ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ এখনও শাহজালাল বিমানবন্দরেই কর্মরত
- আপডেট সময় : ০১:৫৬:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬
- / ১০২০ বার পড়া হয়েছে
ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ এখনও শাহজালাল বিমানবন্দরেই কর্মরত
শেখ শ্রাবণ হোসেন শাওণঃ
যাত্রী হয়রানি, লাগেজ চুরি কিংবা বিমানবন্দরের বিভিন্ন অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে থেকে আলোচনায় আসেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ খান। তার এসব কর্মকাণ্ডে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশংসার পাশাপাশি যাত্রীদের কাছেও সুমাম কুড়িয়েছে।
বেশ অনেক দিন যাবত তাকে আগের মতো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখা না যাওয়ায় প্রশ্ন ওঠেছে তিনি এখন কোথায়? তাকে বদলী করা হয়েছে বলেও অনেক গুজব ছড়িয়েছে ফেসবুক-ইউটিউবে। তবে নওশাদ খান গণমাধ্যমকে জানান, তিনি এখনও বিমানবন্দরে দায়িত্ব পালন করছেন।
তিনি ২০২৫ সালের অক্টোবর থেকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন শুরু করেন। দায়িত্ব শুরুর পর থেকেই তার অভিযানের ভিডিও ছড়িয়ে পড়তে থাকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। কোনো কোনো ঘটনায় তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া, লাগেজ হ্যান্ডলিংয়ে নজরদারি বাড়ানো কিংবা বিমানবন্দরের কর্মীদের জবাবদিহির আওতায় আনার মতো পদক্ষেপের কারণে সাধারণ যাত্রী ও প্রবাসীদের কাছে তার গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়।
সম্প্রতি মদিনা থেকে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটের যাত্রীদের লাগেজ পেতে বিলম্ব এবং জমজমের পানি সরবরাহ নিয়ে বিমানবন্দরে উত্তেজনার ঘটনায় বিমানবন্দরে কর্মকর্তাদের সঙ্গে অবসরপ্রাপ্ত মেজর ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান রঞ্জনের উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের পর রঞ্জনকে আটক করা হয়।
ঘটনার পর বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকে পুরোনো দিনের নওশাদ খানের অভিযানগুলোর ভিডিও ও খবর সামনে আসেন। তাদের প্রশ্ন, যাত্রীদের অভিযোগে দ্রুত ছুটে যাওয়া সেই কর্মকর্তা এখন কোথায়? বিমানবন্দরের অনিয়মের বিরুদ্ধে তার সেই দৃশ্যমান কঠোরতা কি আর নেই?
নওশাদ খানকে বিমানবন্দরে ফিরে পাওয়ার আবেদন জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকে পোস্ট ও কমেন্ট করেছেন। বর্তমানে কোথায় কী দায়িত্বে আছেন তা জানতে চাচ্ছেন।
গণমাধ্যমকে নওশাদ খান বলেন, ‘আমি এখনও বিমানবন্দরেই আছি। একটু আগে লাগেজের কাজ করলাম। এসব খবর অনলাইনে দেখছি।’ ‘আমি তেমন সোশ্যাল মিডিয়ায় আসি না। এড়িয়ে চলি।’
বিমানবন্দরের পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে বলেন, ‘স্যোশাল মিডিয়ায় অনেক কিছু আসলে শোনা যায়। কিন্তু আমাদের কাছে নির্দিষ্ট করে কেউ কোনো অভিযোগ জানালে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিই। সাধারণ মানুষকে বলব সুনির্দিষ্ট অভিযোগ জানাতে। তাহলে প্রতিকার পাবেনই।
আস্থা/এমএইচ


















