ঢাকা ০৬:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

একা পথে হাটবে জামায়াত-এনসিপি

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৩:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬
  • / ১০০০ বার পড়া হয়েছে

একা পথে হাটবে জামায়াত-এনসিপি

আস্থা ডেস্কঃ

স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে উত্তাপ ছড়াচ্ছে দেশের রাজনীতিতে। চলিত বছরের শেষ দিকে সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এসব নির্বাচন ঘিরে এখন থেকেই মাঠ গোছাতে শুরু করেছে বড় রাজনৈতিক দলগুলো।

আর এই নির্বাচন সামনে রেখে জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সিদ্ধান্ত নিয়েছে আলাদা পথে হাঁটার।

জাতীয় নির্বাচনে জোটবদ্ধ অবস্থানে থাকা দল দুটি সংসদে রয়েছে বিরোধী দলের ভূমিকায়। রাজপথের আন্দোলনে দল দুটি এখনো একসঙ্গে থাকলেও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নিজেদের সাংগঠনিক সামর্থ্য একাই পরীক্ষা করে দেখতে চায়। ১১ দলীয় জোটের অন্যান্য শরিক দলও এককভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে ভোটের মাঠে নামার।

স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সর্বশেষ সিটি করপোরেশন নির্বাচন হয় ২০২৪ সালের মার্চে। একই বছর ধাপে ধাপে হয় উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। তার আগে ২০২১ সালের শুরুতে ধাপে ধাপে পৌরসভা নির্বাচন, একই বছরের এপ্রিল থেকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন এবং ২০২২ সালের অক্টোবরে হয় জেলা পরিষদ নির্বাচন।

তবে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দায়িত্ব দেওয়া হয় ইউনুচের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকারকে। স্থানীয় সরকারের কোনো নির্বাচন আয়োজন করেনি। সবমিলিয়ে দুই বছরের বেশি স্থানীয় সরকার কাঠামো কার্যত নির্বাচনী কার্যক্রমের বাইরে।

বর্তমানে সিটি করপোরেশন, জেলা পরিষদসহ স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বিএনপি নেতারা। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি দ্রুত স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানিয়ে আসছে।

রাজনৈতিক দলগুলোর এমন চাপ ও তৃণমূল পর্যায়ে জনপ্রতিনিধিত্ব পুনর্বহালের দাবির মধ্যেই সরকার বছরের শেষ দিকে ধাপে ধাপে নির্বাচন আয়োজনের আভাস দিয়েছে। আইন অনুযায়ী, এবার সুযোগ থাকছে না দলীয় প্রতীকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ গ্রহণের।

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান সম্প্রতি সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছে, প্রাথমিক প্রস্তুতি ও পরিকল্পনা অনুযায়ী বছরের শেষ দিকে ভোটগ্রহণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। স্থানীয় সরকারের সব স্তরের নির্বাচন সম্পন্ন করতে ভোট শুরুর পর সময় লাগতে পারে ১০ মাস থেকে এক বছর।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, এক বছরের মধ্যে সব নির্বাচন সম্পন্ন করতে চায় সরকার। কোন নির্বাচন আগে, আর কোনটা পরে হবে, তা নির্ভর করবে বাজেট পাওয়ার পর।

১১ দলীয় জোটের দায়িত্বশীল একাধিক নেতা বক্তব্য হলো, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জোটবদ্ধভাবে ভোট করার কোনো আলোচনা বর্তমানে নেই জোটের দলগুলোর মধ্যে। বরং জোটের প্রধান শরিক জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছে একক প্রস্তুতির বার্তা। সিটি করপোরেশন থেকে ইউনিয়ন পরিষদ পর্যন্ত নিজেদের সাংগঠনিক শক্তি যাচাই এবং মাঠের সক্ষমতা প্রদর্শনের লক্ষ্যেই দলগুলো আলাদা পথে এগোচ্ছে।

এরই মধ্যে এনসিপি মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করেছে পাঁচ সিটি করপোরেশনে। অন্যদিকে জামায়াত আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না দিলেও ১২টি সিটিতেই অনেকটা চূড়ান্ত করেছে সম্ভাব্য প্রার্থী। ঈদের পর ধাপে ধাপে এসব প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হতে পারে। এ ছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, আমার বাংলাদেশ পার্টিসহ জোটের অন্য দলগুলোও মাঠে নামছে নিজস্ব প্রস্তুতি নিয়ে।

তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আলাদা পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত জোটের ভেতরে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন কেউ কেউ। বিশেষ করে তরুণদের দল হিসেবে পরিচিত এনসিপি অন্তত সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জোটগত সমঝোতার পক্ষে ছিল বলে জানা গেছে।

