ঢাকা ১২:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo জাতীয় নেতাদের ভূমিকাকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী Logo রূপপুরে জ্বালানি লোডিংয়ের অনুমোদন: এপ্রিলের শেষে উদ্বোধন Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আ.লীগের সাবেক প্রতিমন্ত্রীর সাক্ষাৎ Logo রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, জাতীয়তাবাদী ফ্রন্ট এবং ধানের শীষ Logo মুখস্থভিত্তিক বিসিএস থেকে দক্ষতাভিত্তিক পদ্ধতিতে যাচ্ছে সরকার: সংসদে প্রতিমন্ত্রী Logo গণভোটের রায় বাস্তবায়নে ১১ দলীয় জোটের কর্মসূচি ঘোষণা Logo সরকার-জনপ্রতিনিধি ছাড়া সংবিধান সংশোধনের অধিকার কারো নেই: স্পিকার Logo মার্কিন যুদ্ধবিমান ধ্বংশ করছে ইরানি ম্যানপ্যাড Logo তিন ঘণ্টার ব্যবধানে মা-ছেলের মৃত্যু Logo হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, জাতীয়তাবাদী ফ্রন্ট এবং ধানের শীষ

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ১০:০২:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
  • / ১০২২ বার পড়া হয়েছে

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, জাতীয়তাবাদী ফ্রন্ট এবং ধানের শীষ

মোফাজ্জল হোসেন ইলিয়াছঃ

ইতিহাস না জানা অপরাধ নয়, তবে ইতিহাস বিকৃত করা অপরাধ। এটাই হচ্ছে ইতিহাস (প্রথম কিস্তি) “রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, জাতীয়তাবাদী ফ্রন্ট এবং ধানের শীষ”।

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরে ১৯৭৩ সালের প্রথম সংসদ নির্বাচনে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ন্যাপ (ভাসানী) “ধানের শীষ” প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিল।

মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ১৯৭৬ সালের ১৭ নভেম্বর রোজ বুধবার ইন্তেকাল করেন। জীবদ্দশায়ই মওলানা ভাসানী ন্যাপের রাজনীতি থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেন এবং খোদাই খেদমতগার ও হুকুমতে রব্বানীয়া গঠন করেন। তখন ন্যাপের নেতৃত্বে ছিলেন প্রখ্যাত রাজনীতিবীদ মশিউর রহমান জাদুমিয়া।

তৎকালীন চীফ মার্শাল ল এডমিনিস্ট্রেটর মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানের সহযোগিতায় বিচারপতি আবদুস সাত্তারের নেতৃত্বে জাগদল প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

১৯৭৮ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ‘জাতীয়তাবাদী ফ্রন্টের’ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং শক্তিশালী অংশ ছিল ন্যাপ (ভাসানী)। তৎকালীন সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমান ছিলেন, ‘জাতীয়তাবাদী ফ্রন্টের’ মনোনীত প্রার্থী হিসাবে ধানের শীষ মার্কা নিয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করেন।

ছয় দলীয় জোট ‘জাতীয়তাবাদী ফ্রন্ট’-এর প্রার্থী হিসেবে সেই নির্বাচনে মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানও “ধানের শীষ” প্রতীক ব্যবহার করেন।

অন্যদিকে (আওয়ামী লীগ, জনতা পার্টি, ন্যাপ সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে) বিরোধী দলীয় ঐক্যের রাষ্ট্রপতি প্রার্থী জেনারেল এম এ জি ওসমানী নৌকা মার্কা নিয়ে নির্বাচন অংশগ্রহণ করেন।

জাতীয়তাবাদী ফ্রন্টে ছিল জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক দল, মরহুম মশিউর রহমানের নেতৃত্বাধীন ন্যাপ (ভাসানী), কাজী জাফরের নেতৃত্বে ইউনাইটেড পিপলস পার্টি, শাহ আজিজুর রহমানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ মুসলিম লীগ, মাওলানা আবদুল মতীনের নেতৃত্বে বাংলাদেশ লেবার পার্টি এবং বাংলাদেশ তফসিলি ফেডারেশন। (চলবে)

দৈনিক আস্থা/এমএইচ

ট্যাগস :

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, জাতীয়তাবাদী ফ্রন্ট এবং ধানের শীষ

আপডেট সময় : ১০:০২:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, জাতীয়তাবাদী ফ্রন্ট এবং ধানের শীষ

মোফাজ্জল হোসেন ইলিয়াছঃ

ইতিহাস না জানা অপরাধ নয়, তবে ইতিহাস বিকৃত করা অপরাধ। এটাই হচ্ছে ইতিহাস (প্রথম কিস্তি) “রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, জাতীয়তাবাদী ফ্রন্ট এবং ধানের শীষ”।

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরে ১৯৭৩ সালের প্রথম সংসদ নির্বাচনে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ন্যাপ (ভাসানী) “ধানের শীষ” প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিল।

মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ১৯৭৬ সালের ১৭ নভেম্বর রোজ বুধবার ইন্তেকাল করেন। জীবদ্দশায়ই মওলানা ভাসানী ন্যাপের রাজনীতি থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেন এবং খোদাই খেদমতগার ও হুকুমতে রব্বানীয়া গঠন করেন। তখন ন্যাপের নেতৃত্বে ছিলেন প্রখ্যাত রাজনীতিবীদ মশিউর রহমান জাদুমিয়া।

তৎকালীন চীফ মার্শাল ল এডমিনিস্ট্রেটর মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানের সহযোগিতায় বিচারপতি আবদুস সাত্তারের নেতৃত্বে জাগদল প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

১৯৭৮ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ‘জাতীয়তাবাদী ফ্রন্টের’ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং শক্তিশালী অংশ ছিল ন্যাপ (ভাসানী)। তৎকালীন সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমান ছিলেন, ‘জাতীয়তাবাদী ফ্রন্টের’ মনোনীত প্রার্থী হিসাবে ধানের শীষ মার্কা নিয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করেন।

ছয় দলীয় জোট ‘জাতীয়তাবাদী ফ্রন্ট’-এর প্রার্থী হিসেবে সেই নির্বাচনে মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানও “ধানের শীষ” প্রতীক ব্যবহার করেন।

অন্যদিকে (আওয়ামী লীগ, জনতা পার্টি, ন্যাপ সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে) বিরোধী দলীয় ঐক্যের রাষ্ট্রপতি প্রার্থী জেনারেল এম এ জি ওসমানী নৌকা মার্কা নিয়ে নির্বাচন অংশগ্রহণ করেন।

জাতীয়তাবাদী ফ্রন্টে ছিল জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক দল, মরহুম মশিউর রহমানের নেতৃত্বাধীন ন্যাপ (ভাসানী), কাজী জাফরের নেতৃত্বে ইউনাইটেড পিপলস পার্টি, শাহ আজিজুর রহমানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ মুসলিম লীগ, মাওলানা আবদুল মতীনের নেতৃত্বে বাংলাদেশ লেবার পার্টি এবং বাংলাদেশ তফসিলি ফেডারেশন। (চলবে)

দৈনিক আস্থা/এমএইচ