর্তাকে পেটালেন বিএনপির সাবেক নেতা ও তার ছেলে

স্টাফ রিপোর্টারঃ

বরিশালের হিজলা উপজেলায় কৃষি অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ফখরুল ইসলামকে বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত করার ঘটনা ঘটেছে। রোববার রাত ৯টার দিকে উপজেলার টেকেরবাজার বাজারে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী রাতেই হিজলা থানায় মামলা করেন।

ফখরুল ইসলাম জানান, হিজলা উপজেলায় প্রণোদনায় নারিকেল চারা বিতরণ করা হয়। বিএনপি নেতা গিয়াস দেওয়ান (৫০) একটি নামের তালিকা দেন এবং তালিকা অনুযায়ী চারা বিতরণ করতে বলেন। কিন্তু শ্রেণিবিন্যাসে তারা প্রণোদনার চারা পাওয়ার উপযুক্ত নন। এ কারণে তাদের চারা দেওয়া হয়নি। এতে ক্ষিপ্ত হন গিয়াস।

তিনি আরও জানান, রোববার রাত ৯টার দিকে টেকেরবাজার থেকে অফিসের কাগজপত্র ফটোকপি করে ফিরছিলেন। এ সময় গিয়াস ও তার ছেলে জিসানসহ ৪-৫ জন আমার পথরোধ করেন। পরে একটি চায়ের দোকানে নিয়ে হিজলা উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক গিয়াস দেওয়ান (৫০) ও তার ছেলে হিজলা সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম জিসান
বাঁশ দিয়ে আমাকে পিটানো হয়। তারা আমাকে মেরে রক্তাক্ত করেছে। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে তাৎক্ষণিকভাবে জানানো হয়। তার নির্দেশে রাতেই হিজলা থানায় ৩ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৩-৪ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে।

মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে হিজলা থানার ওসি শেখ আমিনুল ইসলাম বলেন, ফখরুল ইসলামের লিখিত অভিযোগ তাৎক্ষণিকভাবে এজাহারভুক্ত করা হয়েছে। আসামিদের আটকের চেষ্টা চলছে।

অভিযুক্ত গিয়াস দেওয়ান গিয়াস গণমাধ্যমকে বলেন, এ হামলার সঙ্গে তারা জড়িত নন। কে বা কারা কৃষি কর্মকর্তার ওপর হামলা করে তাদের ওপর দোষ চাপিয়েছে।

হিজলা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল গাফফার তালুকদার বলেন, গিয়াস দেওয়ান ও তার ছেলে কৃষি কর্মকর্তা ফখরুলের ওপর হামলা করেছেন। এতে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে। বিষয়টি দলের ঊর্ধ্বতন দায়িত্বশীলদের জানানো হবে।