সমঝোতা না হলে এর প্রভাব জোটের রাজনীতিতেও পড়ার রয়েছে শঙ্কা। যদিও জোটের নেতারা বলছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আলাদাভাবে অংশ নিলেও জাতীয় সংসদে বিরোধী দল হিসেবে এবং রাজনীতির মাঠে অটুট থাকবে তাদের ঐক্য।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে সিটি নির্বাচনকে আলাদাভাবে গুরুত্ব দিচ্ছে জামায়াতে ইসলামী। এজন্য স্থানীয় শাখাগুলোকে তিন সদস্যের সম্ভাব্য প্রার্থীর প্যানেল কেন্দ্রে পাঠাতে বলা হয়েছে। কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ যাচাই-বাছাই শেষে নির্ধারণ করবে চূড়ান্ত প্রার্থী।

এ ছাড়া জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের প্রার্থী চূড়ান্ত করবেন জামায়াতের ১৪ অঞ্চলের পরিচালকরা। এরই মধ্যে কিছু এলাকায় প্রার্থী চূড়ান্ত হয়েছে, বাকিগুলোয় প্রক্রিয়া চলছে। ঈদের পর প্রথম ধাপে ১২টি সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র প্রার্থীদের নাম ঘোষণার পরিকল্পনা রয়েছে দলটির।

সংসদ নির্বাচনে সাফল্যের ধারাবাহিকতায় স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও তরুণ নেতৃত্বকে সামনে আনছে জামায়াত। সিটি করপোরেশনের মেয়র থেকে শুরু করে ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য পদ পর্যন্ত তরুণ ও জনসম্পৃক্ত নেতাদের দেওয়া হচ্ছে অগ্রাধিকার।

এরই মধ্যে ঢাকা দক্ষিণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি ও ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা আবু সাদিক কায়েম, গাজীপুরে ড. হাফিজুর রহমান এবং নারায়ণগঞ্জে মাওলানা আব্দুল জব্বারের নাম এসেছে আলোচনায়।

দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, তরুণরাই সমাজ পরিবর্তনের নিয়ামক শক্তি। তাদের সক্ষমতা ও সৃজনশীলতা কাজে লাগাতে পারলে দেশ এগিয়ে যাবে। তাই শুধু স্থানীয় সরকার নির্বাচন নয়, জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও আমরা তরুণদের প্রাধান্য দিয়েছি।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে নিজেদের রাজনৈতিক বিস্তার ও সক্ষমতা যাচাইয়ের বড় সুযোগ হিসেবে দেখছে এনসিপি। দলটির নেতারা বলছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে শুধু জনপ্রতিনিধি বাছাইয়ের ভোট হিসেবে দেখছেন না।

দৈনিক আস্থা/এমএইচ

 

ট্যাগস :

একা পথে হাটবে জামায়াত-এনসিপি

আপডেট সময় : ০৫:৫৩:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬

একা পথে হাটবে জামায়াত-এনসিপি

আস্থা ডেস্কঃ

স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে উত্তাপ ছড়াচ্ছে দেশের রাজনীতিতে। চলিত বছরের শেষ দিকে সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এসব নির্বাচন ঘিরে এখন থেকেই মাঠ গোছাতে শুরু করেছে বড় রাজনৈতিক দলগুলো।

আর এই নির্বাচন সামনে রেখে জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সিদ্ধান্ত নিয়েছে আলাদা পথে হাঁটার।

জাতীয় নির্বাচনে জোটবদ্ধ অবস্থানে থাকা দল দুটি সংসদে রয়েছে বিরোধী দলের ভূমিকায়। রাজপথের আন্দোলনে দল দুটি এখনো একসঙ্গে থাকলেও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নিজেদের সাংগঠনিক সামর্থ্য একাই পরীক্ষা করে দেখতে চায়। ১১ দলীয় জোটের অন্যান্য শরিক দলও এককভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে ভোটের মাঠে নামার।

স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সর্বশেষ সিটি করপোরেশন নির্বাচন হয় ২০২৪ সালের মার্চে। একই বছর ধাপে ধাপে হয় উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। তার আগে ২০২১ সালের শুরুতে ধাপে ধাপে পৌরসভা নির্বাচন, একই বছরের এপ্রিল থেকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন এবং ২০২২ সালের অক্টোবরে হয় জেলা পরিষদ নির্বাচন।

তবে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দায়িত্ব দেওয়া হয় ইউনুচের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকারকে। স্থানীয় সরকারের কোনো নির্বাচন আয়োজন করেনি। সবমিলিয়ে দুই বছরের বেশি স্থানীয় সরকার কাঠামো কার্যত নির্বাচনী কার্যক্রমের বাইরে।

বর্তমানে সিটি করপোরেশন, জেলা পরিষদসহ স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বিএনপি নেতারা। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি দ্রুত স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানিয়ে আসছে।

রাজনৈতিক দলগুলোর এমন চাপ ও তৃণমূল পর্যায়ে জনপ্রতিনিধিত্ব পুনর্বহালের দাবির মধ্যেই সরকার বছরের শেষ দিকে ধাপে ধাপে নির্বাচন আয়োজনের আভাস দিয়েছে। আইন অনুযায়ী, এবার সুযোগ থাকছে না দলীয় প্রতীকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ গ্রহণের।

