ঢাকা ০৯:৫৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo জাতীয় নেতাদের ভূমিকাকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী Logo রূপপুরে জ্বালানি লোডিংয়ের অনুমোদন: এপ্রিলের শেষে উদ্বোধন Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আ.লীগের সাবেক প্রতিমন্ত্রীর সাক্ষাৎ Logo রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, জাতীয়তাবাদী ফ্রন্ট এবং ধানের শীষ Logo মুখস্থভিত্তিক বিসিএস থেকে দক্ষতাভিত্তিক পদ্ধতিতে যাচ্ছে সরকার: সংসদে প্রতিমন্ত্রী Logo গণভোটের রায় বাস্তবায়নে ১১ দলীয় জোটের কর্মসূচি ঘোষণা Logo সরকার-জনপ্রতিনিধি ছাড়া সংবিধান সংশোধনের অধিকার কারো নেই: স্পিকার Logo মার্কিন যুদ্ধবিমান ধ্বংশ করছে ইরানি ম্যানপ্যাড Logo তিন ঘণ্টার ব্যবধানে মা-ছেলের মৃত্যু Logo হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু

যেভাবে ৯১ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন সাহেদ

News Editor
  • আপডেট সময় : ০৪:২৩:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২০
  • / ১১৩৩ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রামের একটি গাড়ি ও গাড়ির যন্ত্রাংশ আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছেন ৯১ লাখ টাকা। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় রোববার সাহেদ করিমকে চার দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।

সাহেদের বিরুদ্ধে চট্টগ্রামে প্রতারণার মামলার বাদী মেসার্স মেগা মোটরসের মালিক জিয়া উদ্দিন মোহাম্মদ জাহাঙ্গীরের ভাই মো. সাইফুদ্দিন মহসীন জানান, চট্টগ্রামের ধনিয়ালা পাড়া এলাকায় তাদের এই প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটির মালিক তার বড় ভাই জিয়াউদ্দিন মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হলেও সাইফুদ্দিন মহসীন এটি দেখাশোনা করেন।

অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থানে রয়েছে সরকার: ওবায়দুল কাদের

সাইফুদ্দিন জানান, মেগা মোটরসের ঢাকা কার্যালয়ের ব্যবস্থাপক শহীদুল্লাহর মাধ্যমে সাহেদের সঙ্গে তাদের ২০১৭ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি ফেনীর ছাগলনাইয়ায় একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে পরিচয় হয়। সেখানে সাহেদ নিজেকে সরকারের বড় প্রভাবশালী হিসেবে উপস্থাপন করে ঢাকার রাস্তায় ২০০টি তিন চাকার গাড়ি নামানোর রুট পারমিট নিয়ে দিতে পারবেন বলে জানান। এই রুট পারমিট করিয়ে দিতে দফায় দফায় এই প্রতিষ্ঠান থেকে নগদে ও চেকের মাধ্যমে ৯১ লাখ ২৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন সাহেদ। এই টাকা নিয়ে একটি গাড়ির রুট পারমিটের কাগজ দিলেও সেটি ছিল ভুয়া।

বাদি সাইফুদ্দিন মহসীন জানান, সাহেদের প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পেরে তারা তার কাছ থেকে টাকা ফেরত চান। কিন্তু সাহেদ টাকা না দিয়ে মেগা মোটরসকে নানাভাবে হয়রানি ও ভয়ভীতি দেখান। পরে এই টাকা নিয়ে তারা আর কোনো উচ্চবাচ্য করেননি। ঢাকায় রিজেন্টকাণ্ডের পর সাহেদ গ্রেফতার হলে তারা চট্টগ্রামের ডবলমুরিং থানায় অর্থ আত্মসাতের দায়ে তার বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও ডবলমুরিং থানার এসআই মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সাহেদের বিরুদ্ধে নগদ ৩২ লাখ টাকা এবং চেকের মাধ্যমে ৫৯ লাখ ২৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ এনে গত ১৩ জুলাই ডবলমুরিং থানায় মামলা করেন চট্টগ্রামের মেগা মোটরর্সের মালিক জিয়া উদ্দিন মোহাম্মদ জাহাঙ্গীরের পক্ষে তার চাচাতো ভাই মো. সাইফুদ্দিন মহসীন। ২০১৭ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ৫ মার্চের মধ্যে সাহেদ টাকাগুলো হাতিয়ে নেন বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়।

