ঢাকা ০৩:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রূপপুরে জ্বালানি লোডিংয়ের অনুমোদন: এপ্রিলের শেষে উদ্বোধন

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ১০:৪০:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
  • / ১০৭৩ বার পড়া হয়েছে

রূপপুরে জ্বালানি লোডিংয়ের অনুমোদন: এপ্রিলের শেষে উদ্বোধন

শেখ সাগর আহাম্মেদঃ

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে জ্বালানি (ইউরেনিয়াম) লোডিংয়ের অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বায়রা)। সবকিছু ঠিক থাকলে এপ্রিলের শেষ দিকে এই কাজের উদ্বোধন হতে পারে।

আজ বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বায়রার চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান বলেন, ৭ এপ্রিল উদ্বোধনের প্রাথমিক পরিকল্পনা থাকলেও কারিগরি ও নিরাপত্তাজনিত কিছু বিষয় সামনে আসায় তা স্থগিত করা হয়। নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়ার পরই জ্বালানি লোডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের (এনপিসিবিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাহেদুল হাসান বলেন, অগ্নি নিরাপত্তাসহ প্রয়োজনীয় সব অনুমোদন পাওয়া গেছে। নিরাপত্তা, সুরক্ষা ও আন্তর্জাতিক সেফগার্ড প্রোটোকল মেনে ফিজিক্যাল স্টার্টআপ তথা জ্বালানি লোডিংয়ের প্রস্তুতি শেষ। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে প্রথম ইউনিট থেকে পরীক্ষামূলকভাবে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ দেওয়া শুরু হতে পারে।

তিনি বলেন, ৭ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ভার্চুয়াল উপস্থিতিতে এ কার্যক্রম উদ্বোধনের কথা ছিল। কিন্তু লাইসেন্স পেতে দেরি হওয়ায় সেই সূচি স্থগিত করা হয়।

রাশিয়া থেকে জ্বালানি দেশে আসার প্রায় দুই বছর পর প্রকল্পটি এই ধাপে পৌঁছাল। ১২ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ের এই প্রকল্পের দুটি ইউনিট থেকে মোট ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে। প্রথম ইউনিট ২০২৭ সালের প্রথমার্ধে এবং দ্বিতীয় ইউনিট ২০২৮ সালের মধ্যে চালু করার লক্ষ্য রয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২.৪ গিগাওয়াট (২×৩২০০ মেওতাপীয়) ২৪শ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র যা বাংলাদেশের পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার রূপপুরে অবস্থিত। এটি বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি রাশিয়ার রোসাটোম স্টেট অ্যাটমিক এনার্জি কর্পোরেশন-এর সহযোগিতায় ২০১৭ সালের ৩০ নভেম্বর

বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন (BAEC), বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়(MoST) তত্ববধায়নে ১ লাখ ১৩ হাজার ৯২ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ কাজ শুরু হয়।

দৈনিক আস্থা/এমএইচ

ট্যাগস :

রূপপুরে জ্বালানি লোডিংয়ের অনুমোদন: এপ্রিলের শেষে উদ্বোধন

আপডেট সময় : ১০:৪০:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

রূপপুরে জ্বালানি লোডিংয়ের অনুমোদন: এপ্রিলের শেষে উদ্বোধন

শেখ সাগর আহাম্মেদঃ

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে জ্বালানি (ইউরেনিয়াম) লোডিংয়ের অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বায়রা)। সবকিছু ঠিক থাকলে এপ্রিলের শেষ দিকে এই কাজের উদ্বোধন হতে পারে।

আজ বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বায়রার চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান বলেন, ৭ এপ্রিল উদ্বোধনের প্রাথমিক পরিকল্পনা থাকলেও কারিগরি ও নিরাপত্তাজনিত কিছু বিষয় সামনে আসায় তা স্থগিত করা হয়। নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়ার পরই জ্বালানি লোডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের (এনপিসিবিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাহেদুল হাসান বলেন, অগ্নি নিরাপত্তাসহ প্রয়োজনীয় সব অনুমোদন পাওয়া গেছে। নিরাপত্তা, সুরক্ষা ও আন্তর্জাতিক সেফগার্ড প্রোটোকল মেনে ফিজিক্যাল স্টার্টআপ তথা জ্বালানি লোডিংয়ের প্রস্তুতি শেষ। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে প্রথম ইউনিট থেকে পরীক্ষামূলকভাবে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ দেওয়া শুরু হতে পারে।

তিনি বলেন, ৭ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ভার্চুয়াল উপস্থিতিতে এ কার্যক্রম উদ্বোধনের কথা ছিল। কিন্তু লাইসেন্স পেতে দেরি হওয়ায় সেই সূচি স্থগিত করা হয়।

রাশিয়া থেকে জ্বালানি দেশে আসার প্রায় দুই বছর পর প্রকল্পটি এই ধাপে পৌঁছাল। ১২ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ের এই প্রকল্পের দুটি ইউনিট থেকে মোট ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে। প্রথম ইউনিট ২০২৭ সালের প্রথমার্ধে এবং দ্বিতীয় ইউনিট ২০২৮ সালের মধ্যে চালু করার লক্ষ্য রয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২.৪ গিগাওয়াট (২×৩২০০ মেওতাপীয়) ২৪শ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র যা বাংলাদেশের পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার রূপপুরে অবস্থিত। এটি বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি রাশিয়ার রোসাটোম স্টেট অ্যাটমিক এনার্জি কর্পোরেশন-এর সহযোগিতায় ২০১৭ সালের ৩০ নভেম্বর

বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন (BAEC), বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়(MoST) তত্ববধায়নে ১ লাখ ১৩ হাজার ৯২ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ কাজ শুরু হয়।

দৈনিক আস্থা/এমএইচ