লালমনিরহাটে হোটেল সীমান্ত প্রতারনার অভিযোগ
- আপডেট সময় : ১১:৪৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬
- / ১০৩৩ বার পড়া হয়েছে
লালমনিরহাটে হোটেল সীমান্ত প্রতারনার অভিযোগ
লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ
লালমনিরহাট শহরের অন্যতম ব্যস্ত ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকা মিশন মোড়ে অবস্থিত “হোটেল সীমান্ত আবাসিক’’ এর বিরুদ্ধে নারী-পুরুষকে কক্ষ ভাড়া দিয়ে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সুযোগ করে দেওয়া এবং ব্যক্তিগত ভিডিও ধারণ করে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভ ও সামাজিক নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাতে খবর পেয়ে ওই আবাসিক হোটেলে যায় পুলিশ। এ সময় এক নারী ও এক পুরুষকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাদের পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, হোটেলটির আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে নারী-পুরুষকে কক্ষ ভাড়া দেওয়ার মাধ্যমে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে হোটেলে অবস্থানরত অতিথিদের ব্যক্তিগত ভিডিও ধারণ করে তা দেখিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আদায়ের অভিযোগও রয়েছে।
এর আগে একই হোটেলকে ঘিরে লালমনিরহাট সদর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন মতিউর রহমান (২৮) নামে এক ব্যক্তি। অভিযোগে তিনি দাবি করেন, গত ২৫ জুলাই স্ত্রীকে নিয়ে হোটেলটির একটি কক্ষ ভাড়া নেন। পরদিন সকালে হোটেল থেকে বের হওয়ার সময় হোটেল মালিকের পক্ষের লোকজন তার কাছে ৫ লাখ টাকা দাবি করেন এবং টাকা না দিলে তাদের যেতে দেওয়া হবে না বলে হুমকি দেন।
লিখিত অভিযোগে মতিউর রহমান আরও দাবি করেন, একপর্যায়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে তার কাছ থেকে ১ লাখ ৫ হাজার টাকা নেওয়া হয়। পরে বিকাশের মাধ্যমে আরও টাকা দেওয়ার পর তাদের হোটেল থেকে বের হতে দেওয়া হয়। এ সময় তার মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া এবং তার স্ত্রীকে অন্য কক্ষে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টারও করেন।
হোটেল সীমান্তের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আল মামুন শুভ্র বলেন, শুক্রবার রাতে এক নারী ও এক পুরুষ হোটেলে এসে তথ্যের অসংগতি দেন। পরে তাদের ভিডিও ধারণ করা হয়েছে- এমন অভিযোগ নিয়ে হট্টগোল সৃষ্টি হলে তারা পুলিশের শরণাপন্ন হন।
তিনি দাবি করেন, সম্প্রতি একটি পক্ষ তার হোটেলকে নিয়ে ষড়যন্ত্র করছে। তবে টাকা গ্রহণের অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেন।
লালমনিরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাদ আহমেদ বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই নারী ও পুরুষকে থানায় নিয়ে আসে। পরে তাদের পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। তবে এ ধরনের কর্মকাণ্ডের অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
দৈনিক আস্থা/এমএইচ


















