ঢাকা ১০:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo সাভারে ছাত্রদল নেতার নির্যাতনে চোখ হারাতে বসছে কিশোর Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় টর্চলাইট জ্বালিয়ে ৩ ঘণ্টা সংঘর্ষ, নিহত-১ Logo অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সর্বোচ্চ দুর্নীতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সম্প্রতি তুরাগ নদ থেকে তিন ব্যক্তির লাশ উদ্ধার Logo সীমান্তের শূন্যরেখায় দুই সপ্তাহ: ক্ষুধা, অনিশ্চয়তা আর বেঁচে থাকার লড়াই Logo সন্দ্বীপে ১৫ কোটি টাকা আত্মসাত: ভুক্তভোগীদের মানববন্ধন Logo টাঙ্গাইলে হত্যা মামলায় ৮ আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড Logo প্রধান শিক্ষককে জুতাপেটা: বিএনপির নেতাকে শোকজ Logo জী‌বিত ব্যক্তি মৃত দে‌খি‌য়ে বয়স্ক ভাতা বন্ধ: প্রতিবাদে বিক্ষোভ Logo নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য তৈয়ারী হবে আবাসন প্রকল্প

তিস্তা প্রকল্প নিয়ে আগ্রহ দেখিয়েছে চীন: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

News Editor
  • আপডেট সময় : ০৯:১৫:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০
  • / ১১৫২ বার পড়া হয়েছে

তিস্তা প্রকল্প নিয়ে চীনের সঙ্গে আলোচনা চলছে উল্লেখ করে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক বলেছেন, ২১টি প্রকল্প নিয়ে ডোনার কান্ট্রির সঙ্গে কথা বলেছি। এর মধ্যে তিস্তা প্রকল্প নিয়ে চীন আগ্রহ দেখিয়েছে। এ বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে।

শুক্রবার বিকালে বৈরি আবহাওয়া উপেক্ষা করে কুড়িগ্রামে চলমান ৫ দফা বন্যা পরিস্থিতি ও ধরলা, ব্রহ্মপুত্র এবং তিস্তা নদীর ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক বলেন, বিগত ১০ বছর পূর্বেও অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো ছিল না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হয়েছি। এখন সরকারের টাকার কোনো সমস্যা নেই। রাতারাতি নদী ভাঙ্গন রোধ করা সম্ভব নয়। প্রকল্প বাস্তবায়নে টেকনিক্যাল কমিটিসহ বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে কাজ করতে সময় প্রয়োজন হয়। তিনি কুড়িগ্রামবাসীকে ধৈর্য ধরতে বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ অঞ্চলের বন্যার সমস্যা অতীতেও ছিল এখনও আছে ভবিষ্যতেও থাকবে। উজানে যখন বৃষ্টি হয় তখন পানি এ অঞ্চল দিয়ে নেমে বঙ্গোপসাগরে যায়। ভাটির দেশ হিসেবে সব সময় এটা আমাদেরকে ফেস করতে হয়।

নূরদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা: অভিযোগকারী ছাত্রী ১০ বক্তব্য

নদী ভাঙ্গন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বন্যার পানির কারণে নদী ভাঙ্গনসহ যে ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে তা রক্ষা করার জন্য বিভিন্ন প্রকল্প নেয়া হয়েছে। এছাড়াও নদী ড্রেজিংয়ের বড় প্রকল্প নেয়া হচ্ছে। এসব বাস্তবায়ন করতে পারলে বন্যা ও নদী ভাঙ্গনের ক্ষতি থেকে গ্রামবাসী রক্ষা পাবে।

তিনি আরও বলেন, নদ-নদী ভাঙ্গন রোধে ড্রেজিংসহ বাঁধ নির্মাণ প্রকল্প চলমান রয়েছে। নদী ভাঙ্গন এলাকায় আমাদের প্রকল্প চলমান রয়েছে এবং প্রস্তাবিত প্রকল্প আছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৩৭৬ কোটি টাকা তিনটি চলমান এবং ৭১৪ কোটি ও ৩৮৩ কোটি টাকার আরও দুটি প্রকল্প রয়েছে। কুড়িগ্রাম-গাইবান্ধায় বন্যার পানি নেমে এসে যে ক্ষতি করছে এটাকে রক্ষা করতে প্রকল্প নেয়া হচ্ছে। নদী ড্রেজিংয়ের বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন চলছে এগুলো শেষ হলে মানুষ রক্ষা পাবে এটাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা এবং সেই নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা কাজ করছি।

পরিদর্শনকালে মন্ত্রী সদর উপজেলার মোগলবাসা ইউনিয়ের বন্যা কবলিতদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেন প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক। পরে তিনি মোগলবাসা, চিলমারী রমনা এবং উলিপুর উপজেলার অনন্তপুর, গুনাইগাছ টি বাঁধের ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য পনির উদ্দিন আহমেদ, কুড়িগ্রাম-১ আসনের সংসদ সদস্য আসলাম সওদাগর, অতিরিক্ত সচিব মাহমুদুল ইসলাম, পাউবো মহাপরিচালক এএম আমিনুল হক, প্রধান প্রকৌশলী উত্তরাঞ্চল জ্যোতি প্রসাদ ঘোষ, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী রংপুর পওর সার্কেল আবদুস শহীদ, জেলা প্রশাসক রেজাউল করিম, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম প্রমুখ।

তিস্তা প্রকল্প নিয়ে আগ্রহ দেখিয়েছে চীন: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৯:১৫:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০

তিস্তা প্রকল্প নিয়ে চীনের সঙ্গে আলোচনা চলছে উল্লেখ করে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক বলেছেন, ২১টি প্রকল্প নিয়ে ডোনার কান্ট্রির সঙ্গে কথা বলেছি। এর মধ্যে তিস্তা প্রকল্প নিয়ে চীন আগ্রহ দেখিয়েছে। এ বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে।

শুক্রবার বিকালে বৈরি আবহাওয়া উপেক্ষা করে কুড়িগ্রামে চলমান ৫ দফা বন্যা পরিস্থিতি ও ধরলা, ব্রহ্মপুত্র এবং তিস্তা নদীর ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক বলেন, বিগত ১০ বছর পূর্বেও অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো ছিল না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হয়েছি। এখন সরকারের টাকার কোনো সমস্যা নেই। রাতারাতি নদী ভাঙ্গন রোধ করা সম্ভব নয়। প্রকল্প বাস্তবায়নে টেকনিক্যাল কমিটিসহ বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে কাজ করতে সময় প্রয়োজন হয়। তিনি কুড়িগ্রামবাসীকে ধৈর্য ধরতে বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ অঞ্চলের বন্যার সমস্যা অতীতেও ছিল এখনও আছে ভবিষ্যতেও থাকবে। উজানে যখন বৃষ্টি হয় তখন পানি এ অঞ্চল দিয়ে নেমে বঙ্গোপসাগরে যায়। ভাটির দেশ হিসেবে সব সময় এটা আমাদেরকে ফেস করতে হয়।

নূরদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা: অভিযোগকারী ছাত্রী ১০ বক্তব্য

নদী ভাঙ্গন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বন্যার পানির কারণে নদী ভাঙ্গনসহ যে ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে তা রক্ষা করার জন্য বিভিন্ন প্রকল্প নেয়া হয়েছে। এছাড়াও নদী ড্রেজিংয়ের বড় প্রকল্প নেয়া হচ্ছে। এসব বাস্তবায়ন করতে পারলে বন্যা ও নদী ভাঙ্গনের ক্ষতি থেকে গ্রামবাসী রক্ষা পাবে।

তিনি আরও বলেন, নদ-নদী ভাঙ্গন রোধে ড্রেজিংসহ বাঁধ নির্মাণ প্রকল্প চলমান রয়েছে। নদী ভাঙ্গন এলাকায় আমাদের প্রকল্প চলমান রয়েছে এবং প্রস্তাবিত প্রকল্প আছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৩৭৬ কোটি টাকা তিনটি চলমান এবং ৭১৪ কোটি ও ৩৮৩ কোটি টাকার আরও দুটি প্রকল্প রয়েছে। কুড়িগ্রাম-গাইবান্ধায় বন্যার পানি নেমে এসে যে ক্ষতি করছে এটাকে রক্ষা করতে প্রকল্প নেয়া হচ্ছে। নদী ড্রেজিংয়ের বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন চলছে এগুলো শেষ হলে মানুষ রক্ষা পাবে এটাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা এবং সেই নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা কাজ করছি।

পরিদর্শনকালে মন্ত্রী সদর উপজেলার মোগলবাসা ইউনিয়ের বন্যা কবলিতদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেন প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক। পরে তিনি মোগলবাসা, চিলমারী রমনা এবং উলিপুর উপজেলার অনন্তপুর, গুনাইগাছ টি বাঁধের ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য পনির উদ্দিন আহমেদ, কুড়িগ্রাম-১ আসনের সংসদ সদস্য আসলাম সওদাগর, অতিরিক্ত সচিব মাহমুদুল ইসলাম, পাউবো মহাপরিচালক এএম আমিনুল হক, প্রধান প্রকৌশলী উত্তরাঞ্চল জ্যোতি প্রসাদ ঘোষ, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী রংপুর পওর সার্কেল আবদুস শহীদ, জেলা প্রশাসক রেজাউল করিম, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম প্রমুখ।