এই মামলায় সাহেদকে রোববার দুপুরে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিট্রেট ৫ম আদালতে হাজির করে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। একই সঙ্গে এই মামলায় সাহেদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানানো হয়। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিট্রেট শফি উদ্দিনের আদালত রিমান্ড শুনানি শেষে তার চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।

রিমান্ডে নিয়ে সাহেদকে এই অর্থ আত্মসাতের বিষযে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা।

যেভাবে ৯১ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন সাহেদ

আপডেট সময় : ০৪:২৩:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২০

চট্টগ্রামের একটি গাড়ি ও গাড়ির যন্ত্রাংশ আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছেন ৯১ লাখ টাকা। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় রোববার সাহেদ করিমকে চার দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।

সাহেদের বিরুদ্ধে চট্টগ্রামে প্রতারণার মামলার বাদী মেসার্স মেগা মোটরসের মালিক জিয়া উদ্দিন মোহাম্মদ জাহাঙ্গীরের ভাই মো. সাইফুদ্দিন মহসীন জানান, চট্টগ্রামের ধনিয়ালা পাড়া এলাকায় তাদের এই প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটির মালিক তার বড় ভাই জিয়াউদ্দিন মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হলেও সাইফুদ্দিন মহসীন এটি দেখাশোনা করেন।

অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থানে রয়েছে সরকার: ওবায়দুল কাদের

সাইফুদ্দিন জানান, মেগা মোটরসের ঢাকা কার্যালয়ের ব্যবস্থাপক শহীদুল্লাহর মাধ্যমে সাহেদের সঙ্গে তাদের ২০১৭ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি ফেনীর ছাগলনাইয়ায় একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে পরিচয় হয়। সেখানে সাহেদ নিজেকে সরকারের বড় প্রভাবশালী হিসেবে উপস্থাপন করে ঢাকার রাস্তায় ২০০টি তিন চাকার গাড়ি নামানোর রুট পারমিট নিয়ে দিতে পারবেন বলে জানান। এই রুট পারমিট করিয়ে দিতে দফায় দফায় এই প্রতিষ্ঠান থেকে নগদে ও চেকের মাধ্যমে ৯১ লাখ ২৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন সাহেদ। এই টাকা নিয়ে একটি গাড়ির রুট পারমিটের কাগজ দিলেও সেটি ছিল ভুয়া।

বাদি সাইফুদ্দিন মহসীন জানান, সাহেদের প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পেরে তারা তার কাছ থেকে টাকা ফেরত চান। কিন্তু সাহেদ টাকা না দিয়ে মেগা মোটরসকে নানাভাবে হয়রানি ও ভয়ভীতি দেখান। পরে এই টাকা নিয়ে তারা আর কোনো উচ্চবাচ্য করেননি। ঢাকায় রিজেন্টকাণ্ডের পর সাহেদ গ্রেফতার হলে তারা চট্টগ্রামের ডবলমুরিং থানায় অর্থ আত্মসাতের দায়ে তার বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও ডবলমুরিং থানার এসআই মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সাহেদের বিরুদ্ধে নগদ ৩২ লাখ টাকা এবং চেকের মাধ্যমে ৫৯ লাখ ২৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ এনে গত ১৩ জুলাই ডবলমুরিং থানায় মামলা করেন চট্টগ্রামের মেগা মোটরর্সের মালিক জিয়া উদ্দিন মোহাম্মদ জাহাঙ্গীরের পক্ষে তার চাচাতো ভাই মো. সাইফুদ্দিন মহসীন। ২০১৭ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ৫ মার্চের মধ্যে সাহেদ টাকাগুলো হাতিয়ে নেন বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়।

এই মামলায় সাহেদকে রোববার দুপুরে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিট্রেট ৫ম আদালতে হাজির করে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। একই সঙ্গে এই মামলায় সাহেদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানানো হয়। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিট্রেট শফি উদ্দিনের আদালত রিমান্ড শুনানি শেষে তার চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।

রিমান্ডে নিয়ে সাহেদকে এই অর্থ আত্মসাতের বিষযে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা।