ঢাকা ০৮:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চুয়াডাঙ্গায় নদী থেকে উঠে এলো ২০০ বছরের পুরোনো জাহাজের নোঙর ও মানুষের হাড়

Iftekhar Ahamed
  • আপডেট সময় : ০১:১৫:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ এপ্রিল ২০২২
  • / ১০৭০ বার পড়া হয়েছে

জাহাজের ধ্বংসাবশেষ ও মানুষের হাড় দেখতে সেখানে ভিড় করছে উৎসুক জনতা।
বৃহস্পতিবার মাটি খননের সময় জাহাজের নোঙরসহ পাটাতন ও বিভিন্ন ভাঙা অংশ এবং মানুষের হাড় পাওয়া যায়।

স্থানীয়রা জানায়, দামুড়হুদার সুবুলপুরে গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর ভৈরব নদ খনন কাজ শুরু হয়। বৃহস্পতিবার মাঝরাতে নদ খননের এক পর্যায়ে কার্পাসডাঙ্গা-বাঘাডাঙ্গার নীল কুঠির নিচে ড্রেজার দিয়ে মাটি খননের সময় ব্রিটিশদের পণ্যবাহী শত বছরের পুরনো জাহাজের ধ্বংসাবশেষ ও মানুষের হাড় ড্রেজারে উঠে আসে।

এ খবর শুক্রবার সকালে এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে এলাকার শত শত উৎসুক ও কৌতূহলী জনতা সেখানে জাহাজটি দেখতে ভিড় জমায়।

খবর পেয়ে দামুড়হুদা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুদীপ্ত কুমার সিংহ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানান।

ব্রিটিশ আমলে ভৈরব নদীর পাড়ে ব্রিটিশদের কুঠিবাড়ি ছিল এবং এটি ছিল নীলকরদের রাজধানী। সেকারণে এই বাণিজ্যকেন্দ্রে ব্রিটিশসহ তৎকালীন কলকাতার সাথে এই বঙ্গের ব্যবসায়ীদের যোগাযোগ ও মালামাল বহনে জাহাজ ও বড় বড় বজরা (নৌকা) আসা যাওয়া করতো।

এলাকাবাসীর ধারণা, নদীখননে যেসব ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গেছে হতে পারে সেগুলো সে সময়কার ডুবে যাওয়া জাহাজের ধ্বংসাবশেষ।

ট্যাগস :

চুয়াডাঙ্গায় নদী থেকে উঠে এলো ২০০ বছরের পুরোনো জাহাজের নোঙর ও মানুষের হাড়

আপডেট সময় : ০১:১৫:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ এপ্রিল ২০২২

জাহাজের ধ্বংসাবশেষ ও মানুষের হাড় দেখতে সেখানে ভিড় করছে উৎসুক জনতা।
বৃহস্পতিবার মাটি খননের সময় জাহাজের নোঙরসহ পাটাতন ও বিভিন্ন ভাঙা অংশ এবং মানুষের হাড় পাওয়া যায়।

স্থানীয়রা জানায়, দামুড়হুদার সুবুলপুরে গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর ভৈরব নদ খনন কাজ শুরু হয়। বৃহস্পতিবার মাঝরাতে নদ খননের এক পর্যায়ে কার্পাসডাঙ্গা-বাঘাডাঙ্গার নীল কুঠির নিচে ড্রেজার দিয়ে মাটি খননের সময় ব্রিটিশদের পণ্যবাহী শত বছরের পুরনো জাহাজের ধ্বংসাবশেষ ও মানুষের হাড় ড্রেজারে উঠে আসে।

এ খবর শুক্রবার সকালে এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে এলাকার শত শত উৎসুক ও কৌতূহলী জনতা সেখানে জাহাজটি দেখতে ভিড় জমায়।

খবর পেয়ে দামুড়হুদা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুদীপ্ত কুমার সিংহ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানান।

ব্রিটিশ আমলে ভৈরব নদীর পাড়ে ব্রিটিশদের কুঠিবাড়ি ছিল এবং এটি ছিল নীলকরদের রাজধানী। সেকারণে এই বাণিজ্যকেন্দ্রে ব্রিটিশসহ তৎকালীন কলকাতার সাথে এই বঙ্গের ব্যবসায়ীদের যোগাযোগ ও মালামাল বহনে জাহাজ ও বড় বড় বজরা (নৌকা) আসা যাওয়া করতো।

এলাকাবাসীর ধারণা, নদীখননে যেসব ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গেছে হতে পারে সেগুলো সে সময়কার ডুবে যাওয়া জাহাজের ধ্বংসাবশেষ।