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান সম্প্রতি সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছে, প্রাথমিক প্রস্তুতি ও পরিকল্পনা অনুযায়ী বছরের শেষ দিকে ভোটগ্রহণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। স্থানীয় সরকারের সব স্তরের নির্বাচন সম্পন্ন করতে ভোট শুরুর পর সময় লাগতে পারে ১০ মাস থেকে এক বছর।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, এক বছরের মধ্যে সব নির্বাচন সম্পন্ন করতে চায় সরকার। কোন নির্বাচন আগে, আর কোনটা পরে হবে, তা নির্ভর করবে বাজেট পাওয়ার পর।

১১ দলীয় জোটের দায়িত্বশীল একাধিক নেতা বক্তব্য হলো, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জোটবদ্ধভাবে ভোট করার কোনো আলোচনা বর্তমানে নেই জোটের দলগুলোর মধ্যে। বরং জোটের প্রধান শরিক জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছে একক প্রস্তুতির বার্তা। সিটি করপোরেশন থেকে ইউনিয়ন পরিষদ পর্যন্ত নিজেদের সাংগঠনিক শক্তি যাচাই এবং মাঠের সক্ষমতা প্রদর্শনের লক্ষ্যেই দলগুলো আলাদা পথে এগোচ্ছে।

এরই মধ্যে এনসিপি মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করেছে পাঁচ সিটি করপোরেশনে। অন্যদিকে জামায়াত আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না দিলেও ১২টি সিটিতেই অনেকটা চূড়ান্ত করেছে সম্ভাব্য প্রার্থী। ঈদের পর ধাপে ধাপে এসব প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হতে পারে। এ ছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, আমার বাংলাদেশ পার্টিসহ জোটের অন্য দলগুলোও মাঠে নামছে নিজস্ব প্রস্তুতি নিয়ে।

তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আলাদা পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত জোটের ভেতরে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন কেউ কেউ। বিশেষ করে তরুণদের দল হিসেবে পরিচিত এনসিপি অন্তত সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জোটগত সমঝোতার পক্ষে ছিল বলে জানা গেছে।

সমঝোতা না হলে এর প্রভাব জোটের রাজনীতিতেও পড়ার রয়েছে শঙ্কা। যদিও জোটের নেতারা বলছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আলাদাভাবে অংশ নিলেও জাতীয় সংসদে বিরোধী দল হিসেবে এবং রাজনীতির মাঠে অটুট থাকবে তাদের ঐক্য।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে সিটি নির্বাচনকে আলাদাভাবে গুরুত্ব দিচ্ছে জামায়াতে ইসলামী। এজন্য স্থানীয় শাখাগুলোকে তিন সদস্যের সম্ভাব্য প্রার্থীর প্যানেল কেন্দ্রে পাঠাতে বলা হয়েছে। কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ যাচাই-বাছাই শেষে নির্ধারণ করবে চূড়ান্ত প্রার্থী।

এ ছাড়া জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের প্রার্থী চূড়ান্ত করবেন জামায়াতের ১৪ অঞ্চলের পরিচালকরা। এরই মধ্যে কিছু এলাকায় প্রার্থী চূড়ান্ত হয়েছে, বাকিগুলোয় প্রক্রিয়া চলছে। ঈদের পর প্রথম ধাপে ১২টি সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র প্রার্থীদের নাম ঘোষণার পরিকল্পনা রয়েছে দলটির।

সংসদ নির্বাচনে সাফল্যের ধারাবাহিকতায় স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও তরুণ নেতৃত্বকে সামনে আনছে জামায়াত। সিটি করপোরেশনের মেয়র থেকে শুরু করে ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য পদ পর্যন্ত তরুণ ও জনসম্পৃক্ত নেতাদের দেওয়া হচ্ছে অগ্রাধিকার।

এরই মধ্যে ঢাকা দক্ষিণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি ও ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা আবু সাদিক কায়েম, গাজীপুরে ড. হাফিজুর রহমান এবং নারায়ণগঞ্জে মাওলানা আব্দুল জব্বারের নাম এসেছে আলোচনায়।

দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, তরুণরাই সমাজ পরিবর্তনের নিয়ামক শক্তি। তাদের সক্ষমতা ও সৃজনশীলতা কাজে লাগাতে পারলে দেশ এগিয়ে যাবে। তাই শুধু স্থানীয় সরকার নির্বাচন নয়, জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও আমরা তরুণদের প্রাধান্য দিয়েছি।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে নিজেদের রাজনৈতিক বিস্তার ও সক্ষমতা যাচাইয়ের বড় সুযোগ হিসেবে দেখছে এনসিপি। দলটির নেতারা বলছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে শুধু জনপ্রতিনিধি বাছাইয়ের ভোট হিসেবে দেখছেন না।

দৈনিক আস্থা/এমএইচ